শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন

Notice :
প্রকাশ্যে ধূমপান করে তোপের মুখেপড়া এক তরুণীর ভিডিও ভাইরাল।চরমোনাই পীরের ওয়াজ মাহফিল বাতিল।বিএনপির কোনো নেতাকর্মী যেন পদ্মা সেতু পার না হয় বললেন শাজাহান খান।জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী, ভাতাপ্রাপ্ত প্রায় দুই হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার বয়স ৫০–এর নিচে।করোনা আক্রান্ত কনের অভিনব পদ্ধতিতে বিয়ে (ভিডিও)আবাসিক হোটেলে জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ।পুলিশে হঠাৎ বড় রদবদল।ইউটিউবে যাত্রা শুরু করছেন মিজানুর রহমান আজহারী।
সর্বশেষ সংবাদ :
মসজিদে মাস্ক না পরায় সংঘর্ষে আহত ১০। সকালে সন্তান জন্ম দিয়ে বিকেলে করোনায় সংবাদকর্মীর মৃত্যু। জীবননগরে মানব সেবা সংগঠনের উদ্যোগে জায়নামাজ ও তসবিহ বিতরণ। ১৪-আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন কক্সবাজারে(এপিবিএন)এ নতুন অধিনায়ক এ যোগদান। চট্টগ্রামে স্কুলছাত্রীর অশ্লীল ভিডিও ধারণ, শিক্ষক গ্রেফতার। ছেলে অর্থলোভে পাগল সাজিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করলেন বাবাকে। প্রধানমন্ত্রীর পদ নিয়ে সৃষ্ট অন্তঃকলহ স্বাধীনতার প্রশ্নে ভুলে যান জাতীয় চার নেতা। হেফাজত নেতা মাওলানা জুবায়ের গ্রেফতার। উপজেলা চেয়ারম্যানের কিল-ঘুষিতে এক বৃদ্ধের করুণ মৃত্যু। আবর্জনার গাড়িতে নেওয়া হচ্ছে করোনার মৃতদেহ।
পালিত মেয়ের ধর্ষণের মামলা ফাঁসাতে গিয়ে বাবা নিজেই আসামি। আজকের ক্রাইম নিউজ

পালিত মেয়ের ধর্ষণের মামলা ফাঁসাতে গিয়ে বাবা নিজেই আসামি। আজকের ক্রাইম নিউজ

অনলাইন ডেস্ক::: গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের টিয়াগাছা গ্রামে পালিত মেয়ের ধর্ষণের মামলা করতে গিয়ে পালক পিতা ওই ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য ইদ্রিস আলী চেংটু নিজেই আসামি হয়ে জেল খেটেছেন। ধর্ষণ ঘটনার মূল আসামি মাসুদ মিয়ার বিচার এবং মিথ্যা ধর্ষণ মামলা থেকে পালক পিতার অব্যাহতি, সুবিচারসহ পুলিশের অন্যায়-দুর্নীতির প্রতিকারের দাবি জানিয়ে সোমবার গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন সেই মেয়ে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ভাতগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান এ টি এম রেজানুল ইসলাম বাবুর বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় চার নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ইদ্রিস আলী চেংটুর সাথে তার বিরোধ শুরু হয়। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান তাকে ফাঁসাতে নানা ফন্দি আঁটেন। চেয়ারম্যানের নিকটতম প্রতিবেশী একই ইউনিয়নের দক্ষিণ সন্তলা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মাসুদ মিয়া তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এই প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরেই গত ৩ মে রাতে নিজ বাড়িতে তাকে একা পেয়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ করে মাসুদ মিয়া। কিন্তু পরে মাসুদ মিয়া পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পর দিন ৪ মে ধর্ষিত মেয়েকে নিয়ে ইদ্রিস আলী ও তার স্ত্রী শিউলী বেগম থানায় ধর্ষক মাসুদ মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে চেয়ারম্যানের প্রভাবে তাদের বেআইনিভাবে আটক করে হাজতে রাখে পুলিশ। সেখানে তাদের গালিগালাজ ও মারপিট করা হয়। শুধু তাই নয়, পুলিশ জোর করে মেয়েকে দিয়ে উল্টো চেংটুর বিরুদ্ধেই ধর্ষণ ও অকাল গর্ভপাত ঘটানোর মিথ্যা অভিযোগে জোর করে স্বাক্ষর নিয়ে মামলা দায়ের করে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য ইদ্রিস আলী, শিউলী বেগম, ধর্ষিতা, প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

এ ব্যাপারে ভাতগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান এ টি এম রেজানুল ইসলাম বাবুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, প্রকৃত পক্ষে একটি নিরীহ ছেলেকে ফাঁসাতে গিয়ে ইদ্রিস নিজেই ফেঁসে যান।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019
Bengali English