সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

চেয়ারম্যানের কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ ৩৮০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ক ডিজঅনার মামলায় ঝিকরগাছা উপজেলার হাজিরবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিন্টুকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আজ সোমবার যশোরের যুগ্ম দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক শিমুল কুমার বিশ্বাস এক রায়ে এ আদেশ দিয়েছেন।

সাজাপ্রাপ্ত আতাউর রহমান মিন্টু জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার মাটিকুমড়া গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেনের ছেলে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। সে পরপর ২ মেয়াদে হাজিরবাগ ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের মনোনয়নিত হয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

আরো পড়ুন>> ক্লিনিকের অ্যবস্থাপনায় রোগীর মৃত্যু

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, আতাউর রহমান মিন্টু ২০১৭ সালের ৩ মার্চ চাকরি দেয়ার কথা বলে উপজেলার ইস্তা গ্রামের নুর-উন-নবীর ছেলে খায়রুল ইসলামের কাছ থেকে ৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা নেন। পরবর্তিতে চাকরি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে চেয়ারম্যান তালবাহানা করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি খায়রুল ইসলামকে ৫ লাখ টাকা ফেরত দেন। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান মিন্টু ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে ১০ তারিখে বেসিক ব্যাংক, ঝিকরগাছা শাখার অনুকূলে ৩ লাখ টাকার একটি চেক দেন। একই মাসের ১৫ তারিখে চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় পরের দিন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি ডিজঅনার করে। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান মিন্টুকে উকিল নোটিশের মাধ্যমে ২৫ অক্টোবর টাকা পরিশোধের অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তিনি উকিল নোটিশের জবাব না দেয়ায় চলতি বছর ১৯ জানুয়ারি আদালতে মামলা করেন খায়রুল ইসলাম। মামলায় আসামি আতাউর রহমান মিন্টু প্রথম দিনে হাজিরা দিয়ে জামিন নিয়ে আর কোনদিন আদালতে হাজির হননি। মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আসামি মিন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৩ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। রায়ের দিনও আসামি মিন্টু পলাতক ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চেয়ারম্যানের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৪:০৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯

ক ডিজঅনার মামলায় ঝিকরগাছা উপজেলার হাজিরবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিন্টুকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আজ সোমবার যশোরের যুগ্ম দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক শিমুল কুমার বিশ্বাস এক রায়ে এ আদেশ দিয়েছেন।

সাজাপ্রাপ্ত আতাউর রহমান মিন্টু জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার মাটিকুমড়া গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেনের ছেলে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। সে পরপর ২ মেয়াদে হাজিরবাগ ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের মনোনয়নিত হয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

আরো পড়ুন>> ক্লিনিকের অ্যবস্থাপনায় রোগীর মৃত্যু

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, আতাউর রহমান মিন্টু ২০১৭ সালের ৩ মার্চ চাকরি দেয়ার কথা বলে উপজেলার ইস্তা গ্রামের নুর-উন-নবীর ছেলে খায়রুল ইসলামের কাছ থেকে ৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা নেন। পরবর্তিতে চাকরি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে চেয়ারম্যান তালবাহানা করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি খায়রুল ইসলামকে ৫ লাখ টাকা ফেরত দেন। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান মিন্টু ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে ১০ তারিখে বেসিক ব্যাংক, ঝিকরগাছা শাখার অনুকূলে ৩ লাখ টাকার একটি চেক দেন। একই মাসের ১৫ তারিখে চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় পরের দিন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি ডিজঅনার করে। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান মিন্টুকে উকিল নোটিশের মাধ্যমে ২৫ অক্টোবর টাকা পরিশোধের অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তিনি উকিল নোটিশের জবাব না দেয়ায় চলতি বছর ১৯ জানুয়ারি আদালতে মামলা করেন খায়রুল ইসলাম। মামলায় আসামি আতাউর রহমান মিন্টু প্রথম দিনে হাজিরা দিয়ে জামিন নিয়ে আর কোনদিন আদালতে হাজির হননি। মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আসামি মিন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৩ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। রায়ের দিনও আসামি মিন্টু পলাতক ছিল।