সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চুয়াডাঙ্গায় প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে এএসআই’র শিশু কন্যা নিখোঁজ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

এক নারীকে কে আগে ধর্ষণ করবে তা নিয়ে মারামারি লেগে যায় পাঁচ অপহরণকারীর মধ্যে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৯ ৩৮৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক::রাস্তা থেকে তুলে জঙ্গলে নিয়ে আসা নারীকে কে আগে ধর্ষণ করবে তা নিয়ে মারামারি লেগে যায় পাঁচ অপহরণকারীর মধ্যে। এ ঘটনায় প্রথমে ধর্ষণ করতে চাওয়া এক অপহরণকারীকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে অপর চারজন

এরপর তিন সন্তানের জননী ৩২ বছরের বিধবা ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে অপহরণকারীরা। ধর্ষণ শেষে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলা ওই নারীর পাশেই নিহত অপহরণকারীর মরদেহ রেখে পালিয়ে যায় বাকিরা। চাঞ্চল্যকর এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ুর কুড্ডালোর জেলার নেভেলি এলাকায়।

এ ঘটনায় জড়িত চার সন্দেহভাজন ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই চারজনের বিরুদ্ধে তাদেরই এক সঙ্গীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ বলছে, রাস্তা থেকে ওই নারীকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যাওয়ার পর কে আগে ধর্ষণ করবে তা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের পর মারামারি শুরু হয়। চারজন মিলে প্রথমে ধর্ষণ করতে চাওয়া অপহরণকারীকে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

ধর্ষণের শিকার বিধবা ওই নারীর তিন সন্তান রয়েছে। পুলিশ বলছে, মুদি দোকান থেকে ফেরার পথে একটি মোটরসাইকেলে এসে তার রাস্তা আটকায় অপহরণকারীরা। ওই সময় রাস্তা দিয়ে একাই ফিরছিলেন তিনি। অপহরণকারী পাঁচজনই সেসময় মদ্যপ ছিলেন।

রাস্তায় ওই নারীকে উত্যক্ত করা শুরু করেন অভিযুক্তরা। ওই নারী দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন; কিন্তু অপহরণকারীরা ধাওয়া দিয়ে আটক করে তাকে। এরপর তাকে টেনে হেঁচড়ে পরিত্যক্ত জঙ্গলে নিয়ে যায় তারা।

জঙ্গলে নেয়ার পর কে আগে ওই নারীকে ধর্ষণ করবে তা নিয়ে অপহরণকারীদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। এম প্রকাশ নামে এক অপহরণকারী প্রথমে ওই নারীকে ধর্ষণ করতে চাইলে বাকিরা তাতে আপত্তি জানায়। পরে বাকি চারজন তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলে। ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণের পর অবচেতন অবস্থায় মরদেহের পাশে রেখে পালিয়ে যায়।

জ্ঞান ফেরার পর গণধর্ষণের শিকার নারী পুলিশ স্টেশনে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়। এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে কুড্ডালো পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এক নারীকে কে আগে ধর্ষণ করবে তা নিয়ে মারামারি লেগে যায় পাঁচ অপহরণকারীর মধ্যে।

আপডেট সময় : ০৫:১৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক::রাস্তা থেকে তুলে জঙ্গলে নিয়ে আসা নারীকে কে আগে ধর্ষণ করবে তা নিয়ে মারামারি লেগে যায় পাঁচ অপহরণকারীর মধ্যে। এ ঘটনায় প্রথমে ধর্ষণ করতে চাওয়া এক অপহরণকারীকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে অপর চারজন

এরপর তিন সন্তানের জননী ৩২ বছরের বিধবা ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে অপহরণকারীরা। ধর্ষণ শেষে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলা ওই নারীর পাশেই নিহত অপহরণকারীর মরদেহ রেখে পালিয়ে যায় বাকিরা। চাঞ্চল্যকর এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ুর কুড্ডালোর জেলার নেভেলি এলাকায়।

এ ঘটনায় জড়িত চার সন্দেহভাজন ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই চারজনের বিরুদ্ধে তাদেরই এক সঙ্গীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ বলছে, রাস্তা থেকে ওই নারীকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যাওয়ার পর কে আগে ধর্ষণ করবে তা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের পর মারামারি শুরু হয়। চারজন মিলে প্রথমে ধর্ষণ করতে চাওয়া অপহরণকারীকে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

ধর্ষণের শিকার বিধবা ওই নারীর তিন সন্তান রয়েছে। পুলিশ বলছে, মুদি দোকান থেকে ফেরার পথে একটি মোটরসাইকেলে এসে তার রাস্তা আটকায় অপহরণকারীরা। ওই সময় রাস্তা দিয়ে একাই ফিরছিলেন তিনি। অপহরণকারী পাঁচজনই সেসময় মদ্যপ ছিলেন।

রাস্তায় ওই নারীকে উত্যক্ত করা শুরু করেন অভিযুক্তরা। ওই নারী দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন; কিন্তু অপহরণকারীরা ধাওয়া দিয়ে আটক করে তাকে। এরপর তাকে টেনে হেঁচড়ে পরিত্যক্ত জঙ্গলে নিয়ে যায় তারা।

জঙ্গলে নেয়ার পর কে আগে ওই নারীকে ধর্ষণ করবে তা নিয়ে অপহরণকারীদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। এম প্রকাশ নামে এক অপহরণকারী প্রথমে ওই নারীকে ধর্ষণ করতে চাইলে বাকিরা তাতে আপত্তি জানায়। পরে বাকি চারজন তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলে। ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণের পর অবচেতন অবস্থায় মরদেহের পাশে রেখে পালিয়ে যায়।

জ্ঞান ফেরার পর গণধর্ষণের শিকার নারী পুলিশ স্টেশনে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়। এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে কুড্ডালো পুলিশ।