সংবাদ শিরোনাম ::
অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

ধান গম ছেড়ে ভূট্টার চাষে আগ্রহ বাড়াচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১৮০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃধান চাষ করে কৃষক প্রতি বছর লোকসানের মুখোমুখি হওয়ায় এবার ভুট্টা চাষে আগ্রহ বাড়ছে ঠাকুরগাঁও জেলার কৃষক।

আমন ধান চাষ করেও এ মওসুমে কোন কোন কৃষক তার ধানের চাষে লাগানো পুজি দাড় করতে পারনি।

এবার বোরো ধানের মওসুমে শীতের প্রকোপে ধানের বীজ তলা যেভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তা কৃষকের বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।

সার, তেল , শ্রমিক খরচ সব কিছু মিলিয়ে এবারো বরো ধানের মওসুমে লাভ হবে কিনা এজন্য বোরোধান চাষে অনেক কৃষক অনিহা প্রকাশ করেছে।

২১ নং ঢোলার হাঁট ইউনিয়নের আমীন বলেন- কি হেউত আর কি বোরোধান,ধান চাষ করলেই ফকির। এবার আমি বোরোধানের তিন বিঘা (৫০শতাংশ) মাটিতে এন এইচ ৭৭২০ ভূট্টা লাগাইছি। ভূট্টার আবাদে খরচ কম কিন্তু লাভ বেশি।

এ কৃষক জানান, আমাদের এলাকায় কমবেশি ভূট্টা চাষে সবাই আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

উপজেলার সকল ইউনিয়নে ঘুরে বালিয়া ইউনিয়নের কৃষক জালাল জানান-আমাদের এলাকায় বেশি ভাগই ভূট্টা চাষ করে আসছেন।
শুধু মাত্র রোপা আমন মওসুমে রোপা আমন ধান চাষ করে । বোরো মওসুমে বেশির ভাগ কৃষক ভূট্টা চাষ করে থাকে। ভূট্টা চাষে খরচ কম কিন্তু লাভ বেশি।

১০ নং জামালপুর ইউনিয়নের কৃষক পরেশ জানায় ধান চাষে তেমন লাভ হয় না। মুখের ভাতের জন্য আমি এক বিঘা(৫০ শতাংশ) বোরো ধান লাগাবো। আমি দুই বিঘা ভূট্টা লাগাইছি। ভূট্টায় ধানের চেয়ে খরচ কম কিন্তু লাভ বেশি।

রায়পুর ইউনিয়নের কৃষক জাহিদ বলেন আমাদের এলাকায় বরাবরই ধান চাষ ভলো হয়। আমাদের এলাকা জমিতে বিঘায় ৩৫- ৪০ মন ধান ফলন আসে। ধানের দাম মওসুমে না পাওয়ায় ও ভূট্টায় লাভ বেশি পাওয়ায় এলাকার কৃষক ভূট্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

বালিয়ার কৃষক আলম বলেন রোপা আমন ধান আমাদের এলাকার সব কৃষক আবাদ করে। বোরো ধানের মওসুমে এলাকার প্রায় অনেক কৃষক ভূট্টা আবাদ করে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায় এ বছর যে ভুট্টা চাষ করছে কৃষক তা লক্ষ্য মাত্রাকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ধান গম ছেড়ে ভূট্টার চাষে আগ্রহ বাড়াচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষক

আপডেট সময় : ১০:৫৫:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃধান চাষ করে কৃষক প্রতি বছর লোকসানের মুখোমুখি হওয়ায় এবার ভুট্টা চাষে আগ্রহ বাড়ছে ঠাকুরগাঁও জেলার কৃষক।

আমন ধান চাষ করেও এ মওসুমে কোন কোন কৃষক তার ধানের চাষে লাগানো পুজি দাড় করতে পারনি।

এবার বোরো ধানের মওসুমে শীতের প্রকোপে ধানের বীজ তলা যেভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তা কৃষকের বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।

সার, তেল , শ্রমিক খরচ সব কিছু মিলিয়ে এবারো বরো ধানের মওসুমে লাভ হবে কিনা এজন্য বোরোধান চাষে অনেক কৃষক অনিহা প্রকাশ করেছে।

২১ নং ঢোলার হাঁট ইউনিয়নের আমীন বলেন- কি হেউত আর কি বোরোধান,ধান চাষ করলেই ফকির। এবার আমি বোরোধানের তিন বিঘা (৫০শতাংশ) মাটিতে এন এইচ ৭৭২০ ভূট্টা লাগাইছি। ভূট্টার আবাদে খরচ কম কিন্তু লাভ বেশি।

এ কৃষক জানান, আমাদের এলাকায় কমবেশি ভূট্টা চাষে সবাই আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

উপজেলার সকল ইউনিয়নে ঘুরে বালিয়া ইউনিয়নের কৃষক জালাল জানান-আমাদের এলাকায় বেশি ভাগই ভূট্টা চাষ করে আসছেন।
শুধু মাত্র রোপা আমন মওসুমে রোপা আমন ধান চাষ করে । বোরো মওসুমে বেশির ভাগ কৃষক ভূট্টা চাষ করে থাকে। ভূট্টা চাষে খরচ কম কিন্তু লাভ বেশি।

১০ নং জামালপুর ইউনিয়নের কৃষক পরেশ জানায় ধান চাষে তেমন লাভ হয় না। মুখের ভাতের জন্য আমি এক বিঘা(৫০ শতাংশ) বোরো ধান লাগাবো। আমি দুই বিঘা ভূট্টা লাগাইছি। ভূট্টায় ধানের চেয়ে খরচ কম কিন্তু লাভ বেশি।

রায়পুর ইউনিয়নের কৃষক জাহিদ বলেন আমাদের এলাকায় বরাবরই ধান চাষ ভলো হয়। আমাদের এলাকা জমিতে বিঘায় ৩৫- ৪০ মন ধান ফলন আসে। ধানের দাম মওসুমে না পাওয়ায় ও ভূট্টায় লাভ বেশি পাওয়ায় এলাকার কৃষক ভূট্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

বালিয়ার কৃষক আলম বলেন রোপা আমন ধান আমাদের এলাকার সব কৃষক আবাদ করে। বোরো ধানের মওসুমে এলাকার প্রায় অনেক কৃষক ভূট্টা আবাদ করে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায় এ বছর যে ভুট্টা চাষ করছে কৃষক তা লক্ষ্য মাত্রাকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।