সংবাদ শিরোনাম ::
দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ ঝালকাঠি জেলা পরিষদের জমি ইজারা নিয়ে গণশুনানি, অবৈধ দখল উচ্ছেদের ঘোষণা বিষখালী নদীতে মৎস্য অভিযান, আটক ৫ ৪০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ৫ জনের কারাদণ্ড অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ‘অর্ণব’, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ভাণ্ডারিয়ায় সরকারি গাছ কাটার মামলার ১ নম্বর আসামি গ্রেপ্তার ভাণ্ডারিয়ায় মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধ মঞ্চ থেকে ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও লিফলেট প্রদান বরিশালে থানার সংখ্যা দ্বিগুণের পরিকল্পনা, হবে আরও ৪ থানা বরিশালে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় প্রশ্নপত্র ফাঁসে পরীক্ষা স্থগিত, তদন্ত কমিটি গঠন

শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা । আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৯ ৩৫৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক::অভিনেত্রী ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) কার্যকরী পরিষদের সভাপতি শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।সাংবাদিকদের ‘চোর’ বলার অভিযোগে গত ৩০ এপ্রিল ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ‘স্টুডেন্টস জার্নাল বিডি’-এর সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাচান।

আজ সোমবার (২৫ নভেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমান মামলার বাদী মিঞা মো. নুজহাতুল হাসানের নারাজি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ২ অক্টোবর শমী কায়সারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পায়নি মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মাহাবুবুর রহমান। ২৪ অক্টোবর প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। ওইদিন মামলার বাদী প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেবেন বলে আদালতকে জানান।

গত ২৪ এপ্রিল জাতীয় প্রেস ক্লাবে জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনের এক অনুষ্ঠানে শমী কায়সারের দুটি মোবাইল ফোনসেট খোয়া যায়। এ ঘটনায় মিলনায়তনের দরজা বন্ধ করে সাংবাদিকদের আটকে রাখা হয়। এরপর একাধিক সাংবাদিকের ব্যাগ তল্লাশি করেন শমী কায়সারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীরা। কিন্তু সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অনুষ্ঠানেরই এক কর্মী শমী কায়সারের মোবাইল ফোনসেট দুটি নিয়ে গেছেন। তখন শমী কায়সার দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে তাঁর আচরণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচিত হয়।

মামলায় বাদী বলেন, শমী কায়সারের আচরণ সাংবাদিক সমাজকে হেয় করেছে। একই সঙ্গে বাদীর ১০০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে বলেও মামলায় বলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা । আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০১:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক::অভিনেত্রী ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) কার্যকরী পরিষদের সভাপতি শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।সাংবাদিকদের ‘চোর’ বলার অভিযোগে গত ৩০ এপ্রিল ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ‘স্টুডেন্টস জার্নাল বিডি’-এর সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাচান।

আজ সোমবার (২৫ নভেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমান মামলার বাদী মিঞা মো. নুজহাতুল হাসানের নারাজি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ২ অক্টোবর শমী কায়সারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পায়নি মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মাহাবুবুর রহমান। ২৪ অক্টোবর প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। ওইদিন মামলার বাদী প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেবেন বলে আদালতকে জানান।

গত ২৪ এপ্রিল জাতীয় প্রেস ক্লাবে জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনের এক অনুষ্ঠানে শমী কায়সারের দুটি মোবাইল ফোনসেট খোয়া যায়। এ ঘটনায় মিলনায়তনের দরজা বন্ধ করে সাংবাদিকদের আটকে রাখা হয়। এরপর একাধিক সাংবাদিকের ব্যাগ তল্লাশি করেন শমী কায়সারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীরা। কিন্তু সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অনুষ্ঠানেরই এক কর্মী শমী কায়সারের মোবাইল ফোনসেট দুটি নিয়ে গেছেন। তখন শমী কায়সার দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে তাঁর আচরণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচিত হয়।

মামলায় বাদী বলেন, শমী কায়সারের আচরণ সাংবাদিক সমাজকে হেয় করেছে। একই সঙ্গে বাদীর ১০০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে বলেও মামলায় বলা হয়েছে।