সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

ঝালকাঠিতে এক কিশোরীকে আটকে রেখে ১৯ দিন ধরে ধর্ষণে। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ ৩১৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিউজ ডেস্ক::ঝালকাঠিতে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণের পর আটকে রেখে ১৯ দিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে সাবেক ইউপি সদস্য এমদাদের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের ঘটনা মোবাইল ফোনে ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হুমকিও দেওয়া হয়েছে ওই কিশোরীকে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ধর্ষনের শিকার কিশোরী জানায়, গত ১৫ নভেম্বর সদর উপজেলার বাউকাঠি গ্রামের বাড়ি থেকে পিপলিতা গ্রামে ফুপুর বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিল। এসময় নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য প্রতিবেশী এমদাদুল কিশোরীকে জোর করে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সংলগ্ন বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষনের ঘটনা এমদাদুলের আত্মীয় বর্ষা নামে একটি মেয়ে মোবাইল ফোনে ভিডিও করে।

এমাদুল ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে একাধিকবার কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে এমাদুল ওই কিশোরীকে অপহরণ করে বাকেরগঞ্জের বোয়ালিয়া গ্রামে ফাতেমা নামের এক নারীর বাসায় প্রায় ১৯ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এমনকি ফাতেমা নামের ওই নারী অন্য পুরুষ এনে কিশোরীকে নির্যাতন করাতো।

গত ৫ ডিসেম্বর কিশোরীটি সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে শহরের পূর্বচাঁদকাঠি এলাকায় আসে। সেখানের স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। একদিন থানায় থাকার পর শুক্রবার রাতে মেয়েটিকে তার বাবার হাতে তুলে দেয় পুলিশ।

এদিকে মেয়ে নিখোঁজের ঘটনায় বাবা ঝালকাঠি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। এমদাদুল থলপহরী প্রভাবশালী হওয়ায় ধর্ষণের শিকার মেয়েটি ও তার পরিবার বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ ঘটনায় তারা থানায় মামলা না করার জন্য এমদাদুল ও তার পরিবারের লোকজন চাপ দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন নির্যাতিতর পরিবার।

ঝালকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান ফয়সাল, এ ঘটনায় নির্যাতিত ওই পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝালকাঠিতে এক কিশোরীকে আটকে রেখে ১৯ দিন ধরে ধর্ষণে। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ১০:৩০:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯

নিউজ ডেস্ক::ঝালকাঠিতে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণের পর আটকে রেখে ১৯ দিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে সাবেক ইউপি সদস্য এমদাদের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের ঘটনা মোবাইল ফোনে ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হুমকিও দেওয়া হয়েছে ওই কিশোরীকে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ধর্ষনের শিকার কিশোরী জানায়, গত ১৫ নভেম্বর সদর উপজেলার বাউকাঠি গ্রামের বাড়ি থেকে পিপলিতা গ্রামে ফুপুর বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিল। এসময় নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য প্রতিবেশী এমদাদুল কিশোরীকে জোর করে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সংলগ্ন বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষনের ঘটনা এমদাদুলের আত্মীয় বর্ষা নামে একটি মেয়ে মোবাইল ফোনে ভিডিও করে।

এমাদুল ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে একাধিকবার কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে এমাদুল ওই কিশোরীকে অপহরণ করে বাকেরগঞ্জের বোয়ালিয়া গ্রামে ফাতেমা নামের এক নারীর বাসায় প্রায় ১৯ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এমনকি ফাতেমা নামের ওই নারী অন্য পুরুষ এনে কিশোরীকে নির্যাতন করাতো।

গত ৫ ডিসেম্বর কিশোরীটি সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে শহরের পূর্বচাঁদকাঠি এলাকায় আসে। সেখানের স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। একদিন থানায় থাকার পর শুক্রবার রাতে মেয়েটিকে তার বাবার হাতে তুলে দেয় পুলিশ।

এদিকে মেয়ে নিখোঁজের ঘটনায় বাবা ঝালকাঠি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। এমদাদুল থলপহরী প্রভাবশালী হওয়ায় ধর্ষণের শিকার মেয়েটি ও তার পরিবার বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ ঘটনায় তারা থানায় মামলা না করার জন্য এমদাদুল ও তার পরিবারের লোকজন চাপ দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন নির্যাতিতর পরিবার।

ঝালকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান ফয়সাল, এ ঘটনায় নির্যাতিত ওই পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’