সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামিদের শারিরীক নির্যাতনের অভিযোগ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেস্ক;;বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামিদের শারিরীক নির্যাতনের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নির্মাণ শ্রমিক।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ওই নির্মাণ শ্রমিক ও বরিশালের উজিরপুর উপজেলার কালিহাতা গ্রামের বানী ঈসরাইল জসিম নিজের বিরুদ্ধে একটি মামলায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও তুলেন পুলিশ দুইজনের ওপরে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বরিশাল নগরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ডলি বেগমের ভাই রবিউল আলম জুয়েলের কাছে আমি কিছু টাকা পাই। ওই টাকা তুলতে গিয়ে ডলি বেগম ও তার স্বজনদের যোগসাজশে আমি নানা নাটকের শিকার হই। তারা আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রও করেন। যার সূত্র ধরে গত ১৮ আগস্ট আমাকে উজিরপুর থেকে বরিশালে নিয়ে আসেন এবং শারিরীক নির্যাতন করেন।

‘পরে বরিশাল মেট্রোপলিটনের এয়ারপোর্ট থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশের হাতে তুলে দেন তারা। যদিও মামলায় যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা ডলি বেগম নিজেই সাজিয়ে করেছেন।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আগে দফায় দফায় আমাকে শারিরীকভাবে নির্যাতন করেন এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আব্দুর রহমান মুকুল ও উপ পরিদর্শক (এসআই) সাইদুর রহমান। তাদের নির্যাতনের মাত্রা এতই ছিল যে, সহ্য করা আমার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছিল। এসময় তারা ডলি বেগমের অভিযোগ স্বীকার করতে বিভিন্নভাবে ভয় দেখাচ্ছিলেন। এরপর আমি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিই।

এদিকে, একটি মামলায় দুই ধরনের এজাহার করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন নির্মাণ শ্রমিক জসিম।

এ বিষয়ে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও এয়ারপোর্ট থানার এসআই সাইদুর রহমান বলেন, ডলি বেগম যে অভিযোগ নিয়ে এসেছেন, তা যাচাই-বাছাই করেই ধারা অনুযায়ী মামলাটি নেওয়া হয়েছিল। আর মামলা নেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই। আমি তদন্ত করে যা পাব, তাই উপস্থাপন করব। আর জসিমকে থানায় আটকে যে নির্যাতনের কথা বলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

ওসি তদন্ত আব্দুর রহমান মুকুল বলেন, থানায় কাউকে নির্যাতনের বিষয়ে আমার জানা নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামিদের শারিরীক নির্যাতনের অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০৪:০২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯

আজকের ক্রাইম ডেস্ক;;বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামিদের শারিরীক নির্যাতনের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নির্মাণ শ্রমিক।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ওই নির্মাণ শ্রমিক ও বরিশালের উজিরপুর উপজেলার কালিহাতা গ্রামের বানী ঈসরাইল জসিম নিজের বিরুদ্ধে একটি মামলায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও তুলেন পুলিশ দুইজনের ওপরে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বরিশাল নগরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ডলি বেগমের ভাই রবিউল আলম জুয়েলের কাছে আমি কিছু টাকা পাই। ওই টাকা তুলতে গিয়ে ডলি বেগম ও তার স্বজনদের যোগসাজশে আমি নানা নাটকের শিকার হই। তারা আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রও করেন। যার সূত্র ধরে গত ১৮ আগস্ট আমাকে উজিরপুর থেকে বরিশালে নিয়ে আসেন এবং শারিরীক নির্যাতন করেন।

‘পরে বরিশাল মেট্রোপলিটনের এয়ারপোর্ট থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশের হাতে তুলে দেন তারা। যদিও মামলায় যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা ডলি বেগম নিজেই সাজিয়ে করেছেন।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আগে দফায় দফায় আমাকে শারিরীকভাবে নির্যাতন করেন এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আব্দুর রহমান মুকুল ও উপ পরিদর্শক (এসআই) সাইদুর রহমান। তাদের নির্যাতনের মাত্রা এতই ছিল যে, সহ্য করা আমার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছিল। এসময় তারা ডলি বেগমের অভিযোগ স্বীকার করতে বিভিন্নভাবে ভয় দেখাচ্ছিলেন। এরপর আমি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিই।

এদিকে, একটি মামলায় দুই ধরনের এজাহার করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন নির্মাণ শ্রমিক জসিম।

এ বিষয়ে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও এয়ারপোর্ট থানার এসআই সাইদুর রহমান বলেন, ডলি বেগম যে অভিযোগ নিয়ে এসেছেন, তা যাচাই-বাছাই করেই ধারা অনুযায়ী মামলাটি নেওয়া হয়েছিল। আর মামলা নেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই। আমি তদন্ত করে যা পাব, তাই উপস্থাপন করব। আর জসিমকে থানায় আটকে যে নির্যাতনের কথা বলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

ওসি তদন্ত আব্দুর রহমান মুকুল বলেন, থানায় কাউকে নির্যাতনের বিষয়ে আমার জানা নেই।