সংবাদ শিরোনাম ::
অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

একজন চিকিৎসক মুক্তিযুদ্ধের সনদপত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১০:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৯ ৩৫১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক::টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সনদপত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। নামে এক মুক্তিযোদ্ধার মুক্তিযুদ্ধের সনদপত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) এই অভিযোগ তদন্ত করতে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

মুক্তিযুদ্ধের সনদপত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগে ওই চিকিৎসককে বরখাস্ত করে তার বিচার দাবি করেছেন কৃষক শ্রমিক ও জনতালীগের সভাপতি আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তম।

এরআগে সকালে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে চিকিৎসকের বিচার দাবি করেন তিনি। এপ্রসঙ্গে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “একজন মুক্তিযোদ্ধার সনদ টেনে ছিঁড়ে ফেলেছেন ডা. শহীদুল্লাহ। এজন্য তাকে অনতিবিলম্বে বরখাস্ত করা উচিত।” একইসঙ্গে তার চিকিৎসা সনদ কেড়ে নিয়ে গ্রেপ্তারের দাবিও জানান তিনি।

শাজাহান ভুঁইয়া জানান, গত ১৭ নভেম্বর তিনি কোমর ও পায়ের গোড়ালির ব্যথা নিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। গত ২১ নভেম্বর সকালে হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের প্রধান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ কায়সার রাউন্ডে গিয়ে রোগীর ফাইল দেখছিলেন। সে ফাইলের ওপর শাজাহানের মুক্তিযোদ্ধার সনদের ফটোকপি ছিল। সনদটি দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে সেটি ছিঁড়ে ফেলেন ওই ডাক্তার।

এপ্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, “হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সদর উদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পেয়ে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে এবিষয়ে ডা. শহীদুল্লাহ কায়সারের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

একজন চিকিৎসক মুক্তিযুদ্ধের সনদপত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

আপডেট সময় : ১১:১০:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক::টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সনদপত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। নামে এক মুক্তিযোদ্ধার মুক্তিযুদ্ধের সনদপত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) এই অভিযোগ তদন্ত করতে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

মুক্তিযুদ্ধের সনদপত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগে ওই চিকিৎসককে বরখাস্ত করে তার বিচার দাবি করেছেন কৃষক শ্রমিক ও জনতালীগের সভাপতি আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তম।

এরআগে সকালে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে চিকিৎসকের বিচার দাবি করেন তিনি। এপ্রসঙ্গে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “একজন মুক্তিযোদ্ধার সনদ টেনে ছিঁড়ে ফেলেছেন ডা. শহীদুল্লাহ। এজন্য তাকে অনতিবিলম্বে বরখাস্ত করা উচিত।” একইসঙ্গে তার চিকিৎসা সনদ কেড়ে নিয়ে গ্রেপ্তারের দাবিও জানান তিনি।

শাজাহান ভুঁইয়া জানান, গত ১৭ নভেম্বর তিনি কোমর ও পায়ের গোড়ালির ব্যথা নিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। গত ২১ নভেম্বর সকালে হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের প্রধান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ কায়সার রাউন্ডে গিয়ে রোগীর ফাইল দেখছিলেন। সে ফাইলের ওপর শাজাহানের মুক্তিযোদ্ধার সনদের ফটোকপি ছিল। সনদটি দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে সেটি ছিঁড়ে ফেলেন ওই ডাক্তার।

এপ্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, “হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সদর উদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পেয়ে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে এবিষয়ে ডা. শহীদুল্লাহ কায়সারের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।