বিয়ের ৪৯ দিনের মাথায় লাশ হল
- আপডেট সময় : ০৬:১৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৩ ৭৮ বার পড়া হয়েছে

আজকের ক্রাইম ডেক্স
৭ বছরের প্রেমের সম্পর্ক। তারপর পারিবারিকভাবে বিয়ে। আর বিয়ের মাত্র ৪৯ দিনের মাথায় লাশ হলেন গৃহবধূ শান্তা ইসলাম (২২)। তার মৃত্যু নিয়ে এলাকায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। কলেজছাত্রী শান্তা উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মো. ওহিদ ফকিরের মেয়ে।
গতকাল বুধবার গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ভাকুড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় ইউডি মামলা হয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ৭ বছর আগে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ভাকুড়ী গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে রিয়াজুল ইসলামের সঙ্গে শান্তা ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে শান্তা শ্বশুরবাড়িতে থাকেতন।
শান্তা গোপালগঞ্জ সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। তার স্বামী রিয়াজুল মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা পল্লী বিদ্যুতে চাকরি করেন।
গতকাল বুধবার রিয়াজুল ছুটিতে বাড়ি আসেন। সন্ধ্যায় ইফতারের পর শান্তা গলায় ফাঁস দেয় বলে রিয়াজুল তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের ফোনে জানান । পরে শান্তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শান্তার বাবার অভিযোগ, তার মেয়েকে হত্যার পর আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিচ্ছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তবে এ ব্যাপারে রিয়াজুল ইসলামের ফোনে কল করলে তা বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
থানার এসআই সজিব জনান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।


























