সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক কাঁঠালিয়ায় ৮ পিস ইয়াবাসহ কলেজ ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আটক ও স্থায়ী বহিষ্কার

ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের করা মামলায় অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক।

মামলায় তার বিরুদ্ধে ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৪ টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।
রোববার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে দুপুর ১২টা থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবালের নেতৃত্বে একটি টিম।

গত ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত সেলিম প্রধানের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সূত্রে জানা গেছে, ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৪ টাকা অবৈধভাবে অর্জনের অভিযোগে গত ২৭ অক্টোবর দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার বাদী হয়ে সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপরই ৩১ অক্টোবর সেলিম প্রধানের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ নভেম্বর শুনানি করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সেলিম প্রধানকে আটক করে র্যাব-১। এরপর তার গুলশান, বনানীর বাসা ও অফিসে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে ২৯ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও হরিণের চামড়া জব্দ করা হয়। হরিণের চামড়া উদ্ধারের ঘটনায় ওই দিনই সেলিম প্রধানকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সেপ্টেম্বরে শুদ্ধি অভিযান শুরুর পর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এ পর্যন্ত ১৫টি মামলা করে দুদক। ঠিকাদার জি কে শামীম, বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূইয়া, বিসিবি পরিচালক লোকমান হোসেন ভূইয়া, কলাবাগান ক্লাবের সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজ এবং যুবলীগের দফতর সম্পাদক আনিসুর রহমান ও তার স্ত্রী সুমি রহমান এবং কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান, তারেকুজ্জামান রাজীব, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, এনামুল হক আরমান ও যুবলীগ নেতা জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে আলাদা মামলা করে দুদক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক।

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক:

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের করা মামলায় অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক।

মামলায় তার বিরুদ্ধে ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৪ টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।
রোববার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে দুপুর ১২টা থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবালের নেতৃত্বে একটি টিম।

গত ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত সেলিম প্রধানের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সূত্রে জানা গেছে, ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৪ টাকা অবৈধভাবে অর্জনের অভিযোগে গত ২৭ অক্টোবর দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার বাদী হয়ে সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপরই ৩১ অক্টোবর সেলিম প্রধানের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ নভেম্বর শুনানি করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সেলিম প্রধানকে আটক করে র্যাব-১। এরপর তার গুলশান, বনানীর বাসা ও অফিসে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে ২৯ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও হরিণের চামড়া জব্দ করা হয়। হরিণের চামড়া উদ্ধারের ঘটনায় ওই দিনই সেলিম প্রধানকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সেপ্টেম্বরে শুদ্ধি অভিযান শুরুর পর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এ পর্যন্ত ১৫টি মামলা করে দুদক। ঠিকাদার জি কে শামীম, বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূইয়া, বিসিবি পরিচালক লোকমান হোসেন ভূইয়া, কলাবাগান ক্লাবের সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজ এবং যুবলীগের দফতর সম্পাদক আনিসুর রহমান ও তার স্ত্রী সুমি রহমান এবং কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান, তারেকুজ্জামান রাজীব, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, এনামুল হক আরমান ও যুবলীগ নেতা জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে আলাদা মামলা করে দুদক।