সংবাদ শিরোনাম ::
দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ ঝালকাঠি জেলা পরিষদের জমি ইজারা নিয়ে গণশুনানি, অবৈধ দখল উচ্ছেদের ঘোষণা বিষখালী নদীতে মৎস্য অভিযান, আটক ৫ ৪০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ৫ জনের কারাদণ্ড অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ‘অর্ণব’, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ভাণ্ডারিয়ায় সরকারি গাছ কাটার মামলার ১ নম্বর আসামি গ্রেপ্তার ভাণ্ডারিয়ায় মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধ মঞ্চ থেকে ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও লিফলেট প্রদান বরিশালে থানার সংখ্যা দ্বিগুণের পরিকল্পনা, হবে আরও ৪ থানা বরিশালে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় প্রশ্নপত্র ফাঁসে পরীক্ষা স্থগিত, তদন্ত কমিটি গঠন

কুমিল্লা ওসির বিরুদ্ধে একাধিক পরকীয়ার অভিযোগে প্রথম স্ত্রীর মামলা। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ৬৬৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক::কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (ত’দন্ত) মো. সালাহ উদ্দিনের বি’রুদ্ধে পরকীয়ার অ’ভিযোগে মা’মলা করেছেন প্রথম স্ত্রী সামসুন নাহার সুইটি।বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার নারী ও শিশু আ’দালতে মা’মলাটি দায়ের হয়। আ’দালত মা’মলাটি আমলে নিয়ে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ত’দন্তের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।মা’মলার বা’দী শামসুন নাহার সুইটি বলেন, বিয়ের সময় সালাহ উদ্দিন সিএমপিতে পিএসআই পদে কর্মরত ছিলেন। সেই সময় তার বাবার কাছে থেকে বিভিন্ন সমস্যার কথা বলে সে পাঁচ লাখ টাকা ঋণ নেয়।সেই টাকা আজও পরিশোধ করেনি। এছাড়া ৩০ ভরি স্বর্ণলংকারও নিয়ে গেছে সে। ২০১৪ সালে ৬ ফেব্রুয়ারি তাহমিনা আক্তার পান্না নামে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক মেয়েকে আমার অজান্তে বিয়ে করে।সেই সংসারে একটি সন্তান রয়েছে। আদালতে সেই বিয়ের নিকাহনামা দাখিল করেছি। আট থেকে নয় মাস ধরে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার চান্দপুর এলাকার আজমিরি খন্দকার ওরফে পপি আক্তার মেরি নামে এক মেয়ের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে সে।এখন শুনছি তাকেও নাকি বিয়ে করেছে। এভাবে একাধিক নারীর সঙ্গে তার পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে মারধর করে ১১ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছে সালাউদ্দিন।সে বলছে ১১ লাখ টাকা দিলে দ্বিতীয় স্ত্রী পান্নাকে বিদায় করে দেবে। আর টাকা না দিলে সন্তানসহ বাসা থেকে বের করে দেবে। এখন বাচ্চাদের ও সংসারের কোনো খরচও দেয় না সে। এ জুলুমের বিচার দাবি করছি।কান্নাজড়িত কণ্ঠে শামসুন নাহার সুইটি আরো বলেন, সালাহ উদ্দিনের কারণে পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুরোধ করবো তাকে যেন চাকরিচ্যুত করা হয়।কারণ সে নিজেইতো একজন জুলুমবাজ। সে কিভাবে মানুষের ন্যায় বিচার পেতে কাজ করে? সুইটির বাবা মো. বজলুর রহমান বলেন, চার মাস ধরে মেয়েকে নিয়ে যেতে বলছে সালাহউদ্দিন।না নিলে মেয়েকে মেরে ফেলবে। তার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দু’টো পাওয়ারই আছে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমাদের খবর করার হু’মকি দিয়েছে।মা’মলাটির বা’দীপক্ষের আইনজীবী বলেন, আমরা আদালতের কাছে কৃতজ্ঞ। কারণ আদালত শুনানি শেষে মামলাটি জুডিশিয়াল ত’দন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। আশা করছি, এই ত’দন্তে বা’দীপক্ষ ন্যায় বিচার পাবে।আ’দালতে দা’য়ের করা মা’মলার তথ্য ও বা’দীপক্ষের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ১৮ নভেম্বর চট্টগ্রামের হাটহাজারীর উত্তর মাদাশা গ্রামের মো. সামশুল আলমের ছেলে মো. সালাহ উদ্দিনের সঙ্গে ঢাকা শ্যামপুর কদমতলী থানার পূর্ব দোলাইরপাড়ের মো. বজলুর রহমানের মেয়ে শামসুন নাহার সুইটির বিয়ে হয়।