সংবাদ শিরোনাম ::
অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

পরকীয়া প্রেমের কারনে স্ত্রীকে মেরে সেফটি ট্যাঙ্কিতে ফেলে দিল স্বামী। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৯ ৩৪২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের পূর্ব সোনাতলা এলাকায় সেপটিক ট্যাংক থেকে গৃহবধূ মারুফা পারভীনের (৩০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মারুফা পারভীন সোনাতলা গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী।

সোনাতলা গ্রামের বাসিন্দা ও শহিদুল ইসলাম কারিগরের প্রতিবেশী ফিরোজা বেগম জানান, সকাল থেকে চারদিক পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। একে একে এলাকার বিভিন্ন মানুষ উপস্থিত হয়। কিন্তু দুর্গন্ধটি কোথা থেকে আসছিল সেটা কেউ বুঝতে পারছিল না। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শহিদুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদকালে শহিদুল তার স্ত্রী মারুফাকে হত্যার কথা স্বীকার করে মরদেহটি কোথায় লুকিয়ে রেখেছে সেটি দেখিয়ে দেন।

এ সময় শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি ঝালমুড়ি বিক্রি করি। স্ত্রীর অন্য ছেলের সঙ্গে পরকীয়া রয়েছে। এটা নিয়ে আমাদের মধ্যে ঝগড়া চলছিল। ৫-৬ দিন আগে তাকে দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকের মধ্যে মরদেহ লুকিয়ে রেখেছি।

কালিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহিদুল ইসলাম তার স্ত্রী মারুফা পারভীনকে হত্যা করে নিখোঁজ হয়েছে মর্মে গত মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) থানায় জিডি করেন। জিডিতে শহিদুল ইসলাম উল্লেখ করেন, গত ১৭ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে তার স্ত্রী বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন।

ওসি জানান, চারদিক পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শহিদুল ইসলামকে বিভিন্ন কৌশলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরবর্তীতে সে স্বীকার করে তার স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছে। তার দেওয়া তথ্যে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পরকীয়া প্রেমের কারনে স্ত্রীকে মেরে সেফটি ট্যাঙ্কিতে ফেলে দিল স্বামী। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৩২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক:
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের পূর্ব সোনাতলা এলাকায় সেপটিক ট্যাংক থেকে গৃহবধূ মারুফা পারভীনের (৩০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মারুফা পারভীন সোনাতলা গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী।

সোনাতলা গ্রামের বাসিন্দা ও শহিদুল ইসলাম কারিগরের প্রতিবেশী ফিরোজা বেগম জানান, সকাল থেকে চারদিক পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। একে একে এলাকার বিভিন্ন মানুষ উপস্থিত হয়। কিন্তু দুর্গন্ধটি কোথা থেকে আসছিল সেটা কেউ বুঝতে পারছিল না। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শহিদুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদকালে শহিদুল তার স্ত্রী মারুফাকে হত্যার কথা স্বীকার করে মরদেহটি কোথায় লুকিয়ে রেখেছে সেটি দেখিয়ে দেন।

এ সময় শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি ঝালমুড়ি বিক্রি করি। স্ত্রীর অন্য ছেলের সঙ্গে পরকীয়া রয়েছে। এটা নিয়ে আমাদের মধ্যে ঝগড়া চলছিল। ৫-৬ দিন আগে তাকে দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকের মধ্যে মরদেহ লুকিয়ে রেখেছি।

কালিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহিদুল ইসলাম তার স্ত্রী মারুফা পারভীনকে হত্যা করে নিখোঁজ হয়েছে মর্মে গত মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) থানায় জিডি করেন। জিডিতে শহিদুল ইসলাম উল্লেখ করেন, গত ১৭ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে তার স্ত্রী বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন।

ওসি জানান, চারদিক পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শহিদুল ইসলামকে বিভিন্ন কৌশলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরবর্তীতে সে স্বীকার করে তার স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছে। তার দেওয়া তথ্যে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।