সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

নিয়মিত অফিস করেন না নেছারাবাদ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা । আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৯ ২৯৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিয়মিত অফিস করেন না নেছারাবাদ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মানষ কুমার দাস। নিজের ইচ্ছামতো অফিসে আসেন, চলে যান সুবিধা অনুযায়ী। প্রতিদিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা পর্যন্ত তার অফিস ছিল তালাবদ্ধ।

এ নিয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুকে আইডিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন। ‘Uno Nesarabad’ নামে ওই ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘সকাল ১০.০০ টা জনাব মানষ কুমার দাস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, নেছারাবাদ এর কার্যালয় প্রতিদিনের মতই বন্ধ। তিনি নিজের ইচ্ছামত কার্যালয়ে আসেন এবং যান। অথচ সরকার সকল কর্মকর্তাকে সকাল ৯.০০ ঘটিকায় কার্যালয়ে বাধ্যতামূলক থাকতে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন।’

মুহূর্তেই ওই পোস্টে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য করেন অনেকে। আমিনুল ইসলাম তালুকদার নামে এক স্কুলশিক্ষক সেখানে মন্তব্য করেন, স্যার, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সুন্দর একটা তথ্য জাতির সামনে তুলে ধরার জন্য। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেবে।

সিকদার অরূপ নামে অপর এক ব্যক্তি মন্তব্য করেন, স্যার অফিসিয়াল ব্যবস্থা নিতে পারেন, আমরা সবাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে।

এ ব্যাপারে জানতে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মানষ কুমার দাসের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি বলেন, আমি গাড়িতে। সব সময় অফিস যেতে দেরি হয় না। মাসে ১৫ থেকে ২০ দিন আমাকে মাঠে থাকতে হয়। তাই অফিসে উপস্থিত হতে দেরি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মানষ কুমার দাস গত এক বছর ধরে নেছারাবাদ উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। তার বাড়ি বরিশালে। পরিবার নিয়ে তিনি সেখানে থাকেন। যখন ইচ্ছা হয় তখন বরিশাল থেকে অফিসে আসেন।

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু বলেন, মানষ কুমার নিয়মিত অফিসে অনেক দেরি করে আসেন। প্রায় সময়ই তার অফিসে তালা ঝুলানো দেখা যায়। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নিয়মিত অফিস করেন না নেছারাবাদ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা । আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৯

নিয়মিত অফিস করেন না নেছারাবাদ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মানষ কুমার দাস। নিজের ইচ্ছামতো অফিসে আসেন, চলে যান সুবিধা অনুযায়ী। প্রতিদিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা পর্যন্ত তার অফিস ছিল তালাবদ্ধ।

এ নিয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুকে আইডিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন। ‘Uno Nesarabad’ নামে ওই ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘সকাল ১০.০০ টা জনাব মানষ কুমার দাস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, নেছারাবাদ এর কার্যালয় প্রতিদিনের মতই বন্ধ। তিনি নিজের ইচ্ছামত কার্যালয়ে আসেন এবং যান। অথচ সরকার সকল কর্মকর্তাকে সকাল ৯.০০ ঘটিকায় কার্যালয়ে বাধ্যতামূলক থাকতে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন।’

মুহূর্তেই ওই পোস্টে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য করেন অনেকে। আমিনুল ইসলাম তালুকদার নামে এক স্কুলশিক্ষক সেখানে মন্তব্য করেন, স্যার, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সুন্দর একটা তথ্য জাতির সামনে তুলে ধরার জন্য। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেবে।

সিকদার অরূপ নামে অপর এক ব্যক্তি মন্তব্য করেন, স্যার অফিসিয়াল ব্যবস্থা নিতে পারেন, আমরা সবাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে।

এ ব্যাপারে জানতে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মানষ কুমার দাসের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি বলেন, আমি গাড়িতে। সব সময় অফিস যেতে দেরি হয় না। মাসে ১৫ থেকে ২০ দিন আমাকে মাঠে থাকতে হয়। তাই অফিসে উপস্থিত হতে দেরি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মানষ কুমার দাস গত এক বছর ধরে নেছারাবাদ উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। তার বাড়ি বরিশালে। পরিবার নিয়ে তিনি সেখানে থাকেন। যখন ইচ্ছা হয় তখন বরিশাল থেকে অফিসে আসেন।

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু বলেন, মানষ কুমার নিয়মিত অফিসে অনেক দেরি করে আসেন। প্রায় সময়ই তার অফিসে তালা ঝুলানো দেখা যায়। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।