তাদের সংসারে নয় বছর বয়সী এক ছেলে ও পাঁচ বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে। দুই সন্তান নিয়ে শামছুন নাহার সুইটি কুমিল্লা নগরীর পুরাতন চৌধুরী পাড়ার ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।এসব অ’ভিযোগ প্রসঙ্গে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (ত’দন্ত) মো. সালাহউদ্দিন বলেন, আমি এখনো আ’দালতের নোটিশ বা মা’মলার কপি হাতে পাইনি। আ’দালতের আদেশের কপি পেলে এ বিষয়ে কথা বলবো। তবে এখন কোনো কিছুই বলতে চাই না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কুমিল্লা ওসির বিরুদ্ধে একাধিক পরকীয়ার অভিযোগে প্রথম স্ত্রীর মামলা। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক::কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (ত’দন্ত) মো. সালাহ উদ্দিনের বি’রুদ্ধে পরকীয়ার অ’ভিযোগে মা’মলা করেছেন প্রথম স্ত্রী সামসুন নাহার সুইটি।বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার নারী ও শিশু আ’দালতে মা’মলাটি দায়ের হয়। আ’দালত মা’মলাটি আমলে নিয়ে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ত’দন্তের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।মা’মলার বা’দী শামসুন নাহার সুইটি বলেন, বিয়ের সময় সালাহ উদ্দিন সিএমপিতে পিএসআই পদে কর্মরত ছিলেন। সেই সময় তার বাবার কাছে থেকে বিভিন্ন সমস্যার কথা বলে সে পাঁচ লাখ টাকা ঋণ নেয়।সেই টাকা আজও পরিশোধ করেনি। এছাড়া ৩০ ভরি স্বর্ণলংকারও নিয়ে গেছে সে। ২০১৪ সালে ৬ ফেব্রুয়ারি তাহমিনা আক্তার পান্না নামে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক মেয়েকে আমার অজান্তে বিয়ে করে।সেই সংসারে একটি সন্তান রয়েছে। আদালতে সেই বিয়ের নিকাহনামা দাখিল করেছি। আট থেকে নয় মাস ধরে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার চান্দপুর এলাকার আজমিরি খন্দকার ওরফে পপি আক্তার মেরি নামে এক মেয়ের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে সে।এখন শুনছি তাকেও নাকি বিয়ে করেছে। এভাবে একাধিক নারীর সঙ্গে তার পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে মারধর করে ১১ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছে সালাউদ্দিন।সে বলছে ১১ লাখ টাকা দিলে দ্বিতীয় স্ত্রী পান্নাকে বিদায় করে দেবে। আর টাকা না দিলে সন্তানসহ বাসা থেকে বের করে দেবে। এখন বাচ্চাদের ও সংসারের কোনো খরচও দেয় না সে। এ জুলুমের বিচার দাবি করছি।কান্নাজড়িত কণ্ঠে শামসুন নাহার সুইটি আরো বলেন, সালাহ উদ্দিনের কারণে পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুরোধ করবো তাকে যেন চাকরিচ্যুত করা হয়।কারণ সে নিজেইতো একজন জুলুমবাজ। সে কিভাবে মানুষের ন্যায় বিচার পেতে কাজ করে? সুইটির বাবা মো. বজলুর রহমান বলেন, চার মাস ধরে মেয়েকে নিয়ে যেতে বলছে সালাহউদ্দিন।না নিলে মেয়েকে মেরে ফেলবে। তার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দু’টো পাওয়ারই আছে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমাদের খবর করার হু’মকি দিয়েছে।মা’মলাটির বা’দীপক্ষের আইনজীবী বলেন, আমরা আদালতের কাছে কৃতজ্ঞ। কারণ আদালত শুনানি শেষে মামলাটি জুডিশিয়াল ত’দন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। আশা করছি, এই ত’দন্তে বা’দীপক্ষ ন্যায় বিচার পাবে।আ’দালতে দা’য়ের করা মা’মলার তথ্য ও বা’দীপক্ষের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ১৮ নভেম্বর চট্টগ্রামের হাটহাজারীর উত্তর মাদাশা গ্রামের মো. সামশুল আলমের ছেলে মো. সালাহ উদ্দিনের সঙ্গে ঢাকা শ্যামপুর কদমতলী থানার পূর্ব দোলাইরপাড়ের মো. বজলুর রহমানের মেয়ে শামসুন নাহার সুইটির বিয়ে হয়।তাদের সংসারে নয় বছর বয়সী এক ছেলে ও পাঁচ বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে। দুই সন্তান নিয়ে শামছুন নাহার সুইটি কুমিল্লা নগরীর পুরাতন চৌধুরী পাড়ার ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।এসব অ’ভিযোগ প্রসঙ্গে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (ত’দন্ত) মো. সালাহউদ্দিন বলেন, আমি এখনো আ’দালতের নোটিশ বা মা’মলার কপি হাতে পাইনি। আ’দালতের আদেশের কপি পেলে এ বিষয়ে কথা বলবো। তবে এখন কোনো কিছুই বলতে চাই না।