সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

ইউএনও’র মামলায় হুকুমের আসামি হলেন মেয়র সাদিক।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২১ ৭৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স :: বরিশাল সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সরকারি বাসভবনে হামলা এবং সংঘর্ষের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা করেছেন ইউএনও ও পুলিশ। এতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৩০ নেতাকর্মীসহ শতাধিক অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ইউএনও’র মামলায় হুকুমের আসামি করা হয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে।

আজ বৃহস্পতিবার রিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাটি করেন সদর উপজেলা ইউএনও মুনিবুর রহমান। এ ছাড়া সরকারি কাজে বাঁধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে একই থানায় আরেকটি মামলা করে পুলিশ। মামলা দুটিতে এখন পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে।

জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবু, ত্রাণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন ফিরোজ, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি অলিউল্লাহ অলিসহ বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী রয়েছেন।

এ ঘটনায় বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও র‍্যাব সদস্য। তাদের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটদেরও দেখা যায়। এ সময় মেয়র বাড়িতে থাকলেও সেখান থেকে কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বরিশাল নগরে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে রয়েছেন অতিরিক্ত ১০ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ তথ্য নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার জানান, আবেদনের প্রেক্ষিতে খুলনা থেকে বিজিবি এবং পিরোজপুর ও পটুয়াখালী থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের আনা হয়েছে।

এর আগে গতকাল রাতে বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদ কম্পাউন্ডে ব্যানার সরানোকে কেন্দ্র করে ইউএনও মুনিবুর রহমানের উপস্থিতিতে আনসার সদস্যরা গুলি চালালে আওয়মী লীগ-ছাত্রলীগের ৩০ নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়।

আওয়ামী লীগের দাবি- ব্যানার অপসারণে গেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার বাসভবন থেকে নিজে বের হয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কাজে বাধা দেন। এবং তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন ও তদের গুন্ডা হিসেবে আখ্যায়িত করে মহানগর আওয়ামী লীগের ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবুকে হাত ধরে টেনে নিজের বাস ভবনে আটকে রাখেন। সেখানে উপস্থিত বিসিসি’র কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে তার নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আনসার সদস্যদের গুলি করার নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় ৩০ জন নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ঘটনার পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে ছাত্রলীগ, সিটি করপোরেশনের কর্মচারীরা আটকে দেয় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক। প্রায় ৭ ঘণ্টা পর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইউএনও’র মামলায় হুকুমের আসামি হলেন মেয়র সাদিক।

আপডেট সময় : ০৩:১২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স :: বরিশাল সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সরকারি বাসভবনে হামলা এবং সংঘর্ষের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা করেছেন ইউএনও ও পুলিশ। এতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৩০ নেতাকর্মীসহ শতাধিক অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ইউএনও’র মামলায় হুকুমের আসামি করা হয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে।

আজ বৃহস্পতিবার রিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাটি করেন সদর উপজেলা ইউএনও মুনিবুর রহমান। এ ছাড়া সরকারি কাজে বাঁধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে একই থানায় আরেকটি মামলা করে পুলিশ। মামলা দুটিতে এখন পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে।

জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবু, ত্রাণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন ফিরোজ, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি অলিউল্লাহ অলিসহ বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী রয়েছেন।

এ ঘটনায় বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও র‍্যাব সদস্য। তাদের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটদেরও দেখা যায়। এ সময় মেয়র বাড়িতে থাকলেও সেখান থেকে কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বরিশাল নগরে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে রয়েছেন অতিরিক্ত ১০ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ তথ্য নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার জানান, আবেদনের প্রেক্ষিতে খুলনা থেকে বিজিবি এবং পিরোজপুর ও পটুয়াখালী থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের আনা হয়েছে।

এর আগে গতকাল রাতে বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদ কম্পাউন্ডে ব্যানার সরানোকে কেন্দ্র করে ইউএনও মুনিবুর রহমানের উপস্থিতিতে আনসার সদস্যরা গুলি চালালে আওয়মী লীগ-ছাত্রলীগের ৩০ নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়।

আওয়ামী লীগের দাবি- ব্যানার অপসারণে গেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার বাসভবন থেকে নিজে বের হয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কাজে বাধা দেন। এবং তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন ও তদের গুন্ডা হিসেবে আখ্যায়িত করে মহানগর আওয়ামী লীগের ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবুকে হাত ধরে টেনে নিজের বাস ভবনে আটকে রাখেন। সেখানে উপস্থিত বিসিসি’র কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে তার নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আনসার সদস্যদের গুলি করার নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় ৩০ জন নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ঘটনার পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে ছাত্রলীগ, সিটি করপোরেশনের কর্মচারীরা আটকে দেয় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক। প্রায় ৭ ঘণ্টা পর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।