সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

৭টি মামলা দিয়ে ভয় দেখান না হলে ৫০ হাজার টাকা দেন। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৪২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ক্রাইম ডেস্ক::বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ থানার জনগুরুত্বপূর্ণ এ এলাকায় অসংখ্য মানুষের বসবাস। ফলে এ এলাকায় অপরাধ প্রবণতাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। খুন, ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই, জবরদখল, বোমা ফাটিয়ে ও গুলি করে আতঙ্ক সৃষ্টির পর হামলার ঘটনা ঘটছে অহরহ। একের পর এক লাশ উদ্ধারের ঘটনাও ঘটছে। কিন্তু পুলিশ এসকল অপরাধ প্রবণতা বন্ধে তেমন কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
২০০০ সালে ভর্তি হয়ে ১৫ ব্যাচে ট্রেনিং শেষে বরিশালে যোগদান করেন এসআই মোঃ শহিদুল ইসলাম । যোগদানের পর থেকে দীর্ঘদিন যাবৎ বরিশাল রেঞ্জ ডি.আইজি অফিসে ডিস,পাশ শাখায় কর্মরত ছিলেন।
অপরদিকে অভিযোগ রয়েছে থানার আউট সোসিং বেতনে বাবুর্চি হিসাবে ভর্তি হয়ওয়া আঃ কাদেরের। সে সরকারী বেতন পেয়ে থাকেন ১৭৪০০/- টাকা বাবুর্চি কাজ না করে এক মহিলাকে দিয়া ৫০০০/- হাজার টাকা বেতনে থানার কাজ করিয়ে থাকেন।
২০১২ সালে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি অফিস হইতে এসআই পদে পদোন্নতি পেয়ে ঝালকাঠী জেলায় যোগদান করেন। ঝালকাঠী সদর কোর্টে বদলী হয়।
২০১৩ সালের ২২/০৫/২০১৩ তরিখ লাল মোহন থানায় যোগদান করেন।
২০১৫ সালে জেলা হইতে বদলী হয়ে বরিশাল জেলায় যোগদান করেন। পরবর্তীতে বদলী হয় মেহেন্দিগঞ্জ থানায় আসেন। ২০১৭ সালে এ এসআই হইতে এসআই পদে পদোন্নতি হয়ে বানারীপারা থানায় বদলী হয় । সেখানেও টিকতে না পেরে পুনরায় বদলী হঃয়। মেহেন্দিগঞ্জ ।
গত ৮ জুলাই’১৯ বরিশাল জেলার মেহেন্দীগঞ্জ থানার রাজাপুর গ্রামের মৃত- ফজলে করিম বেপারীর ছেলে মোস্তা বেপারী বাড়ি গিয়ে ভয় দেখিয়ে বলেন তুই মাদক বিক্রেতা । তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেয়ার কথা শিকার করেন মোস্তাক বেপারী। এবং তার স্ত্রীকে অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করেন। এ বিষয়ে মোস্তাক ব্যপারী এলাকার গন্য মান্য ব্যক্তিদেরকে জানান।
উক্ত ঘটনার জেরে গত ১০/০৭/২০১৯ তারিখ রাতে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে যান কয়েক জন পুলিশসহ থানায়। হত্যা মামলা, চুর মামলা ও ডাকাতি মামলায় জড়ানোর ভয় দেখান তার নামে ৭টি মামলা দিয়ে ভয় দেখান রাতে ৫০ হাজার টাকা

পুলিশ আইনের ৩৫(৬) ধারা মতে বিজ্ঞ আদালত প্িরমপিউশনে দাখিল করেন মস্তোফা জামিন নিয়অ তাহার এক চাচাতো ভাই সাংবাদিক হাতার পরামর্শে মাননীয় রেঞ্জ ডি.আইজি শফিকুল ইসলাম এর নিকট তাহার বক্তব্য পেশ করিলে তিনি লিখিত অভিযোগ গ্রহন করিয়া মোঃ শহিদের নাম তদন্ত দেন। তদন্ত কালে তিনি ৩০ হাজার টাকা দিয়া মস্তাফাকে বাকী ২০ হাজার টাকা ৭ দিন পরে দেয়ার কথা বলেন উক্ত টাকা চাইতে গেলে তাহাকে জীবন নাসের হুমকী প্রদান করেন। বিধায় হাতার অত্তরক্ষার জন্য তিনি মিডিয়ার সামনে হাজির হয়ে সাক্ষাত কর প্রদান করেন এবং ন্যায় বিচারের দাবী করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, মেহেন্দিগঞ্জ থানার এসআই মোঃ শহিদুল ইসলাম এর নামে ভূক্তভোগী একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছে, রাতে সিভিল টিমের দায়িত্বপালনকারী পুলিশ কর্মকর্তারা নিরীহ লোকদের আটক করে মাদক ও নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়েও হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। আবার চার্জসীট থেকে নাম বাদ দেয়ার কথা বলেও নেয়া হচ্ছে টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৭টি মামলা দিয়ে ভয় দেখান না হলে ৫০ হাজার টাকা দেন। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:২৪:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯

