সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন রাজাপুরে বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন: দুই যুগের দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ চুয়াডাঙ্গায় রাইচ কুকারের সুইচ দেবার কালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু রহমতপুর সমিতি ঢাকা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে,

শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের অন্যতম আঙ্গিনা কীর্তনখোলা তীরে ক্যাম্পাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২৬৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ববি অন্যতম একটি সেরা বিদ্যাপীঠ। লাখো শিক্ষার্থীর স্বপ্নের আঙ্গিনা কীর্তনখোলার তীর ঘেঁষা এই ববি ক্যাম্পাস। দুই সেতুর মাঝে অবস্থিত এই ক্যাম্পাস নিমিষেই মন কেরে নেবে যে কারোর। তবে দীর্ঘ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে এই সৌন্দর্যকে উপভোগ করতে চাইলে অবশ্যই ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে এক দুরুহু ভর্তিযুদ্ধে। প্রতিবছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে,কজনইবা পারেতার স্বপ্নকে স্বার্থক করতে। আসন সংখ্যার বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেক বেশি হওয়ায় নির্ধারিত আসনের বাহিরে স্বপ্নের বিচ্ছুরণ ঘটছে অনেকের। একটু ভুলের কারণে ঝরে পড়ে হাজারো স্বপ্ন। সকল শিক্ষার্থী চায় দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে অধ্যয়ন করতে। কিন্তু অনেক শিক্ষার্থী প্রকৃত মেধা থাকা স্বত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারে না। তার যথেষ্ট কারণও রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত জ্ঞানের অভাব,প্রশ্নের ধরণ সম্পর্কে অজ্ঞতা,টেকনিক অনুসরণ না করা তাদের মধ্যে অন্যতম। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ববির প্রশ্ন একটু ভিন্ন ধরনের । ববি তুলনামূলক নব্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া স্বত্বেও শিক্ষার গুণগতমান ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের কারণে ইতোমধ্যেই শিক্ষার্থীদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। তাই এখানে প্রতিযোগিতা একটু বেশিই হয়। যারা ভর্তি পরীক্ষা একটু কৌশলী হয় তারা অতি সহজেই চান্স পেয়ে যায়। নিন্মের নির্দেশনা গুলো অনুসরণ করলে সহজেই
ববিতে চান্স পেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশের এ ক্যাম্পাসে এবার ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ ও ১৯ অক্টোবর। ১৪৪০ আসনের বিপরীতে এবার লড়বে ৪৯ হাজার ৯৫৬ জন মেধাবী শিক্ষার্থী। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আসন বরাদ্দ করে নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাজার হাজার শিক্ষার্থীরা ছুটে আসবে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য। তবে কেমন হবে সেই হাজার হাজার শিক্ষার্থীর অদম্য মেধার প্রতিযোগিতা? কোন পন্থা অবলম্বন করে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আসন নিজের নামে করে নিতে পারবেন? বিগত পরীক্ষাগুলোর আলোকে কতটুকু প্রস্তুতি নিতে হবে প্রতিযোগীদের? কী কী নিয়ম অনুসরণ করে অতি সহজেই ববির ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবে শিক্ষার্থীরা?

এ সকল বিষয় নতুন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিটভিত্তিক পরামর্শ দিয়েছেন বিগত ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’ ইউনিটে চান্সপ্রাপ্ত প্রথম সারির শিক্ষার্থীরা। গত ২০১৮-১৯ সেশনে ‘এ’ ইউনিটে চান্স পেয়ে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত চপল হোসেন ‘এ’ ইউনিটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি প্রথমত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, সেই হিসেবে ওটাই ছিল ববির প্রস্তুতি। কিন্তু যখন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়নি তখন পরিশ্রম একটু বেশিই করতে হয়েছে। আল্লাহর রহমতে মেধাতালিকায় স্থান দখল করেছিলাম। যারা ‘এ’ ইউনিটে পরীক্ষা দিতে আগ্রহী তাদের জন্য বলব ইন্টারের মেইন বইগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ার বিকল্প নেই। আমি কোনো ধরনের সাজেশন ফলো করিনি। শুধু ইন্টারের মেইন বই ফলো করেছি। পাশাপাশি বাজারে ভালো কিছু বই থেকে বেসিক বিষয়গুলো পড়লে ভালো ফল করা যাবে। সর্বোপরি পরীক্ষার হলে ঠান্ডা মাথায় পরীক্ষা দিতে হবে। এসব বিষয়গুলো ফলো করতে পারলে অবশ্যই চান্স পাওয়া সম্ভব। এ দিকে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ২০ তম স্থান অর্জনকারী বর্তমান লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মাইদুল ইসলাম তুষার বলেন, ‘বি’ ইউনিটে

