সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

ঢাকা-কলকাতা রুটে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনের সংখ্যা সপ্তাহে চার দিনের পরিবর্তে পাঁচ দিন চলবে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ২২১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার/ মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি/ মোঃ আমিনুল ইসলাম দামুড়হুদা বিশেষ প্রতিনিধি::-

ঢাকা-কলকাতা রুটে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনের ট্রিপের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। আগে যেখানে সপ্তাহে ট্রেনটি চারদিন চলতো এখন সেটা বাড়িয়ে পাঁচদিন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ক্যান্টনমেন্ট রেল স্টেশনে মৈত্রী এক্সপ্রেসের নতুন এ ট্রিপ উদ্বোধন করেন রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট-কলকাতা রুটে চলাচলরত মৈত্রী এক্সপ্রেস বাংলাদেশি রেক দিয়ে গঠিত ট্রেন মঙ্গলবার কলকাতা যাবে এবং বুধবার কলকাতা থেকে ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে ফিরে আসবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে এখন ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে সপ্তাহে পাঁচ দিন অর্থাৎ শুক্র, শনি, রবি, মঙ্গল ও বুধবার ঢাকা-কলকাতা রুটে ট্রেনটি চলাচল করবে দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশন হয়ে ভারতে প্রবেশ করবে আর প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার ট্রেনটি বন্ধ থাকবে।
২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে এই মৈত্রী ট্রেনের যাত্রা শুরু হয়। আর এই যাত্রার সূচনা করেছিলেন ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি। দীর্ঘ ৪৩ বছর পর বাংলাদেশের সঙ্গে এই ট্রেন যাত্রার সূচনা হয়েছিল। এছাড়া বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রার সূচনা হয়েছিল ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর সূচনা করেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মৈত্রী এক্সপ্রেস এর নতুন ট্রিপের উদ্বোধন শেষে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন ঢাকা থেকে কলকাতাগামী মৈত্রী এক্সপ্রেস আগে চারদিন যেত আজকে থেকে পাঁচ দিন চলাচল করবে। যাত্রী চাহিদার কথা মাথায় রেখে নতুন ট্রিপ বাড়ানো হলো। বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে রেলমন্ত্রী বলেন আমাদের দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে যে সম্পর্ক রয়েছে। সেটা ধীরে ধীরে আরও বাড়ছে এবং দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো বৃদ্ধি পাবে। তিনি বলেন ঢাকা-কলকাতার মধ্যে ট্রেনের যেসব রুট রয়েছে তার সবগুলোই ধীরে ধীরে চালু করা হবে। একই সাথে মৈত্রী এক্সপ্রেসকে যাতে সপ্তাহে ছয়দিন চালানো যায় সে ব্যাপারেও উদ্যোগ নেয়া হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো শামসুজ্জামান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অপারেশন মিয়া জাহান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত রিভা গাঙ্গুলি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঢাকা-কলকাতা রুটে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনের সংখ্যা সপ্তাহে চার দিনের পরিবর্তে পাঁচ দিন চলবে।

আপডেট সময় : ১১:৪০:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার/ মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি/ মোঃ আমিনুল ইসলাম দামুড়হুদা বিশেষ প্রতিনিধি::-

ঢাকা-কলকাতা রুটে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনের ট্রিপের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। আগে যেখানে সপ্তাহে ট্রেনটি চারদিন চলতো এখন সেটা বাড়িয়ে পাঁচদিন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ক্যান্টনমেন্ট রেল স্টেশনে মৈত্রী এক্সপ্রেসের নতুন এ ট্রিপ উদ্বোধন করেন রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট-কলকাতা রুটে চলাচলরত মৈত্রী এক্সপ্রেস বাংলাদেশি রেক দিয়ে গঠিত ট্রেন মঙ্গলবার কলকাতা যাবে এবং বুধবার কলকাতা থেকে ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে ফিরে আসবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে এখন ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে সপ্তাহে পাঁচ দিন অর্থাৎ শুক্র, শনি, রবি, মঙ্গল ও বুধবার ঢাকা-কলকাতা রুটে ট্রেনটি চলাচল করবে দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশন হয়ে ভারতে প্রবেশ করবে আর প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার ট্রেনটি বন্ধ থাকবে।
২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে এই মৈত্রী ট্রেনের যাত্রা শুরু হয়। আর এই যাত্রার সূচনা করেছিলেন ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি। দীর্ঘ ৪৩ বছর পর বাংলাদেশের সঙ্গে এই ট্রেন যাত্রার সূচনা হয়েছিল। এছাড়া বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রার সূচনা হয়েছিল ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর সূচনা করেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মৈত্রী এক্সপ্রেস এর নতুন ট্রিপের উদ্বোধন শেষে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন ঢাকা থেকে কলকাতাগামী মৈত্রী এক্সপ্রেস আগে চারদিন যেত আজকে থেকে পাঁচ দিন চলাচল করবে। যাত্রী চাহিদার কথা মাথায় রেখে নতুন ট্রিপ বাড়ানো হলো। বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে রেলমন্ত্রী বলেন আমাদের দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে যে সম্পর্ক রয়েছে। সেটা ধীরে ধীরে আরও বাড়ছে এবং দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো বৃদ্ধি পাবে। তিনি বলেন ঢাকা-কলকাতার মধ্যে ট্রেনের যেসব রুট রয়েছে তার সবগুলোই ধীরে ধীরে চালু করা হবে। একই সাথে মৈত্রী এক্সপ্রেসকে যাতে সপ্তাহে ছয়দিন চালানো যায় সে ব্যাপারেও উদ্যোগ নেয়া হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো শামসুজ্জামান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অপারেশন মিয়া জাহান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত রিভা গাঙ্গুলি।