সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল দেড় কোটি টাকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১৭৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মসজিদের দানবাক্সে মিলল দেড় কোটি টাকা
বিডি ক্রাইম ডেস্ক॥ কিশোরগঞ্জ শহরের নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত দুই শতাব্দীরও অধিক প্রাচীন পাগলা মসজিদ। আজ শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জেলা শহরের ঐতিহাসিক এই পাগলা মসজিদের দানবাক্স হিসেবে ব্যবহৃত মোট আটটি লোহার সিন্দুক খুলে গণনা করে পাওয়া গেছে মোট ১ কোটি ৫০ লাখ ১৮ হাজার ৪৯৮ টাকা। ৩ মাস ২০ দিন পর লোহার সিন্দুকগুলো খোলা হয়েছে।

তাছাড়াও পাওয়া গেছে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা এবং স্বর্ণাংলকার। গত ২৬ অক্টোবর দানবাক্স খুলে পাওয়া গিয়েছিলো ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৪ হাজার ৫৯৮ টাকা।

এদিন সকাল ৯টা থেকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. হাবীবুর রহমান, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফজলে রাব্বি, মাহমুদল হাসান, উবাইদুর রহমান সোহেল, পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা মো. শওকতউদ্দিন ভুঁইয়া প্রমুখের সার্বিক তত্ত্বাবধানে টাকা বাছাই ও গণনার কাজ শুরু হয় এবং বিকাল পর্যন্ত টাকা গণনার কাজ চলে। মসজিদ সংলগ্ন নূরুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার শতাধিক ছাত্র-শিক্ষক, মসজিদ কমিটির লোকজন, আনসার বাহিনীর সদস্যরা টাকা বাছাইয়ের কাজে অংশ নেন। পরে রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ টাকাগুলো গুনে বুঝে নেন। পাগলা মসজিদের নামে রূাপালী ব্যাংকে একটি অ্যাকাউন্ট আছে। পরে প্রাপ্ত টাকা ব্যাংকের হিসাবে জমা দেওয়া হয়। সাধারণত ৩-৪ মাস পরপর এই সিন্দুকগুলো খোলা হয়।

পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা মো. শওকতউদ্দিন ভুঁইয়া জানান, প্রতিদিনিই গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, ডিম, দুধ থেকে শুরু করে উন্নয়ন কাজের জন্য সিমেন্টের বস্তা, নারিকেল, মোমবাতি, কোরআন শরীফ এমন কী চুন-বাতাসা, পান-সুপারি ইত্যাদিও জমা হয়। এইসব জিনিস প্রতিদিন বিকালে নিলাম ডাকের মাধ্যমে বিক্রি হয় এবং পরদিন প্রাপ্ত টাকা ব্যাংক হিসেবে জমা দেওয়া হয়।

এইসব জিনিস-পত্র বিক্রি করে প্রতিদিন দৈনিক গড়ে ৩০-৪০ হাজার টাকা আয় হয় বলে তিনি জানান। অন্য সম্প্রদায়ের লোকজনও এই মসজিদে এসে দান ও মানত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল দেড় কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

মসজিদের দানবাক্সে মিলল দেড় কোটি টাকা
বিডি ক্রাইম ডেস্ক॥ কিশোরগঞ্জ শহরের নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত দুই শতাব্দীরও অধিক প্রাচীন পাগলা মসজিদ। আজ শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জেলা শহরের ঐতিহাসিক এই পাগলা মসজিদের দানবাক্স হিসেবে ব্যবহৃত মোট আটটি লোহার সিন্দুক খুলে গণনা করে পাওয়া গেছে মোট ১ কোটি ৫০ লাখ ১৮ হাজার ৪৯৮ টাকা। ৩ মাস ২০ দিন পর লোহার সিন্দুকগুলো খোলা হয়েছে।

তাছাড়াও পাওয়া গেছে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা এবং স্বর্ণাংলকার। গত ২৬ অক্টোবর দানবাক্স খুলে পাওয়া গিয়েছিলো ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৪ হাজার ৫৯৮ টাকা।

এদিন সকাল ৯টা থেকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. হাবীবুর রহমান, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফজলে রাব্বি, মাহমুদল হাসান, উবাইদুর রহমান সোহেল, পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা মো. শওকতউদ্দিন ভুঁইয়া প্রমুখের সার্বিক তত্ত্বাবধানে টাকা বাছাই ও গণনার কাজ শুরু হয় এবং বিকাল পর্যন্ত টাকা গণনার কাজ চলে। মসজিদ সংলগ্ন নূরুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার শতাধিক ছাত্র-শিক্ষক, মসজিদ কমিটির লোকজন, আনসার বাহিনীর সদস্যরা টাকা বাছাইয়ের কাজে অংশ নেন। পরে রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ টাকাগুলো গুনে বুঝে নেন। পাগলা মসজিদের নামে রূাপালী ব্যাংকে একটি অ্যাকাউন্ট আছে। পরে প্রাপ্ত টাকা ব্যাংকের হিসাবে জমা দেওয়া হয়। সাধারণত ৩-৪ মাস পরপর এই সিন্দুকগুলো খোলা হয়।

পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা মো. শওকতউদ্দিন ভুঁইয়া জানান, প্রতিদিনিই গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, ডিম, দুধ থেকে শুরু করে উন্নয়ন কাজের জন্য সিমেন্টের বস্তা, নারিকেল, মোমবাতি, কোরআন শরীফ এমন কী চুন-বাতাসা, পান-সুপারি ইত্যাদিও জমা হয়। এইসব জিনিস প্রতিদিন বিকালে নিলাম ডাকের মাধ্যমে বিক্রি হয় এবং পরদিন প্রাপ্ত টাকা ব্যাংক হিসেবে জমা দেওয়া হয়।

এইসব জিনিস-পত্র বিক্রি করে প্রতিদিন দৈনিক গড়ে ৩০-৪০ হাজার টাকা আয় হয় বলে তিনি জানান। অন্য সম্প্রদায়ের লোকজনও এই মসজিদে এসে দান ও মানত করেন।