সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

প্রয়াত মুকুল বোসকে ফিরে দেখা …….. আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক পদের দাম দুটি প্যারাডো-গাড়ির সমান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই ২০২২ ৯৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোহেল সানি

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের দৌড়ঝাঁপ এখনো চোখে ভাসছে। বলছি ওয়ান ইলেভেনে সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল গ্রেফতার। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। হায়! তিনিও গ্রেফতার! সমাসীন এবার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের আসনে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। হঠাৎ তিনি উধাও। শোনা গেলো লন্ডনে যাবার উদ্দেশ্যে আছে। শেখ রেহানার পরামর্শে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন তিনি। এবার ভারপ্রাপ্তের আসনে সমাসীন মুকুল বোস, তিন নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুকুল বোস। মিডিয়া সরগরম করে, সংস্কারের পক্ষে আগুনঝরা সব বুলি আউড়ে। কাদের-আশরাফ সংস্কারের পক্ষে-বিপক্ষে কোন স্রোতে না। শেখ হাসিনা গ্রেফতার হবেন হবেন গুজব গুঞ্জন চারদিকে। ভারপ্রাপ্ত হিসাবে মুকুল বোস সর্বেসর্বা। বাকশাল আওয়ামী লীগে একীভূত হলে মুকুল বোস রাজ্জাক পন্থা ছেড়ে আমুপন্থী হয়ে ওঠেন। প্রেসিডিয়ামের সর্বাপেক্ষা জাঁদরেল মেতা আমির হোসেন আমু তখন। দোর্দণ্ডপ্রতাপ। সেনাসমর্থিত সরকার প্রধানমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ও উপপ্রধান মন্ত্রী আঃ মান্নান ভূইয়া, এসব মুখরোচক খবর বেরুচ্ছে । রাজ্জাক, মতিয়া গ্রুপ আমু বলয়ের বাইরে। সাংগঠনিক সম্পাদক সাবের হোসেন চৌধুরীর বাসায় সংস্কারপন্থীরা জড়ো হলে তার গুরুত্ব বাড়ে। মুকুল বোসকে সরিয়ে ভারপ্রাপ্তের আসন চাই সাবেরের। গোয়েন্দা সংস্থা প্রস্তাব নিয়ে গেলো মুকুল বোসের বাসায়। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদ ছাড়তে হবে। স্বাস্থ্যগত কারণে নয়তো বিদেশে চলে যেতে হবে। দেখেন না শীর্ষ নেতারা কারাগারে। ভয় প্রদর্শন করা হলো। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর নির্যাতনের সেই বিভীষিকার কথা স্মৃতিতে ভাসলো তার। ওস্তাদ (আমু) -কে জানালেন তিনি। অভয়বাণীতে ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত হলেন। আবার গোয়েন্দা কল। এবার সোজাসাপটা কথা আপনি পদ ছাড়ুন, এক নম্বর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হবেন সাবের হোসেন চৌধুরী। বিনিময়ে সাবের হোসেন চৌধুরীর পক্ষ থেকে প্যারাডো গাড়ি পাবেন, প্রয়োজনে দুটো। তৃতীয় বার রায়ের বাজারস্থ বাসায় গেলো সশস্ত্র দল। মুকুল বোস বললেন দলের দুঃসময়ে আমি দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিতে পারি না। স্যরি, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদ ছাড়া সম্ভব নয়। এর আগে আমাকে দেখতে পঙ্গু হাসপাতালে ছুটে এসেছিলেন আমির হোসেন আমু ও মুকুল বোস। যাহোক মুকুল বোস আমাকে সব বললে গুনীমান্য সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খানের দৈনিক আমাদের সময়। মুকুল বোসের বরাত দিয়ে রিপোর্ট করে পাঠালাম। শিরোনামটি “আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক পদের দাম দুটি প্যারাডো গাড়ির দামের সমান? সেনাসমর্থিত ফখরুদ্দিন সরকার “টু মাইনাস থিউরি” বাস্তবায়নে মরিয়া। সংস্কারপন্থীরা গিলেছেও অনেকটা। মুকুল বোস দলীয় সভানেত্রীর বিকল্প হতেই পারে, মর্মে বক্তব্য দিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েন। আওয়ামী লীগের বর্ধিতসভায় সংস্কারপন্থীরা তোপের মুখে পড়েন। কেন্দ্রীয় কমিটিতে যে দৃশ্যপট ছিলো জেলা নেতাদের বর্ধিত সভায় তা পাল্টে যায়। মুকুল বোস লাঞ্ছিত হন। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দেশে ফিরে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক। শুরু হয় নতুন মোড়কে শেখ হাসিনা মুক্তি আন্দোলন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেনাদের-ছাত্রদের সংঘর্ষে, বৈদেশিক চাপ সরকারকে নতিস্বীকার করে মুক্তি দিতে হয় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও বিএনপি নেতা বেগম খালেদা জিয়াকে। ২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দুই-তৃতীয়াংশ আসন পায়। মুকুল বোসের সঙ্গে আচরণের প্রতিক্রিয়া নিশ্চয়ই সাবের হোসেন চৌধুরীর কথিত সাদামনটাকে কালিমালিপ্ত করে দিয়েছে। ওয়ান ইলেভেনে বিতর্কিত ভুমিকার কারণে সংসদ সদস্য হিসাবে শপথগ্রহণের আগেই সাবের চৌধুরী হারান শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সচিবের পদ। আওয়ামী

