১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন, ২৪শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি, মঙ্গলবার, ১লা পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
সাবেক প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমানের মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবিতে বাবুগঞ্জে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ ঝালকাঠিতে অবৈধ টলির ধাক্কায় ত্রিমুখী সংঘর্ষ প্রাণ গেল গৃহবধূ সিআইপি নির্বাচিত চুয়াডাঙ্গার কৃতী ব্যবসায়ী সাহিদুজ্জামান টরিক চুয়াডাঙ্গায় ঠান্ডার শুরুতেই ডায়রিয়া শুরু, হাসপাতালে ভর্তির বেশীর ভাগই শিশু ঝালকাঠিতে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত চুয়াডাঙ্গায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত দর্শনা পুলিশের হাতে আটক৫ দামুড়হুদায় গ্রাহক সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতারণা রোধে র‍্যালি ও লিপলেট বিতরন চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্রসহ আলোচিত রিকন আটক সততার সাথে দায়িত্ব পালনে সফল হাওয়ায় প্রশংসায় ভাসছেন সর্বমহলে বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আলম
এতিম পথশিশু খুশিকে জাঁকজমকভাবে বিয়ে দিলেন রংপুরের ডিসি

এতিম পথশিশু খুশিকে জাঁকজমকভাবে বিয়ে দিলেন রংপুরের ডিসি

এক পথশিশু এতিম মেয়ের জাঁকজমকপূর্ণভাবে বিয়ে হলো রংপুরে।এসেছিলেন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

বুধবার গায়ে হলুদের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর পর্যটন মোটেলে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিয়ে হয় খুশি খাতুনের। এর সহযোগিতা করে সমাজসেবা অধিদফতর ও শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র (বালিকা)।

মোছা. খুশি খাতুন ছোট বেলা থেকেই মানুষের বাসা বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে ছিলেন। সেখানে তিনি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়। গৃহকর্তার নির্যাতনে তিনি ওই বাসা থেকে পালিয়ে গেলে স্থানীয় লোকজন তাকে থানায় সোপর্দ করেন। ২০১৪ সালে ২৫ এপ্রিল ঠাকুরগাঁও জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ড রংপুর সমাজসেবা অধিদফতরের সহযোগিতায় তাকে শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে (বালিকা) রাখা হয়।

সেখানে ১৮ বছর পূর্ণ হলে জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদফতরের সহযোগিতায় তাকে কারুপণ্য নামে শতরঞ্জি তৈরি প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেয়া হয়। পরে রংপুর নগরীর নিউ সাহেবগঞ্জ এলাকার আজিজুল ইসলামের ছেলে মো. লিমন মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ের বিষয়টি ঠিক করে জেলা প্রশাসন। ছেলেটির পেশা রাজমিস্ত্রি।

সবার পছন্দে বিয়েতে রাজি হওয়া নবদম্পত্তি অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, তারা একে অপরকে পেয়ে খুশি। এজন্য তারা ডিসি, সমাজসেবা সেবা কর্তৃপক্ষসহ রংপুরের সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। তারা আরো বলেন, তাদের ভবিষ্যৎ বংশধর যাতে মানুষের মতো মানুষ হতে পারে এজন্য সবার কাছে দোয়া চাই।

ডিসি আসিব আহসান জানান, মেয়েটি এতিম। তার বাবা-মা নেই। প্রশাসন পাশে আছে এমন ধারণা যেন এতিম মেয়েটির হয় এজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে সে অসহায় বোধ করতে না পারে। তারা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে এজন্য তাদের নামে পারিবারিক পেনশনের ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়া প্রশাসন থেকে সব ধরনের সহযোগিতাও অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবেন।

তিনি আরো বলেন, পর্যটন মোটলে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বিয়ে দেয়ার আর একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে আরো যে ২ শতাধিক অনাথ শিশু আছে তাদের নিয়ে আনন্দ করা এবং তাদেরও বোঝানো যে তারা একা নয় আমরা সবাই তাদের পাশে আছি ।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019