সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

পালিত মেয়ের ধর্ষণের মামলা ফাঁসাতে গিয়ে বাবা নিজেই আসামি। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৯২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক::: গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের টিয়াগাছা গ্রামে পালিত মেয়ের ধর্ষণের মামলা করতে গিয়ে পালক পিতা ওই ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য ইদ্রিস আলী চেংটু নিজেই আসামি হয়ে জেল খেটেছেন। ধর্ষণ ঘটনার মূল আসামি মাসুদ মিয়ার বিচার এবং মিথ্যা ধর্ষণ মামলা থেকে পালক পিতার অব্যাহতি, সুবিচারসহ পুলিশের অন্যায়-দুর্নীতির প্রতিকারের দাবি জানিয়ে সোমবার গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন সেই মেয়ে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ভাতগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান এ টি এম রেজানুল ইসলাম বাবুর বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় চার নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ইদ্রিস আলী চেংটুর সাথে তার বিরোধ শুরু হয়। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান তাকে ফাঁসাতে নানা ফন্দি আঁটেন। চেয়ারম্যানের নিকটতম প্রতিবেশী একই ইউনিয়নের দক্ষিণ সন্তলা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মাসুদ মিয়া তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এই প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরেই গত ৩ মে রাতে নিজ বাড়িতে তাকে একা পেয়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ করে মাসুদ মিয়া। কিন্তু পরে মাসুদ মিয়া পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পর দিন ৪ মে ধর্ষিত মেয়েকে নিয়ে ইদ্রিস আলী ও তার স্ত্রী শিউলী বেগম থানায় ধর্ষক মাসুদ মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে চেয়ারম্যানের প্রভাবে তাদের বেআইনিভাবে আটক করে হাজতে রাখে পুলিশ। সেখানে তাদের গালিগালাজ ও মারপিট করা হয়। শুধু তাই নয়, পুলিশ জোর করে মেয়েকে দিয়ে উল্টো চেংটুর বিরুদ্ধেই ধর্ষণ ও অকাল গর্ভপাত ঘটানোর মিথ্যা অভিযোগে জোর করে স্বাক্ষর নিয়ে মামলা দায়ের করে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য ইদ্রিস আলী, শিউলী বেগম, ধর্ষিতা, প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

এ ব্যাপারে ভাতগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান এ টি এম রেজানুল ইসলাম বাবুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, প্রকৃত পক্ষে একটি নিরীহ ছেলেকে ফাঁসাতে গিয়ে ইদ্রিস নিজেই ফেঁসে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পালিত মেয়ের ধর্ষণের মামলা ফাঁসাতে গিয়ে বাবা নিজেই আসামি। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০১:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক::: গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের টিয়াগাছা গ্রামে পালিত মেয়ের ধর্ষণের মামলা করতে গিয়ে পালক পিতা ওই ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য ইদ্রিস আলী চেংটু নিজেই আসামি হয়ে জেল খেটেছেন। ধর্ষণ ঘটনার মূল আসামি মাসুদ মিয়ার বিচার এবং মিথ্যা ধর্ষণ মামলা থেকে পালক পিতার অব্যাহতি, সুবিচারসহ পুলিশের অন্যায়-দুর্নীতির প্রতিকারের দাবি জানিয়ে সোমবার গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন সেই মেয়ে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ভাতগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান এ টি এম রেজানুল ইসলাম বাবুর বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় চার নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ইদ্রিস আলী চেংটুর সাথে তার বিরোধ শুরু হয়। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান তাকে ফাঁসাতে নানা ফন্দি আঁটেন। চেয়ারম্যানের নিকটতম প্রতিবেশী একই ইউনিয়নের দক্ষিণ সন্তলা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মাসুদ মিয়া তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এই প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরেই গত ৩ মে রাতে নিজ বাড়িতে তাকে একা পেয়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ করে মাসুদ মিয়া। কিন্তু পরে মাসুদ মিয়া পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পর দিন ৪ মে ধর্ষিত মেয়েকে নিয়ে ইদ্রিস আলী ও তার স্ত্রী শিউলী বেগম থানায় ধর্ষক মাসুদ মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে চেয়ারম্যানের প্রভাবে তাদের বেআইনিভাবে আটক করে হাজতে রাখে পুলিশ। সেখানে তাদের গালিগালাজ ও মারপিট করা হয়। শুধু তাই নয়, পুলিশ জোর করে মেয়েকে দিয়ে উল্টো চেংটুর বিরুদ্ধেই ধর্ষণ ও অকাল গর্ভপাত ঘটানোর মিথ্যা অভিযোগে জোর করে স্বাক্ষর নিয়ে মামলা দায়ের করে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য ইদ্রিস আলী, শিউলী বেগম, ধর্ষিতা, প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

এ ব্যাপারে ভাতগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান এ টি এম রেজানুল ইসলাম বাবুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, প্রকৃত পক্ষে একটি নিরীহ ছেলেকে ফাঁসাতে গিয়ে ইদ্রিস নিজেই ফেঁসে যান।