সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড বরিশালে ডেলটা লাইফ ইনসিওরেন্সের একক বীমার বিশেষ উন্নয়ন সভা অনুণ্ঠিত নানা আয়োজনে ঝালকাঠিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত ঝালকাঠি জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ ঝালকাঠি জেলা পরিষদের জমি ইজারা নিয়ে গণশুনানি, অবৈধ দখল উচ্ছেদের ঘোষণা বিষখালী নদীতে মৎস্য অভিযান, আটক ৫ ৪০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ৫ জনের কারাদণ্ড অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ‘অর্ণব’, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

যৌন হয়রানির পর পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ৩২৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক::: চলন্ত বাসে সিটের ফাঁক দিয়ে দুই বোনকে যৌন হয়রানি করছিলেন পেছনের সিটে বসা ইসমাইল হোসেন (২৫) নামের এক যুবক। এ সময় এক বোন চিৎকার শুরু করলে বাসের অন্য যাত্রীরা তাকে ধরে পুলিশের দেয়ার চেষ্টা করে। আর পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে চলন্ত বাস থেকে লাফ দিয়ে পালাতে গিয়ে পেছন থেকে আসা অন্য বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরীর শাহ আমানত সেতুর বাকলিয়া থানার অংশে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় বাসের সহকারী মো. আজিজুর রহমান সাকিব, দুই বোন ও তাদের এক বোনের ছেলেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে বাকলিয়া থানার পুলিশ। সেখানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানান বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নেজাম উদ্দিন।

তিনি বলেন, বাসের সহকারী আজিজসহ আটক চারজনের বক্তব্য নিয়েছি আমরা। চারজনের বক্তব্যই প্রায় অভিন্ন। তারা জানিয়েছেন, দুই বোন ও এক বোনের ছেলে পটিয়া থেকে শহরের বাসে ওঠেন। দুই বোনের সামনের আসনে ছেলে বসেন এবং পেছনের সিটে ছিলেন ইসমাইল।

ইসমাইল বারবার পেছন থেকে সামনের সিটের মাঝখানের ফাঁকা জায়গা দিয়ে দুই বোনের গায়ে হাত দিচ্ছিলেন। তারা বিষয়টি সামনের সিটে বসা বোনের ছেলেকে জানান এবং এক বোন চিৎকার শুরু করেন। এ সময় হট্টগোল শুরু হয়। কেউ কেউ ৯৯৯-এ ফোন দেয়ার কথা বলেন। কয়েকজন গিয়ে ইসমাইলকে ধরে ফেলেন। কিন্তু ইসমাইল পালাতে গিয়ে চলন্ত বাস থেকে লাফ দেন।

চালকের সহকারী আজিজের বক্তব্য হচ্ছে, তিনি দরজার কাছে ছিলেন। বাস যখন সেতুর ওপর ওঠে, হঠাৎ ইসমাইল দ্রুত এসে দরজা দিয়ে লাফ দেন। এ সময় ওই বাসের পেছনের চাকায় পিষ্ট হয়ে তার মৃত্যু হয়।

ওসি বলেন, আটক চারজনের বক্তব্য এবং প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের কথার মধ্যে মিল পাওয়া গেছে। তবে আমরা তদন্ত করে দেখছি তাকে বাস থেকে ধাক্কা দেয়া হয়েছে কি না। মৃতের স্বজনদের থানায় আসতে বলা হয়েছে। মৃত ইসমাইল (২৫) চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার পশ্চিম ডলু গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে বলে শনাক্ত করেছেন বাসযাত্রীরা।

বাকলিয়া থানার এসআই কারিমুজ্জামান জানান, ইসমাইল সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাট এলাকায় ড্রিম রি-রোলিং নামের একটি কারখানায় কাজ করেন। তার লাশ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যৌন হয়রানির পর পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০১:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক::: চলন্ত বাসে সিটের ফাঁক দিয়ে দুই বোনকে যৌন হয়রানি করছিলেন পেছনের সিটে বসা ইসমাইল হোসেন (২৫) নামের এক যুবক। এ সময় এক বোন চিৎকার শুরু করলে বাসের অন্য যাত্রীরা তাকে ধরে পুলিশের দেয়ার চেষ্টা করে। আর পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে চলন্ত বাস থেকে লাফ দিয়ে পালাতে গিয়ে পেছন থেকে আসা অন্য বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরীর শাহ আমানত সেতুর বাকলিয়া থানার অংশে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় বাসের সহকারী মো. আজিজুর রহমান সাকিব, দুই বোন ও তাদের এক বোনের ছেলেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে বাকলিয়া থানার পুলিশ। সেখানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানান বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নেজাম উদ্দিন।

তিনি বলেন, বাসের সহকারী আজিজসহ আটক চারজনের বক্তব্য নিয়েছি আমরা। চারজনের বক্তব্যই প্রায় অভিন্ন। তারা জানিয়েছেন, দুই বোন ও এক বোনের ছেলে পটিয়া থেকে শহরের বাসে ওঠেন। দুই বোনের সামনের আসনে ছেলে বসেন এবং পেছনের সিটে ছিলেন ইসমাইল।

ইসমাইল বারবার পেছন থেকে সামনের সিটের মাঝখানের ফাঁকা জায়গা দিয়ে দুই বোনের গায়ে হাত দিচ্ছিলেন। তারা বিষয়টি সামনের সিটে বসা বোনের ছেলেকে জানান এবং এক বোন চিৎকার শুরু করেন। এ সময় হট্টগোল শুরু হয়। কেউ কেউ ৯৯৯-এ ফোন দেয়ার কথা বলেন। কয়েকজন গিয়ে ইসমাইলকে ধরে ফেলেন। কিন্তু ইসমাইল পালাতে গিয়ে চলন্ত বাস থেকে লাফ দেন।

চালকের সহকারী আজিজের বক্তব্য হচ্ছে, তিনি দরজার কাছে ছিলেন। বাস যখন সেতুর ওপর ওঠে, হঠাৎ ইসমাইল দ্রুত এসে দরজা দিয়ে লাফ দেন। এ সময় ওই বাসের পেছনের চাকায় পিষ্ট হয়ে তার মৃত্যু হয়।

ওসি বলেন, আটক চারজনের বক্তব্য এবং প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের কথার মধ্যে মিল পাওয়া গেছে। তবে আমরা তদন্ত করে দেখছি তাকে বাস থেকে ধাক্কা দেয়া হয়েছে কি না। মৃতের স্বজনদের থানায় আসতে বলা হয়েছে। মৃত ইসমাইল (২৫) চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার পশ্চিম ডলু গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে বলে শনাক্ত করেছেন বাসযাত্রীরা।

বাকলিয়া থানার এসআই কারিমুজ্জামান জানান, ইসমাইল সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাট এলাকায় ড্রিম রি-রোলিং নামের একটি কারখানায় কাজ করেন। তার লাশ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।