ভর্তি পরীক্ষা দিতে গেলে বাংলা, ইংরেজি ও গ্রুপের বিষয়গুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। তিনি মেইন বইগুলোর প্রতি বেশি গুরুত্ব দিতে বলেন। পাশাপাশি বিগত বছরের প্রশ্নগুলো সমাধান করার মাধ্যমে ভালো প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব বলেও জানান। এমনি নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে ভর্তি পরীক্ষার বিভীষিকাময় দিনগুলোর কথা জানিয়েছেন ‘সি’ ইউনিটে মেধাতালিকায় ২য় হওয়া বর্তমান ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইজা ইসলাম। তিনি বলেন, ভর্তিযুদ্ধ অনেকটা জীবন মরণের লড়াইয়ের মতো। প্রিপারেশন আগে থেকেই ছিল। কিন্তু ঢাবি, জাবি, জবি থেকে শুরু করে অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিয়েও যখন চান্স হচ্ছিল না তখন মন খারাপ করে আশা ছেড়েই দিয়েছিলাম। তবে কনফিডেন্স হারাইনি। । ইংরেজি এবং বাংলা বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছিলাম। কারণ এই দুই বিষয়ের নাম্বার পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজি আলাদা পাস নম্বর থাকায় বেশি পড়তে হয়েছিল। নিয়মিত ঘণ্টামাফিক পড়তাম না। যখন পড়তে ইচ্ছে হতো তখন পড়তাম। বাড়তি চাপ নেওয়া পছন্দ করতাম না। তবে টাইম মেইনটেইন করতাম। নতুন কিছু না পড়ে প্রশ্ন সলভ বেশি করসিলাম। পরীক্ষার হলে মোটামুটি সিউর ছিলাম এমন প্রশ্নেরই উত্তর করেছি। কারণ নেগেটিভ মার্কিংয়ের কারণে আমি অন্যান্য ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পাইনি। ববিতেও শঙ্কামুক্ত ছিলাম না। চান্স পাওয়ার তাড়নায় ছিলাম। কিন্তু সব শেষে অবিশ্বাস্য রেজাল্ট ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়। উল্লেখ্য,ববিতে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য রয়েছে ৫৮০ টি আসন, মানবিকের জন্য ৫৬০ টি আসন, এবং ব্যবসায় শিক্ষার জন্য ৩০০ টি আসন। দক্ষিণ বঙ্গের সেরা এই বিদ্যাপীঠে চান্স পেতে বর্তমানে একটি সঠিক সিদ্ধান্ত হতে পারে আগামীর ববিয়ান করে তুলতে । তাই সময় কে কাজ লাগিয়ে আগামীর ববিয়ান হওয়ার পূর্ন প্রচেষ্ঠা অব্যহত রাখুন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের অন্যতম আঙ্গিনা কীর্তনখোলা তীরে ক্যাম্পাস

আপডেট সময় : ০৭:১৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০১৯

বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ববি অন্যতম একটি সেরা বিদ্যাপীঠ। লাখো শিক্ষার্থীর স্বপ্নের আঙ্গিনা কীর্তনখোলার তীর ঘেঁষা এই ববি ক্যাম্পাস। দুই সেতুর মাঝে অবস্থিত এই ক্যাম্পাস নিমিষেই মন কেরে নেবে যে কারোর। তবে দীর্ঘ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে এই সৌন্দর্যকে উপভোগ করতে চাইলে অবশ্যই ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে এক দুরুহু ভর্তিযুদ্ধে। প্রতিবছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে,কজনইবা পারেতার স্বপ্নকে স্বার্থক করতে। আসন সংখ্যার বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেক বেশি হওয়ায় নির্ধারিত আসনের বাহিরে স্বপ্নের বিচ্ছুরণ ঘটছে অনেকের। একটু ভুলের কারণে ঝরে পড়ে হাজারো স্বপ্ন। সকল শিক্ষার্থী চায় দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে অধ্যয়ন করতে। কিন্তু অনেক শিক্ষার্থী প্রকৃত মেধা থাকা স্বত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারে না। তার যথেষ্ট কারণও রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত জ্ঞানের অভাব,প্রশ্নের ধরণ সম্পর্কে অজ্ঞতা,টেকনিক অনুসরণ না করা তাদের মধ্যে অন্যতম। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ববির প্রশ্ন একটু ভিন্ন ধরনের । ববি তুলনামূলক নব্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া স্বত্বেও শিক্ষার গুণগতমান ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের কারণে ইতোমধ্যেই শিক্ষার্থীদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। তাই এখানে প্রতিযোগিতা একটু বেশিই হয়। যারা ভর্তি পরীক্ষা একটু কৌশলী হয় তারা অতি সহজেই চান্স পেয়ে যায়। নিন্মের নির্দেশনা গুলো অনুসরণ করলে সহজেই
ববিতে চান্স পেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশের এ ক্যাম্পাসে এবার ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ ও ১৯ অক্টোবর। ১৪৪০ আসনের বিপরীতে এবার লড়বে ৪৯ হাজার ৯৫৬ জন মেধাবী শিক্ষার্থী। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আসন বরাদ্দ করে নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাজার হাজার শিক্ষার্থীরা ছুটে আসবে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য। তবে কেমন হবে সেই হাজার হাজার শিক্ষার্থীর অদম্য মেধার প্রতিযোগিতা? কোন পন্থা অবলম্বন করে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আসন নিজের নামে করে নিতে পারবেন? বিগত পরীক্ষাগুলোর আলোকে কতটুকু প্রস্তুতি নিতে হবে প্রতিযোগীদের? কী কী নিয়ম অনুসরণ করে অতি সহজেই ববির ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবে শিক্ষার্থীরা?

