সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্রের কালেক্টর পুকুরের পশ্চিম পাশ এখন মাদক সেবনকারীদের নিরাপদ স্থান।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অগাস্ট ২০২১ ১২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জিহাদ হোসেন: বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্রের কালেক্টর পুকুরের পশ্চিম পাশ এখন মাদক সেবনকারীদের নিরাপদ স্থান হয়ে দাড়িয়েছে। মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে সরকার লকডাউন ঘোষনা দিয়েছে।

তাই সরকারী ঘোষনা বাস্তবায়ন করছে ব্যাবসায়ীরা। মানুষের চলাচল বর্তমানে কম থাকায় স্থানটি মাদক ব্যাবসায়ী ও সেবকারীদের নিরাপদ স্পট হয়ে দাড়িয়েছে। সন্ধ্যা হলেই দেখা যায় মাদক সেবনকারীদের।

তবে এদিকে প্রশাসনের নেই তেমন কোন নজর। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছু দিন ধরে কালেক্টর পুকুরের পাড়ের পশ্চিম পাশের দেয়ালের কিছু অংশ সন্ধ্যা পরে অন্ধকার থাকে। সেই সুযোগই কাজে লাগাচ্ছে মাদক ব্যাবসায়ী ও সেবনকারীরা। গতকাল এমনই একটি দৃশ চোখে পড়ে প্রতিবেদকের।

দেওয়ালের পাশ্বে পরে রয়েছে ফেন্সিডিলের কয়েকটি খালি বোতল। দেখা যায় বেশ কিছু যুবকদের আড্ডা। লকডাউনে দোকান পাট বন্ধ থাকায় সন্ধ্যার পরে নিরব থাকে ঐস্থানটি। মানুষেও চলাচল অনেকটা কম। তাই মাদক সেবনকারীরা মটরসাইকেল যোগে ওখানে এসে ফেন্সিডিল খেয়ে খালি বোতল ফালিয়ে স্থান ত্যাগ করে চলে যায়। স্থানীয় কবির নামে এক ব্যক্তি বলেন, এখানে সন্ধ্যার পরে মাদকও বেচা কেনা চলে।

তবে স্থানীয়দের দাবি এখানে প্রশাসনের নজর দেওয়া খুবই জরুরি। এছাড়াও গাছের ঝোপেড় আড়ালে গভীর রাতে চলতে অসামাজিক কার্যক্রম। কালেক্টির পারে সন্ধ্যার পরে দেখা যায় কিছু পতিতা নারীদের। তবে ওই পার্কটিতে আগে সকাল-বিকাল ও সন্ধ্যার পরে দেখা যেতো ব্যায়াম এবং হাঁটাহাঁটি করতে অনেক মানুষ আসতেন। কিন্তু বর্তমানে দেহ ব্যাবসায় জড়িত নারী ও মাদক সেবনকারীদের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় এখন আর ব্যায়াম ও হাটাচলা করতে কাউকে আসতে দেখা যায় না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্রের কালেক্টর পুকুরের পশ্চিম পাশ এখন মাদক সেবনকারীদের নিরাপদ স্থান।

আপডেট সময় : ০৬:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অগাস্ট ২০২১

জিহাদ হোসেন: বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্রের কালেক্টর পুকুরের পশ্চিম পাশ এখন মাদক সেবনকারীদের নিরাপদ স্থান হয়ে দাড়িয়েছে। মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে সরকার লকডাউন ঘোষনা দিয়েছে।

তাই সরকারী ঘোষনা বাস্তবায়ন করছে ব্যাবসায়ীরা। মানুষের চলাচল বর্তমানে কম থাকায় স্থানটি মাদক ব্যাবসায়ী ও সেবকারীদের নিরাপদ স্পট হয়ে দাড়িয়েছে। সন্ধ্যা হলেই দেখা যায় মাদক সেবনকারীদের।

তবে এদিকে প্রশাসনের নেই তেমন কোন নজর। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছু দিন ধরে কালেক্টর পুকুরের পাড়ের পশ্চিম পাশের দেয়ালের কিছু অংশ সন্ধ্যা পরে অন্ধকার থাকে। সেই সুযোগই কাজে লাগাচ্ছে মাদক ব্যাবসায়ী ও সেবনকারীরা। গতকাল এমনই একটি দৃশ চোখে পড়ে প্রতিবেদকের।

দেওয়ালের পাশ্বে পরে রয়েছে ফেন্সিডিলের কয়েকটি খালি বোতল। দেখা যায় বেশ কিছু যুবকদের আড্ডা। লকডাউনে দোকান পাট বন্ধ থাকায় সন্ধ্যার পরে নিরব থাকে ঐস্থানটি। মানুষেও চলাচল অনেকটা কম। তাই মাদক সেবনকারীরা মটরসাইকেল যোগে ওখানে এসে ফেন্সিডিল খেয়ে খালি বোতল ফালিয়ে স্থান ত্যাগ করে চলে যায়। স্থানীয় কবির নামে এক ব্যক্তি বলেন, এখানে সন্ধ্যার পরে মাদকও বেচা কেনা চলে।

তবে স্থানীয়দের দাবি এখানে প্রশাসনের নজর দেওয়া খুবই জরুরি। এছাড়াও গাছের ঝোপেড় আড়ালে গভীর রাতে চলতে অসামাজিক কার্যক্রম। কালেক্টির পারে সন্ধ্যার পরে দেখা যায় কিছু পতিতা নারীদের। তবে ওই পার্কটিতে আগে সকাল-বিকাল ও সন্ধ্যার পরে দেখা যেতো ব্যায়াম এবং হাঁটাহাঁটি করতে অনেক মানুষ আসতেন। কিন্তু বর্তমানে দেহ ব্যাবসায় জড়িত নারী ও মাদক সেবনকারীদের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় এখন আর ব্যায়াম ও হাটাচলা করতে কাউকে আসতে দেখা যায় না।