ক্রাইম ডেস্ক::বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ থানার জনগুরুত্বপূর্ণ এ এলাকায় অসংখ্য মানুষের বসবাস। ফলে এ এলাকায় অপরাধ প্রবণতাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। খুন, ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই, জবরদখল, বোমা ফাটিয়ে ও গুলি করে আতঙ্ক সৃষ্টির পর হামলার ঘটনা ঘটছে অহরহ। একের পর এক লাশ উদ্ধারের ঘটনাও ঘটছে। কিন্তু পুলিশ এসকল অপরাধ প্রবণতা বন্ধে তেমন কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
২০০০ সালে ভর্তি হয়ে ১৫ ব্যাচে ট্রেনিং শেষে বরিশালে যোগদান করেন এসআই মোঃ শহিদুল ইসলাম । যোগদানের পর থেকে দীর্ঘদিন যাবৎ বরিশাল রেঞ্জ ডি.আইজি অফিসে ডিস,পাশ শাখায় কর্মরত ছিলেন।
অপরদিকে অভিযোগ রয়েছে থানার আউট সোসিং বেতনে বাবুর্চি হিসাবে ভর্তি হয়ওয়া আঃ কাদেরের। সে সরকারী বেতন পেয়ে থাকেন ১৭৪০০/- টাকা বাবুর্চি কাজ না করে এক মহিলাকে দিয়া ৫০০০/- হাজার টাকা বেতনে থানার কাজ করিয়ে থাকেন।
২০১২ সালে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি অফিস হইতে এসআই পদে পদোন্নতি পেয়ে ঝালকাঠী জেলায় যোগদান করেন। ঝালকাঠী সদর কোর্টে বদলী হয়।
২০১৩ সালের ২২/০৫/২০১৩ তরিখ লাল মোহন থানায় যোগদান করেন।
২০১৫ সালে জেলা হইতে বদলী হয়ে বরিশাল জেলায় যোগদান করেন। পরবর্তীতে বদলী হয় মেহেন্দিগঞ্জ থানায় আসেন। ২০১৭ সালে এ এসআই হইতে এসআই পদে পদোন্নতি হয়ে বানারীপারা থানায় বদলী হয় । সেখানেও টিকতে না পেরে পুনরায় বদলী হঃয়। মেহেন্দিগঞ্জ ।
গত ৮ জুলাই’১৯ বরিশাল জেলার মেহেন্দীগঞ্জ থানার রাজাপুর গ্রামের মৃত- ফজলে করিম বেপারীর ছেলে মোস্তা বেপারী বাড়ি গিয়ে ভয় দেখিয়ে বলেন তুই মাদক বিক্রেতা । তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেয়ার কথা শিকার করেন মোস্তাক বেপারী। এবং তার স্ত্রীকে অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করেন। এ বিষয়ে মোস্তাক ব্যপারী এলাকার গন্য মান্য ব্যক্তিদেরকে জানান।
উক্ত ঘটনার জেরে গত ১০/০৭/২০১৯ তারিখ রাতে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে যান কয়েক জন পুলিশসহ থানায়। হত্যা মামলা, চুর মামলা ও ডাকাতি মামলায় জড়ানোর ভয় দেখান তার নামে ৭টি মামলা দিয়ে ভয় দেখান রাতে ৫০ হাজার টাকা

পুলিশ আইনের ৩৫(৬) ধারা মতে বিজ্ঞ আদালত প্িরমপিউশনে দাখিল করেন মস্তোফা জামিন নিয়অ তাহার এক চাচাতো ভাই সাংবাদিক হাতার পরামর্শে মাননীয় রেঞ্জ ডি.আইজি শফিকুল ইসলাম এর নিকট তাহার বক্তব্য পেশ করিলে তিনি লিখিত অভিযোগ গ্রহন করিয়া মোঃ শহিদের নাম তদন্ত দেন। তদন্ত কালে তিনি ৩০ হাজার টাকা দিয়া মস্তাফাকে বাকী ২০ হাজার টাকা ৭ দিন পরে দেয়ার কথা বলেন উক্ত টাকা চাইতে গেলে তাহাকে জীবন নাসের হুমকী প্রদান করেন। বিধায় হাতার অত্তরক্ষার জন্য তিনি মিডিয়ার সামনে হাজির হয়ে সাক্ষাত কর প্রদান করেন এবং ন্যায় বিচারের দাবী করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, মেহেন্দিগঞ্জ থানার এসআই মোঃ শহিদুল ইসলাম এর নামে ভূক্তভোগী একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছে, রাতে সিভিল টিমের দায়িত্বপালনকারী পুলিশ কর্মকর্তারা নিরীহ লোকদের আটক করে মাদক ও নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়েও হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। আবার চার্জসীট থেকে নাম বাদ দেয়ার কথা বলেও নেয়া হচ্ছে টাকা।