১৯ মে ২০২৪, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, ১০ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি, রবিবার, ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
পটুয়াখালীতে ফোন চাওয়ায় মায়ের বকাঝকা, এসএসসি পাস শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা আগৈলঝাড়ায় শুক্রবার রাতে স্কুল ছাত্রী ও গৃহবধুর আত্মহত্যা বরিশাল নগরী বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে ট্রাফিক পুলিশের সচেতনমূলক অভিযান বাবুগঞ্জে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জনগনের ভালবাসায় এগিয়ে ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী চায়না খানম ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি চেষ্টা মামলায় কারাগারে মাদরাসা সুপার চাঁদপাশায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফারজানা বিনতে ওহাব এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত রিকশাচালককে পিটিয়ে পা ভেঙে দেওয়া সেই পুলিশ সদস্য ক্লোজড বরিশালে স্বামীর জমানো টাকা নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী তেঁতুলিয়া হাসপাতালে অকেজো মালামাল টেন্ডারে ঘাবলা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি
একসঙ্গে ৪ সন্তানের জন্ম দিলেন দিনমজুরের স্ত্রী।আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

একসঙ্গে ৪ সন্তানের জন্ম দিলেন দিনমজুরের স্ত্রী।আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার উত্তর পারুলিয়া এলাকায় এক দিনমজুরের ঘর আলোকিত করে এসেছে চার সন্তান। এর মধ্যে তিনটি ছেলে সন্তান ও একটি কন্যা সন্তান।

অভাব-অনটনের পরিবারে একসঙ্গে চার সন্তান জন্মগ্রহণ করায় বিপাকে পড়েছেন বাবা শরিফুল ইসলাম। মা রুনা খাতুন ও চার সন্তান সাতক্ষীরা চায়না বাংলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

চার সন্তানের বাবা শরিফুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, আমি কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি। প্রতিদিনের রোজগারের টাকা দিয়ে আমার সংসার চলে। দুই বছর আগে জগন্নাথপুর গ্রামের আজিবর শেখের মেয়ে রুনা খাতুনের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্ত্রীর গর্ভে সন্তান আসে।

তিনি আরও বলেন, সোমবার রাত আড়াইটার দিকে সাতক্ষীরার চায়না বাংলা হাসপাতালে স্ত্রীর চার সন্তান প্রসব হয়। এর মধ্যে তিনটি ছেলে সন্তান ও একটি কন্যা সন্তান। বর্তমানে স্ত্রী ও সন্তানগুলো সুস্থ রয়েছে।

চারটি সন্তান একসঙ্গে হওয়ায় একদিকে খুশি হয়েছি অন্যদিকে দিশেহারা। সন্তান ও স্ত্রীর চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে হিমশিম খাচ্ছি। প্রতিদিন ২৫ হাজার টাকা করে স্ত্রী-সন্তানদের পেছনে ব্যয় হবে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এত টাকা জোগাড় করার সাধ্য আমার নেই।

দেবহাটার জগন্নাথপুর গ্রামের রুনা খাতুনের চাচা মজিবার রহমান বলেন, একসঙ্গে চার সন্তান হওয়ায় খুশির পাশাপাশি হতাশা রয়েছে। চিকিৎসা ব্যয় করা সম্ভব হবে না। হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতা কামনা করছি।

আশাশুনি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অসীম চক্রবর্তী জাগো নিউজকে বলেন, পরিবারটিকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি। তারা খুব অসহায়। হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতা ছাড়া নবজাতকগুলোকে বাঁচানো সম্ভব নয়।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019