সংবাদ শিরোনাম ::
ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী”

বাবা-মাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩ ৮০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

সিলেটের গোলাপগঞ্জে বাবা ও মাকে হত্যার দায়ে আতিকুর রহমান রাহেল (৩৬) নামে একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সিলেটের দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র বিচারক মশিউর রহমান চৌধুরী এ আদেশ দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আতিকুর রহমান রাহেল গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিণ ইউনিয়নের সুনামপুর গ্রামের আবদুল করিম খান ওরফে ঠাকুর মনার ছেলে। রাহেল ২০২০ সালের ২৭ মার্চ জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তার বাবা আবদুল করিম খান (৬০) ও মা মিনারা বেগমকে (৪৫) কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণাকালে রাহেল আদালতে উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিজাম উদ্দিন।

পিপি নিজাম উদ্দিন জানান, হত্যাকাণ্ডের পর নিহত দম্পতির অপর ছেলে দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা করেন। পরদিনই পুলিশ অভিযুক্ত রাহেলকে আটক করে।

পিপি নিজাম উদ্দিন মামলার উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, ঘটনার দিন সকালে আবদুল করিম খানের ছেলে আতিকুর রহমান রাহেল বাড়ির সামনের গাছ কাটতে গেলে তার বাবামা বাধা দেন। বাগবিতন্ডার এক পর্যায়ে রাহেল উত্তেজিত হয়ে হাতে থাকা কোদাল ও দা দিয়ে তার বাবা-মাকে কুপিয়ে আহত করেন। এতে ঘটনাস্থলে বাবা ও কয়েকদিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মা মারা যান ।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার পর তদন্ত কর্মকর্তা রাহেলকে একমাত্র আসামি করে ২০২১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। গত বছরের ২০ জুন বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ রায় দিয়েছেন।

এদিকে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবা-মাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ১১:৪১:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩

আজকের ক্রাইম ডেক্স

সিলেটের গোলাপগঞ্জে বাবা ও মাকে হত্যার দায়ে আতিকুর রহমান রাহেল (৩৬) নামে একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সিলেটের দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র বিচারক মশিউর রহমান চৌধুরী এ আদেশ দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আতিকুর রহমান রাহেল গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিণ ইউনিয়নের সুনামপুর গ্রামের আবদুল করিম খান ওরফে ঠাকুর মনার ছেলে। রাহেল ২০২০ সালের ২৭ মার্চ জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তার বাবা আবদুল করিম খান (৬০) ও মা মিনারা বেগমকে (৪৫) কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণাকালে রাহেল আদালতে উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিজাম উদ্দিন।

পিপি নিজাম উদ্দিন জানান, হত্যাকাণ্ডের পর নিহত দম্পতির অপর ছেলে দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা করেন। পরদিনই পুলিশ অভিযুক্ত রাহেলকে আটক করে।

পিপি নিজাম উদ্দিন মামলার উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, ঘটনার দিন সকালে আবদুল করিম খানের ছেলে আতিকুর রহমান রাহেল বাড়ির সামনের গাছ কাটতে গেলে তার বাবামা বাধা দেন। বাগবিতন্ডার এক পর্যায়ে রাহেল উত্তেজিত হয়ে হাতে থাকা কোদাল ও দা দিয়ে তার বাবা-মাকে কুপিয়ে আহত করেন। এতে ঘটনাস্থলে বাবা ও কয়েকদিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মা মারা যান ।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার পর তদন্ত কর্মকর্তা রাহেলকে একমাত্র আসামি করে ২০২১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। গত বছরের ২০ জুন বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ রায় দিয়েছেন।

এদিকে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।