সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা । আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৯ ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক::অভিনেত্রী ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) কার্যকরী পরিষদের সভাপতি শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।সাংবাদিকদের ‘চোর’ বলার অভিযোগে গত ৩০ এপ্রিল ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ‘স্টুডেন্টস জার্নাল বিডি’-এর সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাচান।

আজ সোমবার (২৫ নভেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমান মামলার বাদী মিঞা মো. নুজহাতুল হাসানের নারাজি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ২ অক্টোবর শমী কায়সারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পায়নি মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মাহাবুবুর রহমান। ২৪ অক্টোবর প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। ওইদিন মামলার বাদী প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেবেন বলে আদালতকে জানান।

গত ২৪ এপ্রিল জাতীয় প্রেস ক্লাবে জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনের এক অনুষ্ঠানে শমী কায়সারের দুটি মোবাইল ফোনসেট খোয়া যায়। এ ঘটনায় মিলনায়তনের দরজা বন্ধ করে সাংবাদিকদের আটকে রাখা হয়। এরপর একাধিক সাংবাদিকের ব্যাগ তল্লাশি করেন শমী কায়সারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীরা। কিন্তু সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অনুষ্ঠানেরই এক কর্মী শমী কায়সারের মোবাইল ফোনসেট দুটি নিয়ে গেছেন। তখন শমী কায়সার দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে তাঁর আচরণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচিত হয়।

মামলায় বাদী বলেন, শমী কায়সারের আচরণ সাংবাদিক সমাজকে হেয় করেছে। একই সঙ্গে বাদীর ১০০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে বলেও মামলায় বলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা । আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০১:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক::অভিনেত্রী ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) কার্যকরী পরিষদের সভাপতি শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।সাংবাদিকদের ‘চোর’ বলার অভিযোগে গত ৩০ এপ্রিল ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ‘স্টুডেন্টস জার্নাল বিডি’-এর সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাচান।

আজ সোমবার (২৫ নভেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমান মামলার বাদী মিঞা মো. নুজহাতুল হাসানের নারাজি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ২ অক্টোবর শমী কায়সারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পায়নি মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মাহাবুবুর রহমান। ২৪ অক্টোবর প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। ওইদিন মামলার বাদী প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেবেন বলে আদালতকে জানান।

গত ২৪ এপ্রিল জাতীয় প্রেস ক্লাবে জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনের এক অনুষ্ঠানে শমী কায়সারের দুটি মোবাইল ফোনসেট খোয়া যায়। এ ঘটনায় মিলনায়তনের দরজা বন্ধ করে সাংবাদিকদের আটকে রাখা হয়। এরপর একাধিক সাংবাদিকের ব্যাগ তল্লাশি করেন শমী কায়সারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীরা। কিন্তু সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অনুষ্ঠানেরই এক কর্মী শমী কায়সারের মোবাইল ফোনসেট দুটি নিয়ে গেছেন। তখন শমী কায়সার দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে তাঁর আচরণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচিত হয়।

মামলায় বাদী বলেন, শমী কায়সারের আচরণ সাংবাদিক সমাজকে হেয় করেছে। একই সঙ্গে বাদীর ১০০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে বলেও মামলায় বলা হয়েছে।