সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

ট্রাকচালকের স্ত্রীকে নিয়ে গেল পুলিশ। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১৬১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: ট্রাকচালক মনিরুল ইসলামকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন লাইলাতুন নেসা লতা। তারপর সংসার করছিলেন স্বামীর বাড়িতে।
তবে বিয়ে মেনে নেননি লতার বাবা। তিনি অভিযোগ করেন থানায়। পুলিশ মনিরুলের বাড়ি থেকে লতাকে নিয়ে গিয়ে বাবার কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে। তবে মনিরুল তার স্ত্রীকে ফেরত পেতে শুক্রবার রাজশাহীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহিদুল্লাহর কাছে আবেদন করেছেন।

মনিরুলের বাড়ি বেলপুকুর থানার মাহেন্দ্রা এলাকায়। তার বাবার নাম আবদুস সালাম। আর লতা দুর্গাপুর উপজেলার গৌরিহার গ্রামের আবদুল লতিবের মেয়ে।

মনিরুলের অভিযোগ, আগের স্বামীর কাছে পাঠাতে লতার বাবা দুর্গাপুর থানা পুলিশকে দিয়ে তার স্ত্রীকে নিয়ে গেছে। এসপির কাছে আবেদনে মনিরুল বলেছেন, গত বছর ২৬ নভেম্বর লতাকে বিয়ে করেন। বিয়ের নিবন্ধনও করা হয়েছে।

হঠাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে সাদাপোশাকে দুর্গাপুর থানা পুলিশ তার বাড়িতে গিয়ে ‘অভিযোগ আছে’ জানিয়ে লতাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। মনিরুল অভিযোগ করেন, মোটা অঙ্কের উৎকোচের বিনিময়ে ওসি খুরশিদা বানু তার স্ত্রীকে নিয়ে গিয়ে বাবার কাছে দিয়েছেন। আর তাকে ভয়ভীতি দেখিয়েছেন। এখন আবদুল লতিব তার মেয়েকে আটকে রেখেছেন।

মনিরুল স্ত্রীকে ফেরত এনে দেওয়ার জন্য এসপির কাছে আবেদন জানিয়েছেন। জেলা পুলিশের মুখপাত্র ইফতেখায়ের আলম বলেন, আবেদনের বিষয়টি তিনি জানেন না।

সেটি দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। দুর্গাপুর থানার ওসি খুরশিদা বানু বলেন, মেয়েকে উদ্ধারের জন্য আবদুল লতিব অভিযোগ দিয়েছিলেন। তার আগের স্বামীও আবেদন করেছিলেন। এর প্রেক্ষিতে লতাকে উদ্ধার করে বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

লতা তার বাবার কাছে থাকতে চান বলে লিখিত দিয়ে গেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ট্রাকচালকের স্ত্রীকে নিয়ে গেল পুলিশ। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:১৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: ট্রাকচালক মনিরুল ইসলামকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন লাইলাতুন নেসা লতা। তারপর সংসার করছিলেন স্বামীর বাড়িতে।
তবে বিয়ে মেনে নেননি লতার বাবা। তিনি অভিযোগ করেন থানায়। পুলিশ মনিরুলের বাড়ি থেকে লতাকে নিয়ে গিয়ে বাবার কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে। তবে মনিরুল তার স্ত্রীকে ফেরত পেতে শুক্রবার রাজশাহীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহিদুল্লাহর কাছে আবেদন করেছেন।

মনিরুলের বাড়ি বেলপুকুর থানার মাহেন্দ্রা এলাকায়। তার বাবার নাম আবদুস সালাম। আর লতা দুর্গাপুর উপজেলার গৌরিহার গ্রামের আবদুল লতিবের মেয়ে।

মনিরুলের অভিযোগ, আগের স্বামীর কাছে পাঠাতে লতার বাবা দুর্গাপুর থানা পুলিশকে দিয়ে তার স্ত্রীকে নিয়ে গেছে। এসপির কাছে আবেদনে মনিরুল বলেছেন, গত বছর ২৬ নভেম্বর লতাকে বিয়ে করেন। বিয়ের নিবন্ধনও করা হয়েছে।

হঠাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে সাদাপোশাকে দুর্গাপুর থানা পুলিশ তার বাড়িতে গিয়ে ‘অভিযোগ আছে’ জানিয়ে লতাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। মনিরুল অভিযোগ করেন, মোটা অঙ্কের উৎকোচের বিনিময়ে ওসি খুরশিদা বানু তার স্ত্রীকে নিয়ে গিয়ে বাবার কাছে দিয়েছেন। আর তাকে ভয়ভীতি দেখিয়েছেন। এখন আবদুল লতিব তার মেয়েকে আটকে রেখেছেন।

মনিরুল স্ত্রীকে ফেরত এনে দেওয়ার জন্য এসপির কাছে আবেদন জানিয়েছেন। জেলা পুলিশের মুখপাত্র ইফতেখায়ের আলম বলেন, আবেদনের বিষয়টি তিনি জানেন না।

সেটি দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। দুর্গাপুর থানার ওসি খুরশিদা বানু বলেন, মেয়েকে উদ্ধারের জন্য আবদুল লতিব অভিযোগ দিয়েছিলেন। তার আগের স্বামীও আবেদন করেছিলেন। এর প্রেক্ষিতে লতাকে উদ্ধার করে বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

লতা তার বাবার কাছে থাকতে চান বলে লিখিত দিয়ে গেছেন।