সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

স্ত্রীর গলায় ছুরি ধরে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেয় এক পুলিশ কর্মকর্তা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪২:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ২৭৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:
স্ত্রীর গলায় ছুরি ধরে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়ার অভিযোগে আল আমিন (৩০) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় তার স্ত্রী আরজু বেগম লালমনিরহাটের আদিতমারী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

এর আগে গত ৩০ অক্টোবর সদর থানা পুলিশ আল-আমিনকে পরকীয়া প্রেমিকার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় তাকে আটক করে। পরে পরকীয়া প্রেমিকার দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা যায়, গত ২৯ অক্টোবর ছুটিতে বাড়ি এসে পরকীয়া প্রেমিকার বাড়িতে যান আল আমিন। সেখান থেকে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে আটক করে লালমনিরহাট সদর থানায় সোপর্দ করে। পরদিন পরকীয়া প্রেমিকার দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ২১ নভেম্বর জামিনে মুক্তি পেয়ে বাবার বাড়িতে থাকা স্ত্রী আরজুকে পাশের একটি মাদরাসায় কৌশলে ডেকে নিয়ে যান আল আমিন। সেখানে তার গলায় ছুরি ধরে জোরপূর্বক সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন।

এ ঘটনায় আরজু বেগম তার স্বামী আল আমিনসহ চারজনের বিরুদ্ধে গত ২৮ নভেম্বর আদিতমারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে পুলিশ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে।

মামলার বাদী আরজু বেগম বলেন, মীমাংসার কথা বলে ডেকে নিয়ে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর চায় তার স্বামী। না দিলে মারপিট করে গলায় ছুরি ধরে স্বাক্ষর নেয়। এখন থানায় অভিযোগ দেয়ায় পুরো পরিবারকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে আল আমিন। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাই মামলা নিতেও বিলম্ব করে থানা। এখন পুরো পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তারা।

আদিতমারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, মামলাটি নেয়া হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্ত্রীর গলায় ছুরি ধরে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেয় এক পুলিশ কর্মকর্তা।

আপডেট সময় : ০৯:৪২:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক:
স্ত্রীর গলায় ছুরি ধরে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়ার অভিযোগে আল আমিন (৩০) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় তার স্ত্রী আরজু বেগম লালমনিরহাটের আদিতমারী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

এর আগে গত ৩০ অক্টোবর সদর থানা পুলিশ আল-আমিনকে পরকীয়া প্রেমিকার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় তাকে আটক করে। পরে পরকীয়া প্রেমিকার দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা যায়, গত ২৯ অক্টোবর ছুটিতে বাড়ি এসে পরকীয়া প্রেমিকার বাড়িতে যান আল আমিন। সেখান থেকে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে আটক করে লালমনিরহাট সদর থানায় সোপর্দ করে। পরদিন পরকীয়া প্রেমিকার দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ২১ নভেম্বর জামিনে মুক্তি পেয়ে বাবার বাড়িতে থাকা স্ত্রী আরজুকে পাশের একটি মাদরাসায় কৌশলে ডেকে নিয়ে যান আল আমিন। সেখানে তার গলায় ছুরি ধরে জোরপূর্বক সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন।

এ ঘটনায় আরজু বেগম তার স্বামী আল আমিনসহ চারজনের বিরুদ্ধে গত ২৮ নভেম্বর আদিতমারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে পুলিশ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে।

মামলার বাদী আরজু বেগম বলেন, মীমাংসার কথা বলে ডেকে নিয়ে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর চায় তার স্বামী। না দিলে মারপিট করে গলায় ছুরি ধরে স্বাক্ষর নেয়। এখন থানায় অভিযোগ দেয়ায় পুরো পরিবারকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে আল আমিন। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাই মামলা নিতেও বিলম্ব করে থানা। এখন পুরো পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তারা।

আদিতমারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, মামলাটি নেয়া হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।