সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা মামলার রায় আগামী ২৭ নভেম্বর । আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১১৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর গুলশানের স্প্যানিশ রেস্তোরাঁ হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ২৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান রোববার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার এ দিন ধার্য করেন।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) গোলাম ছারোয়ার খান জাকির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ৬ নভেম্বর এ মামলায় আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শুরু হয়। যা শেষ হয় রোববার।

মামলায় ২১১ জন সাক্ষীর মধ্যে সবমিলিয়ে ১১৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার আসামিরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে র‍্যাশ, সোহেল মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, হাদিসুর রহমান সাগর, শরিফুল ইসলাম খালেদ ও মামুনুর রশিদ।

এছাড়া বিভিন্ন জঙ্গি বিরোধী অভিযানে আসামিদের মধ্যে ১৩ জন নিহত হওয়ায় মামলা থেকে তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা।

তাদের গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। পরে কমান্ডো অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। ওই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় একটি মামলা করে পুলিশ।

তদন্ত শেষে আটজনকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই আদালতে চার্জশিট জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর।

অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিমকে। হামলার পর কমান্ডো অভিযান শেষে উদ্ধার হওয়া অন্যদের সঙ্গে তাকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়।

একই বছর ৮ আগস্ট চার্জশিট গ্রহণ করেন আদালত। পরে গতবছরের ২৬ নভেম্বর আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই হামলার বিচার শুরু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা মামলার রায় আগামী ২৭ নভেম্বর । আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯

রাজধানীর গুলশানের স্প্যানিশ রেস্তোরাঁ হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ২৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান রোববার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার এ দিন ধার্য করেন।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) গোলাম ছারোয়ার খান জাকির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ৬ নভেম্বর এ মামলায় আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শুরু হয়। যা শেষ হয় রোববার।

মামলায় ২১১ জন সাক্ষীর মধ্যে সবমিলিয়ে ১১৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার আসামিরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে র‍্যাশ, সোহেল মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, হাদিসুর রহমান সাগর, শরিফুল ইসলাম খালেদ ও মামুনুর রশিদ।

এছাড়া বিভিন্ন জঙ্গি বিরোধী অভিযানে আসামিদের মধ্যে ১৩ জন নিহত হওয়ায় মামলা থেকে তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা।

তাদের গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। পরে কমান্ডো অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। ওই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় একটি মামলা করে পুলিশ।

তদন্ত শেষে আটজনকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই আদালতে চার্জশিট জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর।

অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিমকে। হামলার পর কমান্ডো অভিযান শেষে উদ্ধার হওয়া অন্যদের সঙ্গে তাকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়।

একই বছর ৮ আগস্ট চার্জশিট গ্রহণ করেন আদালত। পরে গতবছরের ২৬ নভেম্বর আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই হামলার বিচার শুরু হয়।