সংবাদ শিরোনাম ::
অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

হাসিমুখে আদালতের ভেতর প্রবেশ করে আট আসামি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৯ ৩২৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক::রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিসান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আট আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রিজন ভ্যানে কারাগার থেকে তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়।
এসময় প্রিজনভ্যান থেকে নেমে আঙুল উঁচিয়ে হাসিমুখে আদালতের ভেতর প্রবেশ করে আট আসামি। এরমধ্যে একজনের পায়ে সমস্যা থাকায় সে ক্রাচে ভর করে আদালতে প্রবেশ করে।

এসময় তাদের খুবই আত্মবিশ্বাসী দেখা গেছে। নারকীয় এ হত্যাকাণ্ডের রায় ঘোষণা নিয়ে তাদের চোখেমুখে কোনো ধরনের চিন্তাও দেখা যায়নি।

ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমানের আদালতে দুপুরে রায় ঘোষণা করা হতে পারে।

আসামিরা হলেন- রাজীব গান্ধী, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাতকাটা সোহেল মাহফুজ, হাদিসুর রহমান সাগর, রাশেদ ইসলাম ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ, শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ ও মামুনুর রশীদ ওরফে রিপন।

এদিকে আদালত চত্বর এবং আশপাশের সব সড়কে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র‌্যাব। পাশাপাশি গোয়েন্দারাও সাধারণ পোশাকে দায়িত্বে আছেন। আদালতের ফটকে সবাইকে তল্লাশি করে তারপর ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে।

সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বসবে মহানগর দায়রা জজ আদালতের পঞ্চম তলায়। ওই কক্ষের সামনে, ভবনের নিচেসহ বিভিন্ন জায়গায় বসানো হয়েছে চারটি আর্চওয়ে।

ওই ভবনে ঢোকার সময় আইনজীবীদেরও মেটাল ডিটেকটার দিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে।

সকালে পঞ্চম তলার ওই কক্ষে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এর কার্যক্রম শুরু হয়। দুপুরে এ আদালত নেমে গেলেই সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হবে।

তিন বছর আগের ওই হামলায় যেসব দেশের নাগরিকরা নিহত হয়েছিলেন, ওই সব দেশের দূতাবাসের কর্মকর্তারাও রায় শুনতে আসবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের অর্থায়নে পরিচালিত ন্যাশনাল সেন্টার ফর স্টেট কোর্টের প্রতিনিধি হিসেবে আবু ওবায়দুর রহমান টগর, তৌফিকুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম ও মুশফেকা নাজনীন এবং জাপানি সাংবাদিক তহরু তাকেদা সকালেই আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়েছেন।

গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় ১৭ বিদেশি নিহত হন। তার মধ্যে ৯ জন ইতালীয়, ৭ জন জাপানি, একজন ভারতীয়। জাপানের ওই সাত নাগরিক ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্পে কাজ করছিলেন।

এ মামলায় গত ১৭ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়। এরপর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান রায় ঘোষণার এদিন ধার্য করেন।

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালিয়ে দুই পুলিশসহ দেশি-বিদেশি ২২ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দু’জনের মৃত্যু হয়।

এছাড়া হামলায় অন্তত ৩০ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। ওই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযান ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ডে’ পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। অভিযানে এক জাপানি ও দুই শ্রীলংকানসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হাসিমুখে আদালতের ভেতর প্রবেশ করে আট আসামি।

আপডেট সময় : ০৯:৩২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক::রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিসান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আট আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রিজন ভ্যানে কারাগার থেকে তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়।
এসময় প্রিজনভ্যান থেকে নেমে আঙুল উঁচিয়ে হাসিমুখে আদালতের ভেতর প্রবেশ করে আট আসামি। এরমধ্যে একজনের পায়ে সমস্যা থাকায় সে ক্রাচে ভর করে আদালতে প্রবেশ করে।

এসময় তাদের খুবই আত্মবিশ্বাসী দেখা গেছে। নারকীয় এ হত্যাকাণ্ডের রায় ঘোষণা নিয়ে তাদের চোখেমুখে কোনো ধরনের চিন্তাও দেখা যায়নি।

ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমানের আদালতে দুপুরে রায় ঘোষণা করা হতে পারে।

আসামিরা হলেন- রাজীব গান্ধী, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাতকাটা সোহেল মাহফুজ, হাদিসুর রহমান সাগর, রাশেদ ইসলাম ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ, শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ ও মামুনুর রশীদ ওরফে রিপন।

এদিকে আদালত চত্বর এবং আশপাশের সব সড়কে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র‌্যাব। পাশাপাশি গোয়েন্দারাও সাধারণ পোশাকে দায়িত্বে আছেন। আদালতের ফটকে সবাইকে তল্লাশি করে তারপর ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে।

সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বসবে মহানগর দায়রা জজ আদালতের পঞ্চম তলায়। ওই কক্ষের সামনে, ভবনের নিচেসহ বিভিন্ন জায়গায় বসানো হয়েছে চারটি আর্চওয়ে।

ওই ভবনে ঢোকার সময় আইনজীবীদেরও মেটাল ডিটেকটার দিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে।

সকালে পঞ্চম তলার ওই কক্ষে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এর কার্যক্রম শুরু হয়। দুপুরে এ আদালত নেমে গেলেই সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হবে।

তিন বছর আগের ওই হামলায় যেসব দেশের নাগরিকরা নিহত হয়েছিলেন, ওই সব দেশের দূতাবাসের কর্মকর্তারাও রায় শুনতে আসবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের অর্থায়নে পরিচালিত ন্যাশনাল সেন্টার ফর স্টেট কোর্টের প্রতিনিধি হিসেবে আবু ওবায়দুর রহমান টগর, তৌফিকুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম ও মুশফেকা নাজনীন এবং জাপানি সাংবাদিক তহরু তাকেদা সকালেই আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়েছেন।

গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় ১৭ বিদেশি নিহত হন। তার মধ্যে ৯ জন ইতালীয়, ৭ জন জাপানি, একজন ভারতীয়। জাপানের ওই সাত নাগরিক ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্পে কাজ করছিলেন।

এ মামলায় গত ১৭ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়। এরপর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান রায় ঘোষণার এদিন ধার্য করেন।

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালিয়ে দুই পুলিশসহ দেশি-বিদেশি ২২ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দু’জনের মৃত্যু হয়।

এছাড়া হামলায় অন্তত ৩০ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। ওই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযান ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ডে’ পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। অভিযানে এক জাপানি ও দুই শ্রীলংকানসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।