সংবাদ শিরোনাম ::
অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামিদের শারিরীক নির্যাতনের অভিযোগ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ১৬৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেস্ক;;বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামিদের শারিরীক নির্যাতনের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নির্মাণ শ্রমিক।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ওই নির্মাণ শ্রমিক ও বরিশালের উজিরপুর উপজেলার কালিহাতা গ্রামের বানী ঈসরাইল জসিম নিজের বিরুদ্ধে একটি মামলায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও তুলেন পুলিশ দুইজনের ওপরে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বরিশাল নগরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ডলি বেগমের ভাই রবিউল আলম জুয়েলের কাছে আমি কিছু টাকা পাই। ওই টাকা তুলতে গিয়ে ডলি বেগম ও তার স্বজনদের যোগসাজশে আমি নানা নাটকের শিকার হই। তারা আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রও করেন। যার সূত্র ধরে গত ১৮ আগস্ট আমাকে উজিরপুর থেকে বরিশালে নিয়ে আসেন এবং শারিরীক নির্যাতন করেন।

‘পরে বরিশাল মেট্রোপলিটনের এয়ারপোর্ট থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশের হাতে তুলে দেন তারা। যদিও মামলায় যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা ডলি বেগম নিজেই সাজিয়ে করেছেন।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আগে দফায় দফায় আমাকে শারিরীকভাবে নির্যাতন করেন এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আব্দুর রহমান মুকুল ও উপ পরিদর্শক (এসআই) সাইদুর রহমান। তাদের নির্যাতনের মাত্রা এতই ছিল যে, সহ্য করা আমার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছিল। এসময় তারা ডলি বেগমের অভিযোগ স্বীকার করতে বিভিন্নভাবে ভয় দেখাচ্ছিলেন। এরপর আমি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিই।

এদিকে, একটি মামলায় দুই ধরনের এজাহার করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন নির্মাণ শ্রমিক জসিম।

এ বিষয়ে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও এয়ারপোর্ট থানার এসআই সাইদুর রহমান বলেন, ডলি বেগম যে অভিযোগ নিয়ে এসেছেন, তা যাচাই-বাছাই করেই ধারা অনুযায়ী মামলাটি নেওয়া হয়েছিল। আর মামলা নেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই। আমি তদন্ত করে যা পাব, তাই উপস্থাপন করব। আর জসিমকে থানায় আটকে যে নির্যাতনের কথা বলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

ওসি তদন্ত আব্দুর রহমান মুকুল বলেন, থানায় কাউকে নির্যাতনের বিষয়ে আমার জানা নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামিদের শারিরীক নির্যাতনের অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০৪:০২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯

আজকের ক্রাইম ডেস্ক;;বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামিদের শারিরীক নির্যাতনের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নির্মাণ শ্রমিক।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ওই নির্মাণ শ্রমিক ও বরিশালের উজিরপুর উপজেলার কালিহাতা গ্রামের বানী ঈসরাইল জসিম নিজের বিরুদ্ধে একটি মামলায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও তুলেন পুলিশ দুইজনের ওপরে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বরিশাল নগরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ডলি বেগমের ভাই রবিউল আলম জুয়েলের কাছে আমি কিছু টাকা পাই। ওই টাকা তুলতে গিয়ে ডলি বেগম ও তার স্বজনদের যোগসাজশে আমি নানা নাটকের শিকার হই। তারা আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রও করেন। যার সূত্র ধরে গত ১৮ আগস্ট আমাকে উজিরপুর থেকে বরিশালে নিয়ে আসেন এবং শারিরীক নির্যাতন করেন।

‘পরে বরিশাল মেট্রোপলিটনের এয়ারপোর্ট থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশের হাতে তুলে দেন তারা। যদিও মামলায় যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা ডলি বেগম নিজেই সাজিয়ে করেছেন।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আগে দফায় দফায় আমাকে শারিরীকভাবে নির্যাতন করেন এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আব্দুর রহমান মুকুল ও উপ পরিদর্শক (এসআই) সাইদুর রহমান। তাদের নির্যাতনের মাত্রা এতই ছিল যে, সহ্য করা আমার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছিল। এসময় তারা ডলি বেগমের অভিযোগ স্বীকার করতে বিভিন্নভাবে ভয় দেখাচ্ছিলেন। এরপর আমি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিই।

এদিকে, একটি মামলায় দুই ধরনের এজাহার করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন নির্মাণ শ্রমিক জসিম।

এ বিষয়ে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও এয়ারপোর্ট থানার এসআই সাইদুর রহমান বলেন, ডলি বেগম যে অভিযোগ নিয়ে এসেছেন, তা যাচাই-বাছাই করেই ধারা অনুযায়ী মামলাটি নেওয়া হয়েছিল। আর মামলা নেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই। আমি তদন্ত করে যা পাব, তাই উপস্থাপন করব। আর জসিমকে থানায় আটকে যে নির্যাতনের কথা বলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

ওসি তদন্ত আব্দুর রহমান মুকুল বলেন, থানায় কাউকে নির্যাতনের বিষয়ে আমার জানা নেই।