এ সকল বিষয় নতুন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিটভিত্তিক পরামর্শ দিয়েছেন বিগত ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’ ইউনিটে চান্সপ্রাপ্ত প্রথম সারির শিক্ষার্থীরা। গত ২০১৮-১৯ সেশনে ‘এ’ ইউনিটে চান্স পেয়ে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত চপল হোসেন ‘এ’ ইউনিটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি প্রথমত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, সেই হিসেবে ওটাই ছিল ববির প্রস্তুতি। কিন্তু যখন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়নি তখন পরিশ্রম একটু বেশিই করতে হয়েছে। আল্লাহর রহমতে মেধাতালিকায় স্থান দখল করেছিলাম। যারা ‘এ’ ইউনিটে পরীক্ষা দিতে আগ্রহী তাদের জন্য বলব ইন্টারের মেইন বইগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ার বিকল্প নেই। আমি কোনো ধরনের সাজেশন ফলো করিনি। শুধু ইন্টারের মেইন বই ফলো করেছি। পাশাপাশি বাজারে ভালো কিছু বই থেকে বেসিক বিষয়গুলো পড়লে ভালো ফল করা যাবে। সর্বোপরি পরীক্ষার হলে ঠান্ডা মাথায় পরীক্ষা দিতে হবে। এসব বিষয়গুলো ফলো করতে পারলে অবশ্যই চান্স পাওয়া সম্ভব। এ দিকে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ২০ তম স্থান অর্জনকারী বর্তমান লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মাইদুল ইসলাম তুষার বলেন, ‘বি’ ইউনিটে

ভর্তি পরীক্ষা দিতে গেলে বাংলা, ইংরেজি ও গ্রুপের বিষয়গুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। তিনি মেইন বইগুলোর প্রতি বেশি গুরুত্ব দিতে বলেন। পাশাপাশি বিগত বছরের প্রশ্নগুলো সমাধান করার মাধ্যমে ভালো প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব বলেও জানান। এমনি নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে ভর্তি পরীক্ষার বিভীষিকাময় দিনগুলোর কথা জানিয়েছেন ‘সি’ ইউনিটে মেধাতালিকায় ২য় হওয়া বর্তমান ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইজা ইসলাম। তিনি বলেন, ভর্তিযুদ্ধ অনেকটা জীবন মরণের লড়াইয়ের মতো। প্রিপারেশন আগে থেকেই ছিল। কিন্তু ঢাবি, জাবি, জবি থেকে শুরু করে অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিয়েও যখন চান্স হচ্ছিল না তখন মন খারাপ করে আশা ছেড়েই দিয়েছিলাম। তবে কনফিডেন্স হারাইনি। । ইংরেজি এবং বাংলা বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছিলাম। কারণ এই দুই বিষয়ের নাম্বার পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজি আলাদা পাস নম্বর থাকায় বেশি পড়তে হয়েছিল। নিয়মিত ঘণ্টামাফিক পড়তাম না। যখন পড়তে ইচ্ছে হতো তখন পড়তাম। বাড়তি চাপ নেওয়া পছন্দ করতাম না। তবে টাইম মেইনটেইন করতাম। নতুন কিছু না পড়ে প্রশ্ন সলভ বেশি করসিলাম। পরীক্ষার হলে মোটামুটি সিউর ছিলাম এমন প্রশ্নেরই উত্তর করেছি। কারণ নেগেটিভ মার্কিংয়ের কারণে আমি অন্যান্য ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পাইনি। ববিতেও শঙ্কামুক্ত ছিলাম না। চান্স পাওয়ার তাড়নায় ছিলাম। কিন্তু সব শেষে অবিশ্বাস্য রেজাল্ট ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়। উল্লেখ্য,ববিতে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য রয়েছে ৫৮০ টি আসন, মানবিকের জন্য ৫৬০ টি আসন, এবং ব্যবসায় শিক্ষার জন্য ৩০০ টি আসন। দক্ষিণ বঙ্গের সেরা এই বিদ্যাপীঠে চান্স পেতে বর্তমানে একটি সঠিক সিদ্ধান্ত হতে পারে আগামীর ববিয়ান করে তুলতে । তাই সময় কে কাজ লাগিয়ে আগামীর ববিয়ান হওয়ার পূর্ন প্রচেষ্ঠা অব্যহত রাখুন।