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রয়াত মুকুল বোসকে ফিরে দেখা …….. আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক পদের দাম দুটি প্যারাডো-গাড়ির সমান

আপডেট সময় : ১১:৫৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই ২০২২

সোহেল সানি

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের দৌড়ঝাঁপ এখনো চোখে ভাসছে। বলছি ওয়ান ইলেভেনে সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল গ্রেফতার। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। হায়! তিনিও গ্রেফতার! সমাসীন এবার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের আসনে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। হঠাৎ তিনি উধাও। শোনা গেলো লন্ডনে যাবার উদ্দেশ্যে আছে। শেখ রেহানার পরামর্শে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন তিনি। এবার ভারপ্রাপ্তের আসনে সমাসীন মুকুল বোস, তিন নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুকুল বোস। মিডিয়া সরগরম করে, সংস্কারের পক্ষে আগুনঝরা সব বুলি আউড়ে। কাদের-আশরাফ সংস্কারের পক্ষে-বিপক্ষে কোন স্রোতে না। শেখ হাসিনা গ্রেফতার হবেন হবেন গুজব গুঞ্জন চারদিকে। ভারপ্রাপ্ত হিসাবে মুকুল বোস সর্বেসর্বা। বাকশাল আওয়ামী লীগে একীভূত হলে মুকুল বোস রাজ্জাক পন্থা ছেড়ে আমুপন্থী হয়ে ওঠেন। প্রেসিডিয়ামের সর্বাপেক্ষা জাঁদরেল মেতা আমির হোসেন আমু তখন। দোর্দণ্ডপ্রতাপ। সেনাসমর্থিত সরকার প্রধানমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ও উপপ্রধান মন্ত্রী আঃ মান্নান ভূইয়া, এসব মুখরোচক খবর বেরুচ্ছে । রাজ্জাক, মতিয়া গ্রুপ আমু বলয়ের বাইরে। সাংগঠনিক সম্পাদক সাবের হোসেন চৌধুরীর বাসায় সংস্কারপন্থীরা জড়ো হলে তার গুরুত্ব বাড়ে। মুকুল বোসকে সরিয়ে ভারপ্রাপ্তের আসন চাই সাবেরের। গোয়েন্দা সংস্থা প্রস্তাব নিয়ে গেলো মুকুল বোসের বাসায়। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদ ছাড়তে হবে। স্বাস্থ্যগত কারণে নয়তো বিদেশে চলে যেতে হবে। দেখেন না শীর্ষ নেতারা কারাগারে। ভয় প্রদর্শন করা হলো। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর নির্যাতনের সেই বিভীষিকার কথা স্মৃতিতে ভাসলো তার। ওস্তাদ (আমু) -কে জানালেন তিনি। অভয়বাণীতে ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত হলেন। আবার গোয়েন্দা কল। এবার সোজাসাপটা কথা আপনি পদ ছাড়ুন, এক নম্বর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হবেন সাবের হোসেন চৌধুরী। বিনিময়ে সাবের হোসেন চৌধুরীর পক্ষ থেকে প্যারাডো গাড়ি পাবেন, প্রয়োজনে দুটো। তৃতীয় বার রায়ের বাজারস্থ বাসায় গেলো সশস্ত্র দল। মুকুল বোস বললেন দলের দুঃসময়ে আমি দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিতে পারি না। স্যরি, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদ ছাড়া সম্ভব নয়। এর আগে আমাকে দেখতে পঙ্গু হাসপাতালে ছুটে এসেছিলেন আমির হোসেন আমু ও মুকুল বোস। যাহোক মুকুল বোস আমাকে সব বললে গুনীমান্য সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খানের দৈনিক আমাদের সময়। মুকুল বোসের বরাত দিয়ে রিপোর্ট করে পাঠালাম। শিরোনামটি “আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক পদের দাম দুটি প্যারাডো গাড়ির দামের সমান? সেনাসমর্থিত ফখরুদ্দিন সরকার “টু মাইনাস থিউরি” বাস্তবায়নে মরিয়া। সংস্কারপন্থীরা গিলেছেও অনেকটা। মুকুল বোস দলীয় সভানেত্রীর বিকল্প হতেই পারে, মর্মে বক্তব্য দিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েন। আওয়ামী লীগের বর্ধিতসভায় সংস্কারপন্থীরা তোপের মুখে পড়েন। কেন্দ্রীয় কমিটিতে যে দৃশ্যপট ছিলো জেলা নেতাদের বর্ধিত সভায় তা পাল্টে যায়। মুকুল বোস লাঞ্ছিত হন। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দেশে ফিরে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক। শুরু হয় নতুন মোড়কে শেখ হাসিনা মুক্তি আন্দোলন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেনাদের-ছাত্রদের সংঘর্ষে, বৈদেশিক চাপ সরকারকে নতিস্বীকার করে মুক্তি দিতে হয় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও বিএনপি নেতা বেগম খালেদা জিয়াকে। ২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দুই-তৃতীয়াংশ আসন পায়। মুকুল বোসের সঙ্গে আচরণের প্রতিক্রিয়া নিশ্চয়ই সাবের হোসেন চৌধুরীর কথিত সাদামনটাকে কালিমালিপ্ত করে দিয়েছে। ওয়ান ইলেভেনে বিতর্কিত ভুমিকার কারণে সংসদ সদস্য হিসাবে শপথগ্রহণের আগেই সাবের চৌধুরী হারান শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সচিবের পদ। আওয়ামী