সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

কিস্তির টাকা আদায় করতে গিয়ে খুন হয়েছেন। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কিস্তির টাকা আদায় করতে গিয়ে খুন হয়েছেন রণজিৎ কুমার পাল (৩০) নামে এক এনজিও কর্মী। বুধবার (২০ নভেম্বর) সকালে উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের দুল্যা মুনসুর গ্রামের একটি ব্রিজের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় ওই গ্রামের ছানোয়ার ও আনোয়ার নামে দুই সহোদরকে আটক করা হয়েছে। নিহত রণজিৎ পাল দিশা নামে একটি এনজিওর ঊর্ধ্বতন ঋণ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার পোশামন্ডলপল গ্রামে। বাবার নাম অতুল পাল।

পুলিশ জানিয়েছে, রণজিৎ পাল প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার সকালেও সঞ্চয় ও কিস্তি আদায়ের জন্য বের হন। কয়েকটি সমিতির সঞ্চয় ও কিস্তি আদায় শেষে দুল্যা মুনসুর গ্রামের ছানোয়ার ও আনোয়ারের বাড়িতে কিস্তি আদায় করতে যান। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় বলে ওই এনজিও শাখা ম্যানেজার রওশন আলম জানান।

এদিকে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এনজিওর পক্ষ থেকে দুল্যা মুনসুর গ্রামের সমিতির সদস্যদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নেয়া হয়। বিকেল চারটার দিকে ছানোয়ারের বাড়ির কাছে একটি দোকান ঘরের পাশে রণজিৎ পালের বাইসাইকেল ও ব্যাগ পাওয়া যায়।

এদিকে তার খোঁজ না পেয়ে সন্ধ্যায় মির্জাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করে এনজিও কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকালে এলাকাবাসী দুল্যা মুনসুর গ্রামের ব্রিজের নিচে একটি মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে গলায় রশি বাঁধা অবস্থায় রণজিৎ পালের মরদেহ উদ্ধার করে।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সায়েদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই গ্রামের আকবর হোসেনের দুই ছেলে সানোয়ার হোসেন ও আনোয়ার হোসেনকে আটক করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কিস্তির টাকা আদায় করতে গিয়ে খুন হয়েছেন। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক:
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কিস্তির টাকা আদায় করতে গিয়ে খুন হয়েছেন রণজিৎ কুমার পাল (৩০) নামে এক এনজিও কর্মী। বুধবার (২০ নভেম্বর) সকালে উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের দুল্যা মুনসুর গ্রামের একটি ব্রিজের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় ওই গ্রামের ছানোয়ার ও আনোয়ার নামে দুই সহোদরকে আটক করা হয়েছে। নিহত রণজিৎ পাল দিশা নামে একটি এনজিওর ঊর্ধ্বতন ঋণ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার পোশামন্ডলপল গ্রামে। বাবার নাম অতুল পাল।

পুলিশ জানিয়েছে, রণজিৎ পাল প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার সকালেও সঞ্চয় ও কিস্তি আদায়ের জন্য বের হন। কয়েকটি সমিতির সঞ্চয় ও কিস্তি আদায় শেষে দুল্যা মুনসুর গ্রামের ছানোয়ার ও আনোয়ারের বাড়িতে কিস্তি আদায় করতে যান। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় বলে ওই এনজিও শাখা ম্যানেজার রওশন আলম জানান।

এদিকে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এনজিওর পক্ষ থেকে দুল্যা মুনসুর গ্রামের সমিতির সদস্যদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নেয়া হয়। বিকেল চারটার দিকে ছানোয়ারের বাড়ির কাছে একটি দোকান ঘরের পাশে রণজিৎ পালের বাইসাইকেল ও ব্যাগ পাওয়া যায়।

এদিকে তার খোঁজ না পেয়ে সন্ধ্যায় মির্জাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করে এনজিও কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকালে এলাকাবাসী দুল্যা মুনসুর গ্রামের ব্রিজের নিচে একটি মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে গলায় রশি বাঁধা অবস্থায় রণজিৎ পালের মরদেহ উদ্ধার করে।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সায়েদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই গ্রামের আকবর হোসেনের দুই ছেলে সানোয়ার হোসেন ও আনোয়ার হোসেনকে আটক করা হয়েছে।