সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

কার্পাসডাঙ্গা বাসী যেনো এক নিরাপত্তার চাদরে বসোবাস করছে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ৭৩৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ তহিরুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিনিধি কার্পাসডাঙ্গা থেকে ফিরে::-

মরণ নেশা মাদকের নীল সোবলে কার্পাসডাঙ্গা ফাঁড়ির প্রাণ কেন্দ্র কয়েকটি গ্ৰাম যুব সমাজ যখন বি-পথের দিকে ধাবিত হচ্ছে ঠিক সেই মূর্হুতেই মাদক নিমূর্ল চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ সকল অপরাধীদের গ্রেফতারে কার্পাসডাঙ্গা ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ব্যাপক প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তিনি এ ক্যাম্পে যোগদানের পর কার্পাসডাঙ্গা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে চলছেন। সেই সাথে তিনি চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ প্রায় ৫০/৬০ টি মাদকদ্রব্য বিক্রেতা ও সেবনকারীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনেছেন। উদ্ধার করেছেন অসংখ্য মাদকদ্রব্য। যার ফলে উচ্ছেদ হচ্ছে মাদক স্পট। শুধু মাদকই নয় কার্পাসডাঙ্গা বিভিন্ন স্থানে তিন তাসের ম্যাধ্যমে যেসব জুয়া খেলা চলতো তাও এই প্রতিবাদী মোঃ সাইফুল ইসলাম নিমূল করতে সক্ষম হয়েছে। যার ফলে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির প্রতি জনগনের স্বস্তি আস্থা ও বিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিপূর্বে অন্য কেউ এমন বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়নি। কার্পাসডাঙ্গা এলাকা কয়েক মাস আগেও মাদক ব্যবসায়ীদের স্বর্গ রাজ্যে পরিণত ছিল। কিন্তু বর্তমান কর্মরত মোঃ সাইফুল ইসলাম এ ক্যাম্পে যোগদান করারপর থেকেই কার্পাসডাঙ্গাবাসী যেন এক নিরাপত্তার চাদরে বসবাস করছে। এব্যাপারে মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান মাদক মরণ নেশা একটি মারাত্বক ব্যাধি। যার রোষানলে পড়ে যুব সমাজ আজ বিপদগামী। তাই যুব সমাজকে মাদক থেকে বাচাঁতে তিনি পুলিশ বিভাগে যোগদান করারপর থেকেই মাদক নিমূলের বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করে আসছে। তিনি বলেন বাঁচতে চাইলে মাদক ছাড়ুন এই সুলোগানকে সামনে রেখে কার্পাসডাঙ্গা মাদক মুক্ত রাখার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। মোঃ সাইফুল ইসলামের রয়েছে যেমন দক্ষতা সাহসীকতা তেমনি রয়েছে সততা। পুলিশ ও জনগণ আরেক জনের বন্ধু এবং একে অপরের সুম্পুর্নক। তাই উভয়েই মিলেই সচেতনতার সাথে সামাজিক ভাবে দায়িত্ব পালন করলে সমাজে অপরাধ নির্মূল সম্ভব। আইনের শাষন প্রতিষ্টায় সকলে মিলে একাত্বতা ঘোষনা করলে অবশ্যই সমাজে শান্তি ফিরে আসবে। অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক পুলিশ সক্রিয় থাকলে একাগ্রতার সাথে নিষ্ঠার সাথে কাজ করলে অপরাধ নির্মূল করা সাম্ভব। মোঃ সাইফুল ইসলাম এর ব্যাপারে কার্পাসডাঙ্গা এলাকায় গভীর ভাবে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের বড় শত্রু এবং অপরাধীদের পিছনে কৌশল অবল্বন করে তাকে যেভাবেই হোক আইনের আওতায় এনেছেন। অথচ অনেক পুলিশ অফিসার এর সাথে দাগী অসামীদের দহরম মহরম সর্ম্পক। ফলে সমাজে আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটে। কিন্তু মোঃ সাইফুল ইসলাম এর কাছে তার সবই যেনো উল্টো কেননা তিনি তার চাকুরী জীবনের শুরু থেকেই সততা ন্যায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। তার কাছে কোন অপরাধীই গুড সর্ম্পক করার সাহস পায় না। মোঃ সাইফুল ইসলাম মাদক দ্রব্য উচ্ছেদের জন্য এতটায় তৎপর যে তার কাছে যে কোনো ব্যক্তি মাদক বিক্রেতা ও সেবন কারীর তথ্য দিলেই সেখানে অভিযান চালান। যার কারণে
কার্পাসডাঙ্গা এখন গ্রেফতার আতঙ্কে ভুগছে অপরাধীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কার্পাসডাঙ্গা বাসী যেনো এক নিরাপত্তার চাদরে বসোবাস করছে।

