সংবাদ শিরোনাম ::
মানামী লঞ্চ মালিক সালামের ১বছরের কারাদন্ড ও ৬ কোটি টাকা অর্থদন্ড বানারীপাড়া বন্দর বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সভাপতি রিপন সম্পাদক সুমন উজিরপুরে ভাঙ্গা সড়কে মানববন্ধন করায় শিক্ষার্থী ও জনগনকে শাসালেন প্রকৌশলী উজিরপুরের লাল শাপলার বিলকে আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ। ​তেঁতুলিয়ায় আনসার ও ভিডিপি’র ১০ দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু তেঁতুলিয়ায় ইউএনওসহ ১৭ দপ্তরে কর্মকর্তাসহ জনবল সংকট স্থবির প্রশাসনিক ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, নাগরিক সেবায় চরম বিপর্যয় চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০ পরিবারকে ৮২ লাখ টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর ভান্ডারিয়ায় অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ বেহুন্দী জাল, চাক জাল, বেড় জাল জব্দ বিজয়নগরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ -২০২৬-এর উদ্বোধন , আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়,, ভাণ্ডারিয়ায় মাদ্রাসার ফল বিপর্যয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময়

সাবেক এস আই চিন্ময় মিত্রসহ ৩ জনকে মাদক মামলায় সাজা দিয়েছে আদালত। আজকে ক্রাইম নিউজ ডট কম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯ ৩১১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরিশাল কোতয়ালী থানার সাবেক এস আই চিন্ময় মিত্রসহ ৩ জনকে মাদক মামলায় সাজা দিয়েছে আদালত। সোমবার (২১ অক্টোবর) বরিশালের ১ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এম এ হামিদ বিচারাধীন আদালত চিন্ময়ের উপস্থিতিতে সাজার রায় দেন। রায়ে এস আই চিন্ময় মিস্ত্রিকে ৫ বছর কারাদণ্ডসহ ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাস কারাদণ্ড এবং তার সহযোগী মাদক ব্যবসায়ী নিধু মিস্ত্রি ও রুবেলকে ৩ বছর করে কারাদন্ডসহ ৩ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ মাস করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

তারা চিন্ময় ও বেল্লালের নির্দেশ মত টাকা এস এ পরিবহণ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে পাঠায়। এভাবে নিধু থানা পুলিশ ও আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয়। মামলাটি তদন্তের জন্য থানা পুলিশ ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়। ডিবি পুলিশের পরিদর্শক রেজাউল ইসলাম রুবেল ও বেল্লালকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে একই ধরনের তথ্য পায়। তিনি ২০১৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর চিন্ময় মিত্রসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন।

শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বুধবার জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন বিচারাধীন আদালত আবেদন না মঞ্জুর করে ৫ জনের বিরুদ্ধে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ১৯(১)এর টেবিল ৩(খ)/২৫ ধারায় চার্জ গঠন করে বিচারের জন্য সাক্ষী তলব করেন। মামলাটি বিচারের জন্য অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বদলী করা হয়।

ওই আদালত ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে দোষী সাব্যস্ত হলে চিন্ময়, নিধু ও রুবেলকে সাজা এবং বেল্লাল ও মাইজ্জা কামালের দোষ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেন। রায়ের সময় চিন্ময় ও নিধু উপস্থিত ছিল। রায় শেষে তাদের দুজনকে সাজাভোগে পুলিশ প্রহরায় বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয় এবং রুবেল পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সাবেক এস আই চিন্ময় মিত্রসহ ৩ জনকে মাদক মামলায় সাজা দিয়েছে আদালত। আজকে ক্রাইম নিউজ ডট কম

আপডেট সময় : ০২:৪৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯

বরিশাল কোতয়ালী থানার সাবেক এস আই চিন্ময় মিত্রসহ ৩ জনকে মাদক মামলায় সাজা দিয়েছে আদালত। সোমবার (২১ অক্টোবর) বরিশালের ১ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এম এ হামিদ বিচারাধীন আদালত চিন্ময়ের উপস্থিতিতে সাজার রায় দেন। রায়ে এস আই চিন্ময় মিস্ত্রিকে ৫ বছর কারাদণ্ডসহ ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাস কারাদণ্ড এবং তার সহযোগী মাদক ব্যবসায়ী নিধু মিস্ত্রি ও রুবেলকে ৩ বছর করে কারাদন্ডসহ ৩ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ মাস করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

তারা চিন্ময় ও বেল্লালের নির্দেশ মত টাকা এস এ পরিবহণ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে পাঠায়। এভাবে নিধু থানা পুলিশ ও আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয়। মামলাটি তদন্তের জন্য থানা পুলিশ ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়। ডিবি পুলিশের পরিদর্শক রেজাউল ইসলাম রুবেল ও বেল্লালকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে একই ধরনের তথ্য পায়। তিনি ২০১৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর চিন্ময় মিত্রসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন।

শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বুধবার জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন বিচারাধীন আদালত আবেদন না মঞ্জুর করে ৫ জনের বিরুদ্ধে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ১৯(১)এর টেবিল ৩(খ)/২৫ ধারায় চার্জ গঠন করে বিচারের জন্য সাক্ষী তলব করেন। মামলাটি বিচারের জন্য অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বদলী করা হয়।

ওই আদালত ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে দোষী সাব্যস্ত হলে চিন্ময়, নিধু ও রুবেলকে সাজা এবং বেল্লাল ও মাইজ্জা কামালের দোষ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেন। রায়ের সময় চিন্ময় ও নিধু উপস্থিত ছিল। রায় শেষে তাদের দুজনকে সাজাভোগে পুলিশ প্রহরায় বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয় এবং রুবেল পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।