সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

চেয়ারম্যানের কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ ৩৩৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ক ডিজঅনার মামলায় ঝিকরগাছা উপজেলার হাজিরবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিন্টুকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আজ সোমবার যশোরের যুগ্ম দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক শিমুল কুমার বিশ্বাস এক রায়ে এ আদেশ দিয়েছেন।

সাজাপ্রাপ্ত আতাউর রহমান মিন্টু জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার মাটিকুমড়া গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেনের ছেলে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। সে পরপর ২ মেয়াদে হাজিরবাগ ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের মনোনয়নিত হয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

আরো পড়ুন>> ক্লিনিকের অ্যবস্থাপনায় রোগীর মৃত্যু

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, আতাউর রহমান মিন্টু ২০১৭ সালের ৩ মার্চ চাকরি দেয়ার কথা বলে উপজেলার ইস্তা গ্রামের নুর-উন-নবীর ছেলে খায়রুল ইসলামের কাছ থেকে ৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা নেন। পরবর্তিতে চাকরি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে চেয়ারম্যান তালবাহানা করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি খায়রুল ইসলামকে ৫ লাখ টাকা ফেরত দেন। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান মিন্টু ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে ১০ তারিখে বেসিক ব্যাংক, ঝিকরগাছা শাখার অনুকূলে ৩ লাখ টাকার একটি চেক দেন। একই মাসের ১৫ তারিখে চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় পরের দিন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি ডিজঅনার করে। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান মিন্টুকে উকিল নোটিশের মাধ্যমে ২৫ অক্টোবর টাকা পরিশোধের অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তিনি উকিল নোটিশের জবাব না দেয়ায় চলতি বছর ১৯ জানুয়ারি আদালতে মামলা করেন খায়রুল ইসলাম। মামলায় আসামি আতাউর রহমান মিন্টু প্রথম দিনে হাজিরা দিয়ে জামিন নিয়ে আর কোনদিন আদালতে হাজির হননি। মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আসামি মিন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৩ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। রায়ের দিনও আসামি মিন্টু পলাতক ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চেয়ারম্যানের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৪:০৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯

ক ডিজঅনার মামলায় ঝিকরগাছা উপজেলার হাজিরবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিন্টুকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আজ সোমবার যশোরের যুগ্ম দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক শিমুল কুমার বিশ্বাস এক রায়ে এ আদেশ দিয়েছেন।

সাজাপ্রাপ্ত আতাউর রহমান মিন্টু জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার মাটিকুমড়া গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেনের ছেলে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। সে পরপর ২ মেয়াদে হাজিরবাগ ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের মনোনয়নিত হয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

আরো পড়ুন>> ক্লিনিকের অ্যবস্থাপনায় রোগীর মৃত্যু

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, আতাউর রহমান মিন্টু ২০১৭ সালের ৩ মার্চ চাকরি দেয়ার কথা বলে উপজেলার ইস্তা গ্রামের নুর-উন-নবীর ছেলে খায়রুল ইসলামের কাছ থেকে ৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা নেন। পরবর্তিতে চাকরি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে চেয়ারম্যান তালবাহানা করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি খায়রুল ইসলামকে ৫ লাখ টাকা ফেরত দেন। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান মিন্টু ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে ১০ তারিখে বেসিক ব্যাংক, ঝিকরগাছা শাখার অনুকূলে ৩ লাখ টাকার একটি চেক দেন। একই মাসের ১৫ তারিখে চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় পরের দিন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি ডিজঅনার করে। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান মিন্টুকে উকিল নোটিশের মাধ্যমে ২৫ অক্টোবর টাকা পরিশোধের অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তিনি উকিল নোটিশের জবাব না দেয়ায় চলতি বছর ১৯ জানুয়ারি আদালতে মামলা করেন খায়রুল ইসলাম। মামলায় আসামি আতাউর রহমান মিন্টু প্রথম দিনে হাজিরা দিয়ে জামিন নিয়ে আর কোনদিন আদালতে হাজির হননি। মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আসামি মিন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৩ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। রায়ের দিনও আসামি মিন্টু পলাতক ছিল।