সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

বানরীপাড়া মাদকের ব্যাপক রমরমা ব্যবসা চলছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০১৯ ২৫৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেক্স বানারীপাড়ায় মাদকের রমরমা ব্যবসা! দৈনিকই চলছে এমনটা! বিস্মিত অভিভাবক। উল্টো প্যাচের ভয়ে মুখে কুলুপ এটেছেন সাধারণ মানুষ। অনুসন্ধান করে এমনটিই জানাগেছে। আর এই মাদকের রমরমা ব্যবসা চলছে খোদ বানারীপাড়া পৌর শহরের ১নং ওয়ার্ডে। বানারীপাড়া-চাখার আঞ্চলিক সড়ক হয়ে পৌর শহরের ১নং ওয়ার্ডের (পুর্ব দিকে যেতে) শেষ সীমানায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওখানকার অনেক বাসিন্দারা জানান, মো. খাদেম হোসেনের স্ব-মিলে যাওয়ার রাস্তা হয়ে বাড়ির ভিতরের রাস্তা,চেয়ারম্যান বাড়ির ব্রিজ হয়ে মহিষাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার রাস্তা,খালাসী বাড়ি যেতে ব্যবহৃত রাস্তা এবং কিছু ক্ষেত্রে রিক্সার ড্রাইভারদের ব্যবহার করাসহ পথচারী সেজে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছে বীর দর্পে। বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে মোটরসাইকেল। এই চক্রটিই নাকি উপজেলার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছে এমনও তথ্য উঠে এসেছে অনুসন্ধানে।

মাদক কেনা বেচায় বেশির ভাগ সময়ই বিকাশ নম্বর ব্যবহার করা হচ্ছে এমনটিও উঠে এসেছে অনুসন্ধানে। কাল-ক্রমে মাদক ব্যবসায়ীদের এবং সেবনকারিদের সাথে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন সদস্য। ফলে পরিবারের একজন সদসস্যের কারণে বিপদের দিকে দাবিত হচ্ছে পুরো একটি পরিবার।

আরও জানাগেছে উপজেলার মাদক ব্যবসায় আলোচিত নাম সোহেল তার ব্যবসায় বর্তমানে যুক্ত করেছে স¤্রাট নামের এক যুবককে। জানাগেছে সে আগে বানারীপাড়া-চাখার সড়কে রিক্সা চালাতো। বর্তমানে সে কোন কাজ করছে না। সোহেলের মাদক এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় দিয়ে আসাই তার কাজ। তার বাবা মালেক বন্দর বাজার সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ঝাঁলমুড়ি বিক্রি করতো বর্তমানে তাকে এ এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।

এছাড়াও আরও কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে ওই এলাকায়,ওনাদের আবার শেল্টারদাতাও রয়েছে তাদের ভয়ে এলাকাবাসী সহ সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে বা তাদের বারণ করতে সাহস পাচ্ছেনা বলেও অনুসন্ধানে জানাগেছে। ওখানকার কয়েকজন বাসিন্দারা জানান চোখের সামনে দেখছি মাদকের ব্যবসা হচ্ছে এই এলাকায় তবে উল্টো প্যাচের (নিজেরাই ফেঁসে যাবার) ভয়ে তারা কিছু বলতে পারছেন না। এই যখন অবস্থ্যা তখন এলাকার যুব সমাজকে বাঁচাতে ওই এলাকায় প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধি করার দাবী উঠেছে সচেতন মহল থেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বানরীপাড়া মাদকের ব্যাপক রমরমা ব্যবসা চলছে

আপডেট সময় : ০৪:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০১৯

অনলাইন ডেক্স বানারীপাড়ায় মাদকের রমরমা ব্যবসা! দৈনিকই চলছে এমনটা! বিস্মিত অভিভাবক। উল্টো প্যাচের ভয়ে মুখে কুলুপ এটেছেন সাধারণ মানুষ। অনুসন্ধান করে এমনটিই জানাগেছে। আর এই মাদকের রমরমা ব্যবসা চলছে খোদ বানারীপাড়া পৌর শহরের ১নং ওয়ার্ডে। বানারীপাড়া-চাখার আঞ্চলিক সড়ক হয়ে পৌর শহরের ১নং ওয়ার্ডের (পুর্ব দিকে যেতে) শেষ সীমানায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওখানকার অনেক বাসিন্দারা জানান, মো. খাদেম হোসেনের স্ব-মিলে যাওয়ার রাস্তা হয়ে বাড়ির ভিতরের রাস্তা,চেয়ারম্যান বাড়ির ব্রিজ হয়ে মহিষাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার রাস্তা,খালাসী বাড়ি যেতে ব্যবহৃত রাস্তা এবং কিছু ক্ষেত্রে রিক্সার ড্রাইভারদের ব্যবহার করাসহ পথচারী সেজে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছে বীর দর্পে। বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে মোটরসাইকেল। এই চক্রটিই নাকি উপজেলার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছে এমনও তথ্য উঠে এসেছে অনুসন্ধানে।

মাদক কেনা বেচায় বেশির ভাগ সময়ই বিকাশ নম্বর ব্যবহার করা হচ্ছে এমনটিও উঠে এসেছে অনুসন্ধানে। কাল-ক্রমে মাদক ব্যবসায়ীদের এবং সেবনকারিদের সাথে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন সদস্য। ফলে পরিবারের একজন সদসস্যের কারণে বিপদের দিকে দাবিত হচ্ছে পুরো একটি পরিবার।

আরও জানাগেছে উপজেলার মাদক ব্যবসায় আলোচিত নাম সোহেল তার ব্যবসায় বর্তমানে যুক্ত করেছে স¤্রাট নামের এক যুবককে। জানাগেছে সে আগে বানারীপাড়া-চাখার সড়কে রিক্সা চালাতো। বর্তমানে সে কোন কাজ করছে না। সোহেলের মাদক এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় দিয়ে আসাই তার কাজ। তার বাবা মালেক বন্দর বাজার সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ঝাঁলমুড়ি বিক্রি করতো বর্তমানে তাকে এ এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।

এছাড়াও আরও কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে ওই এলাকায়,ওনাদের আবার শেল্টারদাতাও রয়েছে তাদের ভয়ে এলাকাবাসী সহ সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে বা তাদের বারণ করতে সাহস পাচ্ছেনা বলেও অনুসন্ধানে জানাগেছে। ওখানকার কয়েকজন বাসিন্দারা জানান চোখের সামনে দেখছি মাদকের ব্যবসা হচ্ছে এই এলাকায় তবে উল্টো প্যাচের (নিজেরাই ফেঁসে যাবার) ভয়ে তারা কিছু বলতে পারছেন না। এই যখন অবস্থ্যা তখন এলাকার যুব সমাজকে বাঁচাতে ওই এলাকায় প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধি করার দাবী উঠেছে সচেতন মহল থেকে।