২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:৫৬ অপরাহ্ন, ১২ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি, শুক্রবার, ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
মায়ের জানাজায় অংশ নিতে ফিরলেন ইতালি থেকে, সড়কে ঝরল প্রাণ অনিবন্ধিত সব স্বাস্থ্যকেন্দ্র দ্রুত বন্ধ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঝালকাঠি’তে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) এর উদ্যোগে প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিএমপি কমিশনার এর অংশগ্রহণ বিরামপুর খানপুর ইউনিয়নে স্বল্প মূল্যে টিসিবির পন্য বিতরনের শুভ উদ্বোধন দামুড়হুদার কুড়ুলগাছি শিক্ষক – অভিভাবক সমাবেশ সকলকে সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করতে হবে, -জেলা প্রশাসক তেল-গ্যাস উত্তোলনে বিদেশিদের বিনিয়োগের আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী প্রতারণার অভিযোগে স্বামীসহ যুব মহিলা লীগ নেত্রী মিম গ্রেপ্তার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত জিকে শামীমের জামিন বাংলাবান্ধা-পঞ্চগড় মহাসড়কে বালু-পাথর ব্যবসা লোড আনলোডে জনদূভোর্গ সড়ক দূর্ঘটনা আশংকা
গোপালগঞ্জে বিকাশ প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

গোপালগঞ্জে বিকাশ প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

অনলাইন ডেক্স গোপালগঞ্জে আন্তঃজেলা বিকাশ প্রতারক চক্রের সক্রিয় ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে সদর সার্কেলের নেতৃত্বে একটি চৌকশ দল অভিযান পরিচালনা করে এদের গ্রেফতার করে। এসময় প্রতারকদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ১০ টি মোবাইল সেট ও পৃথক ৫ টি সিমসহ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো রাজবাড়ি সদরের ভবদিয়া গ্রামের সালাম খানের ছেলে জাহিদ খান (৩৫) মোসলেমউদ্দিন খানের ছেলে সানি খান (১৯), গোয়ালন্দ থানার নিলুশেখের পাড়ার উসমান খানের ছেলে জাহিদ খান (৩৫) এবং ফরিদপুর জেলার মধুখালি থানার ডুমাইন গ্রামের মজিবর শেখের ছেলে রহিম শেখ (১৯)।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার দুপুরে গোপালগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইদুর রহমান খান। তিনি বলেন, বিকাশ প্রতারক চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত কে র প্রযুক্তিগত সহায়তায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) এর নেতৃত্বে একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। প্রতারক চক্রের কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরোও বলেন তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী জানতে পারলাম প্রতারণার যে অভিনব কৌশল তা রীতিমত অবাক করে দেবে। বিভিন্ন বিকাশ এজেন্টদের লেনদেনকৃত টাকার ভিতরে প্রতারক চক্র ঢুকার জন্য নাম্বার সংগ্রহ করে। এক্ষেত্রে প্রতারকরা লেনদেন হওয়া রেজিষ্টার খাতা থেকে গোপন ক্যামেরার সাহায্যে ভিডিও করে নাম্বার নেয়। তারপর গ্রাহকদের কাছ থেকেই কৌশলে গোপন পিনকোড সংগ্রহ করে। এরপর বিকাশ এ্যাপসের মাধ্যমে মোবাইল থেকে টাকা ক্যাশ আউট করে নেয়। যার কারণে সহজ সরল অনেক মানুষ সর্বশান্ত হয়েছে। এই প্রতারক চক্র গত কয়েক মাসে প্রায় ৮০ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।#

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019