সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

অসহায় পরিবারের মামলা নেয়নি লালমনিরহাট পুলিশ। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২০ ১৯৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি/ মোঃ মোক্তারুজ্জামান জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা::-

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় দুই সন্তানের জননী ফাতেমা বেগম ২৫ এর হত্যা বিচার চেয়ে মেয়ের কবরে পাশে দাড়িয়ে কাঁদছেন মা ও বাবা। মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে মরদেহ পুনঃময়নাতদন্তের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পরিবার। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের দোয়ানী পিত্তিফাটা গ্রামে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এ হত্যা মামলা চালাতে গিয়ে তারা আজ সর্বস্ব হারিয়েছেন। সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে সু-বিচার পাওয়ার আসায় চেয়ে আছে প্রশাসনের দিকে।সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন তার বড়ভাই মতিউর রহমান এ সময় তার বাবা ও মা উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যে বলেন ১৩ বছর আগে পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ইঞ্জিন পাড়ার কবেদ আলীর ছেলে আব্দুল রাজ্জাককের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পর এক মেয়ে ও এক ছেলে জন্ম হয়। সুখে ছিল পরিবারটি। গত ২০১৮ সালের ১১ নভেম্বর আমার বোন জামাই আব্দুর রাজ্জাক বাড়িতে না থাকায় আমার বোন মোছাঃ ফাতেমা বেগম ২৫ কে রাতের আধারে দুই দেবর ও শশুর মিলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বাড়ির এক কিলো মিটার দুরে শ্মশানঘাট নামক স্থানে পড়েনের শাড়ী দিয়ে গাছে ঝুলিয়ে রেখে পরিবারে লোকজন আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনা স্থালে গেলে তার আত্মহত্যার কারন ও কোন প্রকার আলামত পাইনি পুলিশ। পরে পাটগ্রাম পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট মেডিকেলে পাঠিয়ে দেন। এ ঘটনায় আমার বাবা তমিক উদ্দিন পাটগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করতে চাইলে পুলিশ মামলা নেয়নি। বরং বাবা কাছে স্বাক্ষর নিয়ে একটি ইউডি মামলা করেন। পরে মৃত ফাতেমার বেগমের বাবা তমিজ উদ্দিন বাদী হয়ে লালমনিরহাট বিজ্ঞ আদালতের নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনালে জামাই আব্দুল রাজ্জাক তার দুই দেবর মানিক ও হানিফসহ ৮ জনকে আসামী করে একটি হত্যা ও যেীতুকের মামলা দায়ের করেন। এদিকে প্রায় একমাস পর ময়নাতদন্তের অনুযায়ী আত্মহত্যার মেডিকেল রিপোর্ট আসেন। আত্মহত্যা করেছেন বলে রিপোর্ট আসলে পরিবারে লোকজন তা মেনে নেয়নি। লালমনিরহাট নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনালে বিজ্ঞ আদালত রংপুর পিবিআইকে পুনরায় তদন্তেন জন্য দায়িত্ব প্রদান করেন। পরে রংপুর পিবিআই মামলার সাীদের কথা না শুনে তারাও আত্মহত্যা করেছেন বলে লিখিত প্রদান করেন। এই ঘটনায় বোনের হত্যার বিচার এবং ন্যায়বিচারের জন্য মহামান্য হাইকোর্টে একটি আপিল করলে মহামান্য হাইকোর্টের তা গ্রহন করেন। বর্তমানে মামলাটি মহামান্য হাইকোর্টের চলমান রয়েছে। ন্যায় বিচারের জন্য অসহায় পরিবারটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করে তার মরদেহ পুনরায় ময়না তদন্ত করে প্রকৃত রিপোর্ট ও দোষীদের শাস্তি প্রদান জন্য অনুরোধ করেন। মৃত ফাতেমার মেয়ে রোজিনা আক্তার ৯ বলেন আমার মায়ের হত্যার বিচার চাই আমার মাকে এনে দিন। মৃত ফাতেমার বেগমের বাবা তমিজ উদ্দিন বলেন এক বছর হলো মেয়ের হত্যার বিচার পাইনি। তার সব টাকা দিয়ে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পরিবর্তন করেছেন। তাই আমি আমার মেয়ের পুনরায় ময়নাতদন্তের দাবী জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অসহায় পরিবারের মামলা নেয়নি লালমনিরহাট পুলিশ। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২০

মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি/ মোঃ মোক্তারুজ্জামান জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা::-

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় দুই সন্তানের জননী ফাতেমা বেগম ২৫ এর হত্যা বিচার চেয়ে মেয়ের কবরে পাশে দাড়িয়ে কাঁদছেন মা ও বাবা। মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে মরদেহ পুনঃময়নাতদন্তের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পরিবার। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের দোয়ানী পিত্তিফাটা গ্রামে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এ হত্যা মামলা চালাতে গিয়ে তারা আজ সর্বস্ব হারিয়েছেন। সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে সু-বিচার পাওয়ার আসায় চেয়ে আছে প্রশাসনের দিকে।সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন তার বড়ভাই মতিউর রহমান এ সময় তার বাবা ও মা উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যে বলেন ১৩ বছর আগে পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ইঞ্জিন পাড়ার কবেদ আলীর ছেলে আব্দুল রাজ্জাককের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পর এক মেয়ে ও এক ছেলে জন্ম হয়। সুখে ছিল পরিবারটি। গত ২০১৮ সালের ১১ নভেম্বর আমার বোন জামাই আব্দুর রাজ্জাক বাড়িতে না থাকায় আমার বোন মোছাঃ ফাতেমা বেগম ২৫ কে রাতের আধারে দুই দেবর ও শশুর মিলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বাড়ির এক কিলো মিটার দুরে শ্মশানঘাট নামক স্থানে পড়েনের শাড়ী দিয়ে গাছে ঝুলিয়ে রেখে পরিবারে লোকজন আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনা স্থালে গেলে তার আত্মহত্যার কারন ও কোন প্রকার আলামত পাইনি পুলিশ। পরে পাটগ্রাম পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট মেডিকেলে পাঠিয়ে দেন। এ ঘটনায় আমার বাবা তমিক উদ্দিন পাটগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করতে চাইলে পুলিশ মামলা নেয়নি। বরং বাবা কাছে স্বাক্ষর নিয়ে একটি ইউডি মামলা করেন। পরে মৃত ফাতেমার বেগমের বাবা তমিজ উদ্দিন বাদী হয়ে লালমনিরহাট বিজ্ঞ আদালতের নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনালে জামাই আব্দুল রাজ্জাক তার দুই দেবর মানিক ও হানিফসহ ৮ জনকে আসামী করে একটি হত্যা ও যেীতুকের মামলা দায়ের করেন। এদিকে প্রায় একমাস পর ময়নাতদন্তের অনুযায়ী আত্মহত্যার মেডিকেল রিপোর্ট আসেন। আত্মহত্যা করেছেন বলে রিপোর্ট আসলে পরিবারে লোকজন তা মেনে নেয়নি। লালমনিরহাট নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনালে বিজ্ঞ আদালত রংপুর পিবিআইকে পুনরায় তদন্তেন জন্য দায়িত্ব প্রদান করেন। পরে রংপুর পিবিআই মামলার সাীদের কথা না শুনে তারাও আত্মহত্যা করেছেন বলে লিখিত প্রদান করেন। এই ঘটনায় বোনের হত্যার বিচার এবং ন্যায়বিচারের জন্য মহামান্য হাইকোর্টে একটি আপিল করলে মহামান্য হাইকোর্টের তা গ্রহন করেন। বর্তমানে মামলাটি মহামান্য হাইকোর্টের চলমান রয়েছে। ন্যায় বিচারের জন্য অসহায় পরিবারটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করে তার মরদেহ পুনরায় ময়না তদন্ত করে প্রকৃত রিপোর্ট ও দোষীদের শাস্তি প্রদান জন্য অনুরোধ করেন। মৃত ফাতেমার মেয়ে রোজিনা আক্তার ৯ বলেন আমার মায়ের হত্যার বিচার চাই আমার মাকে এনে দিন। মৃত ফাতেমার বেগমের বাবা তমিজ উদ্দিন বলেন এক বছর হলো মেয়ের হত্যার বিচার পাইনি। তার সব টাকা দিয়ে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পরিবর্তন করেছেন। তাই আমি আমার মেয়ের পুনরায় ময়নাতদন্তের দাবী জানাচ্ছি।