সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক কাঁঠালিয়ায় ৮ পিস ইয়াবাসহ কলেজ ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আটক ও স্থায়ী বহিষ্কার

একাধিকবার সরলতার সুযোগে মেয়েটির জীবন লম্পট শেষ করেছে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৮:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ১৮০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ তহিরুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিনিধি::-

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক কিশোরীকে ১৪ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। একাধিকবার ধর্ষণের ফলে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে সন্তান প্রসবের দুদিন পর শিশুটি মারা যায়। এ ব্যাপারে থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার ডালবাড়ী এলাকার প্রদ্যুতনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে প্রায় সাত মাস আগে বিয়ের প্রলোভনে কয়েকবার ধর্ষণ করে একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাবিবুর রহমানের ছেলে মোঃ রায়হান। রায়হান দেওয়ানগঞ্জ টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের ছাত্র। ধর্ষণের ফলে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে মেয়ের বাবা এলাকাবাসীর কাছে বিচার প্রার্থনা করেন। ওই সময় রায়হানের বাবা স্কুল শিক্ষক হাবিবুর রহমান মেয়ের গর্ভের সন্তান প্রসবের পর দুজনের বিয়ে সম্পন্ন করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। এমনকি ঘটনাটি গোপন রাখার অনুরোধ করেন। এরই একপর্যায়ে গত মঙ্গলবার রাতে ওই মেয়েটি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কন্যাসন্তান প্রসব করে। এরপর কর্তব্যরত চিকিৎসক নবজাতক শিশু ও তার মায়ের শারীরিক অবস্থা গুরুতর দেখে রাতেই তাদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে মেয়েটির স্বজনরা নবজাতক শিশু ও তার মাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। দুদিন পর বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি হাসপাতালেই মারা যায়। পরে তার বাবা মেয়ের বিয়ে ও সুচিকিৎসার দাবি জানালে স্কুল শিক্ষক হাবিবুর রহমান কিছুই করতে পারবেন না বলে জানান। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রায়হান এবং তার বাবা স্কুল শিক্ষক হাবিবুর রহমান পলাতক। শুক্রবার মৃত কন্যাশিশুসহ ওই কিশোরী ও তার পরিবারের সদস্যরা বিচারের আশায় দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার মেয়র শাহ নেওয়াজ শাহান শাহের বাসায় যান। পরে পৌর মেয়র দেওয়ানগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ওসি ফোন করে এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বলেন।
ওই কিশোরীর বাবা বলেন আমার মেয়েটি খুবই সহজ সরল। এ সরল তার সুযোগে মেয়েটির জীবন যে লম্পট শেষ করেছে আমি তার শাস্তি চাই। আমার মেয়েটির শারীরিক অবস্থাও ভালো নয়। দেওয়ানগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এমএম মইনুল ইসলাম বলেন শুক্রবার একটি মৃত শিশু কোলে নিয়ে ওই কিশোরী তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থানায় মামলা করতে আসে। এ ব্যাপারে থানায় একটি ধর্ষণের মামলা হয়েছে। আলামত সংগ্রহের জন্য মৃত শিশুটিকে সংরক্ষণ করতে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

একাধিকবার সরলতার সুযোগে মেয়েটির জীবন লম্পট শেষ করেছে।

আপডেট সময় : ০৫:২৮:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯

মোঃ তহিরুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিনিধি::-

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক কিশোরীকে ১৪ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। একাধিকবার ধর্ষণের ফলে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে সন্তান প্রসবের দুদিন পর শিশুটি মারা যায়। এ ব্যাপারে থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার ডালবাড়ী এলাকার প্রদ্যুতনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে প্রায় সাত মাস আগে বিয়ের প্রলোভনে কয়েকবার ধর্ষণ করে একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাবিবুর রহমানের ছেলে মোঃ রায়হান। রায়হান দেওয়ানগঞ্জ টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের ছাত্র। ধর্ষণের ফলে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে মেয়ের বাবা এলাকাবাসীর কাছে বিচার প্রার্থনা করেন। ওই সময় রায়হানের বাবা স্কুল শিক্ষক হাবিবুর রহমান মেয়ের গর্ভের সন্তান প্রসবের পর দুজনের বিয়ে সম্পন্ন করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। এমনকি ঘটনাটি গোপন রাখার অনুরোধ করেন। এরই একপর্যায়ে গত মঙ্গলবার রাতে ওই মেয়েটি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কন্যাসন্তান প্রসব করে। এরপর কর্তব্যরত চিকিৎসক নবজাতক শিশু ও তার মায়ের শারীরিক অবস্থা গুরুতর দেখে রাতেই তাদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে মেয়েটির স্বজনরা নবজাতক শিশু ও তার মাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। দুদিন পর বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি হাসপাতালেই মারা যায়। পরে তার বাবা মেয়ের বিয়ে ও সুচিকিৎসার দাবি জানালে স্কুল শিক্ষক হাবিবুর রহমান কিছুই করতে পারবেন না বলে জানান। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রায়হান এবং তার বাবা স্কুল শিক্ষক হাবিবুর রহমান পলাতক। শুক্রবার মৃত কন্যাশিশুসহ ওই কিশোরী ও তার পরিবারের সদস্যরা বিচারের আশায় দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার মেয়র শাহ নেওয়াজ শাহান শাহের বাসায় যান। পরে পৌর মেয়র দেওয়ানগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ওসি ফোন করে এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বলেন।
ওই কিশোরীর বাবা বলেন আমার মেয়েটি খুবই সহজ সরল। এ সরল তার সুযোগে মেয়েটির জীবন যে লম্পট শেষ করেছে আমি তার শাস্তি চাই। আমার মেয়েটির শারীরিক অবস্থাও ভালো নয়। দেওয়ানগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এমএম মইনুল ইসলাম বলেন শুক্রবার একটি মৃত শিশু কোলে নিয়ে ওই কিশোরী তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থানায় মামলা করতে আসে। এ ব্যাপারে থানায় একটি ধর্ষণের মামলা হয়েছে। আলামত সংগ্রহের জন্য মৃত শিশুটিকে সংরক্ষণ করতে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।