সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সর নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন   ঘোড়াঘাটে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্ভোধন চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন তেঁতুলিয়ায় ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রী করার দাবি পটুয়াখালী-৪ আসনের সাধারণ মানুষের কলাপাড়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ পালিত ঝালকাঠিতে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদ্বোধন ইলিশের দাম ক্রয়ক্ষমতার বাইরে যাওয়ার প্রধান কারন হিসাবে অবৈধ কাঠের ট্রলিং বোট বন্ধের দাবি মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করায় বাবাকে কুপিয়ে হত্যা

গভীর রাতে চাচির ঘরে ভাতিজা,আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলল এলাকাবাসী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১১৮৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গভীর রাতে চাচির ঘরে ভাতিজা, আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলল এলাকাবাসী

গভীর রাতে চাচির সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছেন রুবায়েত আনোয়ার মনির (৪৫) নামে এক আইনজীবী।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে শরীয়তপুর সদর উপজেলার টাউন চিকন্দী এলাকায় চাচি-ভাতিজাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এলাকাবাসী।

রুবায়েত আনোয়ার মনির সদর উপজেলার চিকন্দী ইউনিয়নের ছোট স্বন্দ্বীপ গ্রামের মৃত আইনজীবী আব্দুল খালেক মোল্লার ছেলে এবং শরীয়তপুর জজকোর্টের একজন আইনজীবী। তিনি বিবাহিত। তার চাচির এক ছেলে, এক মেয়ে। তার চাচা এক বছর আগে মারা গেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাচা বেঁচে থাকতেই মনির ও তার চাচির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিভিন্ন সময় তারা অসামাজিক কর্মকাণ্ডেও লিপ্ত হতেন। একাধিকবার সালিশ-দরবারও হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন চলছিল।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে আইনজীবী মনির তার চাচির ঘরে যান। তাদের পাশাপাশি ঘর। বিষয়টি দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা রাত আড়াইটার দিকে চাচি-ভাতিজাকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান এবং ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দেন।

পরে আইনজীবী মনিরের মোহরার (আইনজীবীর সহকারী) আলী হোসেন ও তার চাচাতো ভাই জাকির হোসেন মোল্লা তাদের উদ্ধার করেন।

আইনজীবী মনিরের মোহরার আলী হোসেন বলেন, খবর শুনে ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে দেখি ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে দেখি মনির স্যার ও তার চাচি। পরে তাদের উদ্ধার করি।

জিহান রব্বানী জাকির, মামুন মাদবর, জাহাঙ্গীর খা, শহিদুল ইসলাম মিন্টুসহ স্থানীয় অনেকে বলেন, একজন গণ্যমান্য ব্যক্তি আইনজীবী মনির। তিনি আপন চাচির সঙ্গে

দীর্ঘদিন যাবত অসামাজিক কাজে লিপ্ত। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের আপত্তিকর অবস্থায় ধরা হয়। এটা লজ্জার ও ন্যাক্কারজনক ঘটনা। এর সঠিক বিচার হওয়া উচিৎ। বিচার না হলে এমন অসামাজিক কাজ বাড়তে থাকবে।

চিকন্দী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার রমিজ খা বলেন, ঘটনাটি রাতে শুনেছি। মনির ও তার চাচিকে আপত্তিকর অবস্থায় যারা ধরেছে তাদের ও এলাকার গণ্যমান্য

লোক নিয়ে এক জায়গায় বসেছিলাম। দুই পক্ষের কথা শুনে সমাধানের চেষ্টা করছি।

জানতে চাইলে আইনজীবী রুবায়েত আনোয়ার মনির বলেন, আমার বিরুদ্ধে এটা একটা ষড়যন্ত্র । এ বিষয়ে আমি কিছু বলবো না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গভীর রাতে চাচির ঘরে ভাতিজা,আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলল এলাকাবাসী

আপডেট সময় : ০৬:৪০:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯

গভীর রাতে চাচির ঘরে ভাতিজা, আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলল এলাকাবাসী

গভীর রাতে চাচির সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছেন রুবায়েত আনোয়ার মনির (৪৫) নামে এক আইনজীবী।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে শরীয়তপুর সদর উপজেলার টাউন চিকন্দী এলাকায় চাচি-ভাতিজাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এলাকাবাসী।

রুবায়েত আনোয়ার মনির সদর উপজেলার চিকন্দী ইউনিয়নের ছোট স্বন্দ্বীপ গ্রামের মৃত আইনজীবী আব্দুল খালেক মোল্লার ছেলে এবং শরীয়তপুর জজকোর্টের একজন আইনজীবী। তিনি বিবাহিত। তার চাচির এক ছেলে, এক মেয়ে। তার চাচা এক বছর আগে মারা গেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাচা বেঁচে থাকতেই মনির ও তার চাচির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিভিন্ন সময় তারা অসামাজিক কর্মকাণ্ডেও লিপ্ত হতেন। একাধিকবার সালিশ-দরবারও হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন চলছিল।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে আইনজীবী মনির তার চাচির ঘরে যান। তাদের পাশাপাশি ঘর। বিষয়টি দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা রাত আড়াইটার দিকে চাচি-ভাতিজাকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান এবং ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দেন।

পরে আইনজীবী মনিরের মোহরার (আইনজীবীর সহকারী) আলী হোসেন ও তার চাচাতো ভাই জাকির হোসেন মোল্লা তাদের উদ্ধার করেন।

আইনজীবী মনিরের মোহরার আলী হোসেন বলেন, খবর শুনে ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে দেখি ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে দেখি মনির স্যার ও তার চাচি। পরে তাদের উদ্ধার করি।

জিহান রব্বানী জাকির, মামুন মাদবর, জাহাঙ্গীর খা, শহিদুল ইসলাম মিন্টুসহ স্থানীয় অনেকে বলেন, একজন গণ্যমান্য ব্যক্তি আইনজীবী মনির। তিনি আপন চাচির সঙ্গে

দীর্ঘদিন যাবত অসামাজিক কাজে লিপ্ত। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের আপত্তিকর অবস্থায় ধরা হয়। এটা লজ্জার ও ন্যাক্কারজনক ঘটনা। এর সঠিক বিচার হওয়া উচিৎ। বিচার না হলে এমন অসামাজিক কাজ বাড়তে থাকবে।

চিকন্দী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার রমিজ খা বলেন, ঘটনাটি রাতে শুনেছি। মনির ও তার চাচিকে আপত্তিকর অবস্থায় যারা ধরেছে তাদের ও এলাকার গণ্যমান্য

লোক নিয়ে এক জায়গায় বসেছিলাম। দুই পক্ষের কথা শুনে সমাধানের চেষ্টা করছি।

জানতে চাইলে আইনজীবী রুবায়েত আনোয়ার মনির বলেন, আমার বিরুদ্ধে এটা একটা ষড়যন্ত্র । এ বিষয়ে আমি কিছু বলবো না।