সংবাদ শিরোনাম ::
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ‘অর্ণব’, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ভাণ্ডারিয়ায় সরকারি গাছ কাটার মামলার ১ নম্বর আসামি গ্রেপ্তার ভাণ্ডারিয়ায় মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধ মঞ্চ থেকে ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও লিফলেট প্রদান বরিশালে থানার সংখ্যা দ্বিগুণের পরিকল্পনা, হবে আরও ৪ থানা বরিশালে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় প্রশ্নপত্র ফাঁসে পরীক্ষা স্থগিত, তদন্ত কমিটি গঠন ফেসবুক লাইভে বিএনপি সরকারের সমালোচনা, সেই নারী উদ্যোক্তা কারাগারে ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানের ঘটনায় সন্দেহজনক দোষারোপ করে প্রতিবেশী দম্পতিকে মারধর ঝালকাঠিতে ফুটপাত দখল ও অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদের দাবিতে মানববন্ধন কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আবু নাসের রহমাতুল্লাহ

সিলেটে বড় ধরণের বন্যার আশঙ্কা !! হাওর থেকে দ্রুত ধান কাটার আহ্বান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৩:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০২২ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: প্রতিদিন সিলেটে নদ নদীগুলো পানি বাড়তে শুরু হয়েছে। সিলেটে বৃষ্টিপাত না থাকলে এতো পানি কেন বাড়ছে ও হাওরের ধান বণ্যার পানিতে তালিয়ে যাচ্ছে কেন ? এসব প্রশ্নের উত্তর খুজতে গিয়ে দেখা যায় দেশের উত্তর এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চল, তদসংলগ্ন ভারতের আসাম এবং মেঘালয়ে প্রতিদিন বৃষ্টি হচ্ছে এব পানি বাড়ছে। আর সেই পানি সেখানকার বড় বড় বাধ বেঙে বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করছে। আগামী রোববার (১৭ এপ্রিল) পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সুনামগঞ্জের সুরমা, কুশিয়ারা, যাদুকাটার কয়েকটি পয়েন্টের পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।
এ অবস্থায় জেলার সব কৃষককে যত দ্রুত সম্ভব ধান কেটে ফেলার জন্য অনুরোধ করেছেন জেলা প্রশাসকরা।
সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর ও অন্যান্য বৈশ্বিক আবহাওয়া সংস্থাসমূহের পূর্বাভাস অনুযায়ী ১০ এপ্রিল থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশের উত্তর এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চল, তদসংলগ্ন ভারতের আসাম এবং মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সুরমা, কুশিয়ারা, যাদুকাটার কয়েকটি পয়েন্টের পানি বিপৎসীমানা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ অবস্থায় সকলকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার সহকারে যত দ্রুত সম্ভব ধান কেটে ফেলার নির্দেশনা দেওয়া হলো।
এতে আরও বলা হয়, কোথাও কোনো স্থানে যদি ফসল রক্ষা বাঁধে ফাটল দেখা দেয় অথবা বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয় যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের প্রধান আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী সম্প্রতি জানিয়েছিলেন, সিলেট এবং উজানে বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ অনুযায়ী গত দুদিন ধরে সিলেটে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এ কারণে বাড়বে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিলেটে বড় ধরণের বন্যার আশঙ্কা !! হাওর থেকে দ্রুত ধান কাটার আহ্বান

আপডেট সময় : ০৭:৪৩:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০২২

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: প্রতিদিন সিলেটে নদ নদীগুলো পানি বাড়তে শুরু হয়েছে। সিলেটে বৃষ্টিপাত না থাকলে এতো পানি কেন বাড়ছে ও হাওরের ধান বণ্যার পানিতে তালিয়ে যাচ্ছে কেন ? এসব প্রশ্নের উত্তর খুজতে গিয়ে দেখা যায় দেশের উত্তর এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চল, তদসংলগ্ন ভারতের আসাম এবং মেঘালয়ে প্রতিদিন বৃষ্টি হচ্ছে এব পানি বাড়ছে। আর সেই পানি সেখানকার বড় বড় বাধ বেঙে বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করছে। আগামী রোববার (১৭ এপ্রিল) পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সুনামগঞ্জের সুরমা, কুশিয়ারা, যাদুকাটার কয়েকটি পয়েন্টের পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।
এ অবস্থায় জেলার সব কৃষককে যত দ্রুত সম্ভব ধান কেটে ফেলার জন্য অনুরোধ করেছেন জেলা প্রশাসকরা।
সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর ও অন্যান্য বৈশ্বিক আবহাওয়া সংস্থাসমূহের পূর্বাভাস অনুযায়ী ১০ এপ্রিল থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশের উত্তর এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চল, তদসংলগ্ন ভারতের আসাম এবং মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সুরমা, কুশিয়ারা, যাদুকাটার কয়েকটি পয়েন্টের পানি বিপৎসীমানা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ অবস্থায় সকলকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার সহকারে যত দ্রুত সম্ভব ধান কেটে ফেলার নির্দেশনা দেওয়া হলো।
এতে আরও বলা হয়, কোথাও কোনো স্থানে যদি ফসল রক্ষা বাঁধে ফাটল দেখা দেয় অথবা বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয় যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের প্রধান আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী সম্প্রতি জানিয়েছিলেন, সিলেট এবং উজানে বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ অনুযায়ী গত দুদিন ধরে সিলেটে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এ কারণে বাড়বে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি।