সংবাদ শিরোনাম ::
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুজনকে গুলি করে হত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয় নগরে ১২২ কেজি গাজা সহ গ্রেপ্তারে ১জন চুয়াডাঙ্গা গার্লস স্কুলে প্রশ্ন ফাঁসের তদন্তের মাঝপথে ভর্তি জালিয়াতি, স্বাক্ষর জালসহ নানা অপকর্মের হোতা অফিস সহায়ক আটক রাজাপুরে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করল সিআইডি বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্নের পর সনদ ও বই বিতরণ ঘোড়াঘাটের কোটি টাকার রানীগঞ্জ হাটসহ প্রতিটি হাটে সড়কের ওপর দোকান! বাবুগঞ্জে ভি-ডব্লিউ-বি কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোড়াঘাটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবদলের ৫ শতাধিক তাল বীজ রোপন ঘোড়াঘাটে ৪ পদজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা‎‎ অনুষ্ঠিত

ট্রাকচালকের স্ত্রীকে নিয়ে গেল পুলিশ। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১৬৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: ট্রাকচালক মনিরুল ইসলামকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন লাইলাতুন নেসা লতা। তারপর সংসার করছিলেন স্বামীর বাড়িতে।
তবে বিয়ে মেনে নেননি লতার বাবা। তিনি অভিযোগ করেন থানায়। পুলিশ মনিরুলের বাড়ি থেকে লতাকে নিয়ে গিয়ে বাবার কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে। তবে মনিরুল তার স্ত্রীকে ফেরত পেতে শুক্রবার রাজশাহীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহিদুল্লাহর কাছে আবেদন করেছেন।

মনিরুলের বাড়ি বেলপুকুর থানার মাহেন্দ্রা এলাকায়। তার বাবার নাম আবদুস সালাম। আর লতা দুর্গাপুর উপজেলার গৌরিহার গ্রামের আবদুল লতিবের মেয়ে।

মনিরুলের অভিযোগ, আগের স্বামীর কাছে পাঠাতে লতার বাবা দুর্গাপুর থানা পুলিশকে দিয়ে তার স্ত্রীকে নিয়ে গেছে। এসপির কাছে আবেদনে মনিরুল বলেছেন, গত বছর ২৬ নভেম্বর লতাকে বিয়ে করেন। বিয়ের নিবন্ধনও করা হয়েছে।

হঠাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে সাদাপোশাকে দুর্গাপুর থানা পুলিশ তার বাড়িতে গিয়ে ‘অভিযোগ আছে’ জানিয়ে লতাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। মনিরুল অভিযোগ করেন, মোটা অঙ্কের উৎকোচের বিনিময়ে ওসি খুরশিদা বানু তার স্ত্রীকে নিয়ে গিয়ে বাবার কাছে দিয়েছেন। আর তাকে ভয়ভীতি দেখিয়েছেন। এখন আবদুল লতিব তার মেয়েকে আটকে রেখেছেন।

মনিরুল স্ত্রীকে ফেরত এনে দেওয়ার জন্য এসপির কাছে আবেদন জানিয়েছেন। জেলা পুলিশের মুখপাত্র ইফতেখায়ের আলম বলেন, আবেদনের বিষয়টি তিনি জানেন না।

সেটি দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। দুর্গাপুর থানার ওসি খুরশিদা বানু বলেন, মেয়েকে উদ্ধারের জন্য আবদুল লতিব অভিযোগ দিয়েছিলেন। তার আগের স্বামীও আবেদন করেছিলেন। এর প্রেক্ষিতে লতাকে উদ্ধার করে বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

লতা তার বাবার কাছে থাকতে চান বলে লিখিত দিয়ে গেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ট্রাকচালকের স্ত্রীকে নিয়ে গেল পুলিশ। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:১৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: ট্রাকচালক মনিরুল ইসলামকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন লাইলাতুন নেসা লতা। তারপর সংসার করছিলেন স্বামীর বাড়িতে।
তবে বিয়ে মেনে নেননি লতার বাবা। তিনি অভিযোগ করেন থানায়। পুলিশ মনিরুলের বাড়ি থেকে লতাকে নিয়ে গিয়ে বাবার কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে। তবে মনিরুল তার স্ত্রীকে ফেরত পেতে শুক্রবার রাজশাহীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহিদুল্লাহর কাছে আবেদন করেছেন।

মনিরুলের বাড়ি বেলপুকুর থানার মাহেন্দ্রা এলাকায়। তার বাবার নাম আবদুস সালাম। আর লতা দুর্গাপুর উপজেলার গৌরিহার গ্রামের আবদুল লতিবের মেয়ে।

মনিরুলের অভিযোগ, আগের স্বামীর কাছে পাঠাতে লতার বাবা দুর্গাপুর থানা পুলিশকে দিয়ে তার স্ত্রীকে নিয়ে গেছে। এসপির কাছে আবেদনে মনিরুল বলেছেন, গত বছর ২৬ নভেম্বর লতাকে বিয়ে করেন। বিয়ের নিবন্ধনও করা হয়েছে।

হঠাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে সাদাপোশাকে দুর্গাপুর থানা পুলিশ তার বাড়িতে গিয়ে ‘অভিযোগ আছে’ জানিয়ে লতাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। মনিরুল অভিযোগ করেন, মোটা অঙ্কের উৎকোচের বিনিময়ে ওসি খুরশিদা বানু তার স্ত্রীকে নিয়ে গিয়ে বাবার কাছে দিয়েছেন। আর তাকে ভয়ভীতি দেখিয়েছেন। এখন আবদুল লতিব তার মেয়েকে আটকে রেখেছেন।

মনিরুল স্ত্রীকে ফেরত এনে দেওয়ার জন্য এসপির কাছে আবেদন জানিয়েছেন। জেলা পুলিশের মুখপাত্র ইফতেখায়ের আলম বলেন, আবেদনের বিষয়টি তিনি জানেন না।

সেটি দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। দুর্গাপুর থানার ওসি খুরশিদা বানু বলেন, মেয়েকে উদ্ধারের জন্য আবদুল লতিব অভিযোগ দিয়েছিলেন। তার আগের স্বামীও আবেদন করেছিলেন। এর প্রেক্ষিতে লতাকে উদ্ধার করে বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

লতা তার বাবার কাছে থাকতে চান বলে লিখিত দিয়ে গেছেন।