আপডেট সময় : ০৩:১৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

মোঃ তহিরুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিনিধি কার্পাসডাঙ্গা থেকে ফিরে::-

মরণ নেশা মাদকের নীল সোবলে কার্পাসডাঙ্গা ফাঁড়ির প্রাণ কেন্দ্র কয়েকটি গ্ৰাম যুব সমাজ যখন বি-পথের দিকে ধাবিত হচ্ছে ঠিক সেই মূর্হুতেই মাদক নিমূর্ল চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ সকল অপরাধীদের গ্রেফতারে কার্পাসডাঙ্গা ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ব্যাপক প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তিনি এ ক্যাম্পে যোগদানের পর কার্পাসডাঙ্গা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে চলছেন। সেই সাথে তিনি চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ প্রায় ৫০/৬০ টি মাদকদ্রব্য বিক্রেতা ও সেবনকারীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনেছেন। উদ্ধার করেছেন অসংখ্য মাদকদ্রব্য। যার ফলে উচ্ছেদ হচ্ছে মাদক স্পট। শুধু মাদকই নয় কার্পাসডাঙ্গা বিভিন্ন স্থানে তিন তাসের ম্যাধ্যমে যেসব জুয়া খেলা চলতো তাও এই প্রতিবাদী মোঃ সাইফুল ইসলাম নিমূল করতে সক্ষম হয়েছে। যার ফলে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির প্রতি জনগনের স্বস্তি আস্থা ও বিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিপূর্বে অন্য কেউ এমন বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়নি। কার্পাসডাঙ্গা এলাকা কয়েক মাস আগেও মাদক ব্যবসায়ীদের স্বর্গ রাজ্যে পরিণত ছিল। কিন্তু বর্তমান কর্মরত মোঃ সাইফুল ইসলাম এ ক্যাম্পে যোগদান করারপর থেকেই কার্পাসডাঙ্গাবাসী যেন এক নিরাপত্তার চাদরে বসবাস করছে। এব্যাপারে মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান মাদক মরণ নেশা একটি মারাত্বক ব্যাধি। যার রোষানলে পড়ে যুব সমাজ আজ বিপদগামী। তাই যুব সমাজকে মাদক থেকে বাচাঁতে তিনি পুলিশ বিভাগে যোগদান করারপর থেকেই মাদক নিমূলের বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করে আসছে। তিনি বলেন বাঁচতে চাইলে মাদক ছাড়ুন এই সুলোগানকে সামনে রেখে কার্পাসডাঙ্গা মাদক মুক্ত রাখার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। মোঃ সাইফুল ইসলামের রয়েছে যেমন দক্ষতা সাহসীকতা তেমনি রয়েছে সততা। পুলিশ ও জনগণ আরেক জনের বন্ধু এবং একে অপরের সুম্পুর্নক। তাই উভয়েই মিলেই সচেতনতার সাথে সামাজিক ভাবে দায়িত্ব পালন করলে সমাজে অপরাধ নির্মূল সম্ভব। আইনের শাষন প্রতিষ্টায় সকলে মিলে একাত্বতা ঘোষনা করলে অবশ্যই সমাজে শান্তি ফিরে আসবে। অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক পুলিশ সক্রিয় থাকলে একাগ্রতার সাথে নিষ্ঠার সাথে কাজ করলে অপরাধ নির্মূল করা সাম্ভব। মোঃ সাইফুল ইসলাম এর ব্যাপারে কার্পাসডাঙ্গা এলাকায় গভীর ভাবে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের বড় শত্রু এবং অপরাধীদের পিছনে কৌশল অবল্বন করে তাকে যেভাবেই হোক আইনের আওতায় এনেছেন। অথচ অনেক পুলিশ অফিসার এর সাথে দাগী অসামীদের দহরম মহরম সর্ম্পক। ফলে সমাজে আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটে। কিন্তু মোঃ সাইফুল ইসলাম এর কাছে তার সবই যেনো উল্টো কেননা তিনি তার চাকুরী জীবনের শুরু থেকেই সততা ন্যায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। তার কাছে কোন অপরাধীই গুড সর্ম্পক করার সাহস পায় না। মোঃ সাইফুল ইসলাম মাদক দ্রব্য উচ্ছেদের জন্য এতটায় তৎপর যে তার কাছে যে কোনো ব্যক্তি মাদক বিক্রেতা ও সেবন কারীর তথ্য দিলেই সেখানে অভিযান চালান। যার কারণে
কার্পাসডাঙ্গা এখন গ্রেফতার আতঙ্কে ভুগছে অপরাধীরা।