সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

পাবনায় গার্মেন্টস কর্মী ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে আসামি ইকবাল হোসেন ও আজিম হোসেনকে ফাঁসি দিয়েছেনl

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯ ১৯৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাবনায় গার্মেন্টস কর্মী কাকলীকে (৩০) পাবনায় গার্মেন্টস কর্মী কাকলীকে (৩০) ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে আসামি ইকবাল হোসেন (৪৪) ও আজিম হোসেনকে (৪৫) ফাঁসি দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত। এছাড়াও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (২০ নভেম্বর) পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ওয়ালিউর রহমান এ রায় দেন। এ মামরায় তিনজনের মধ্যে একজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- পাবনা জেলার সুজানগর থানার বনগ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে আজিম উদ্দিন ও তার বন্ধু ঢাকা নবীনগরের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে ইকবাল হোসেন।

মৃত কাকলী খাতুন রাজবাড়ী জেলার কালুখালী গ্রামের জলিল সরদারের মেয়ে। তিনি ঢাকার একটি গার্মেন্টসে কাজ করতেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর বিয়ের প্রলোভন দিয়ে আসামি ইকবাল ও আজিম ঢাকা থেকে কাকলীকে পাবনার সুজানগরে নিয়ে আসেন। এরপর রাতে উপজেলার রামজীবনপুর মাঠের একটি নার্সারির মধ্যে তাকে নিয়ে ধর্ষণের পর তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে সুজানগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রওশন মিয়া ঘটনাস্থল থেকে কাকলীর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পাবনার সুজানগর থানায় অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে আসামিদের মোবাইল ট্র্যাকিং করে তাদের আটক করা হয়। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ কারা হলে তারা হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রওশন আজিম ও ইকবালকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আসামিদের উপস্থিতিতে বিচারক এ রায় দেন।

মামলায় সরকারি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন- পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুর রকিব এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট কাজি মকবুল হোসেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত। এছাড়াও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (২০ নভেম্বর) পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ওয়ালিউর রহমান এ রায় দেন। এ মামরায় তিনজনের মধ্যে একজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- পাবনা জেলার সুজানগর থানার বনগ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে আজিম উদ্দিন ও তার বন্ধু ঢাকা নবীনগরের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে ইকবাল হোসেন।

মৃত কাকলী খাতুন রাজবাড়ী জেলার কালুখালী গ্রামের জলিল সরদারের মেয়ে। তিনি ঢাকার একটি গার্মেন্টসে কাজ করতেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর বিয়ের প্রলোভন দিয়ে আসামি ইকবাল ও আজিম ঢাকা থেকে কাকলীকে পাবনার সুজানগরে নিয়ে আসেন। এরপর রাতে উপজেলার রামজীবনপুর মাঠের একটি নার্সারির মধ্যে তাকে নিয়ে ধর্ষণের পর তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে সুজানগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রওশন মিয়া ঘটনাস্থল থেকে কাকলীর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পাবনার সুজানগর থানায় অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে আসামিদের মোবাইল ট্র্যাকিং করে তাদের আটক করা হয়। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ কারা হলে তারা হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রওশন আজিম ও ইকবালকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আসামিদের উপস্থিতিতে বিচারক এ রায় দেন।

মামলায় সরকারি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন- পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুর রকিব এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট কাজি মকবুল হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পাবনায় গার্মেন্টস কর্মী ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে আসামি ইকবাল হোসেন ও আজিম হোসেনকে ফাঁসি দিয়েছেনl

আপডেট সময় : ০৬:০৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯

পাবনায় গার্মেন্টস কর্মী কাকলীকে (৩০) পাবনায় গার্মেন্টস কর্মী কাকলীকে (৩০) ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে আসামি ইকবাল হোসেন (৪৪) ও আজিম হোসেনকে (৪৫) ফাঁসি দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত। এছাড়াও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (২০ নভেম্বর) পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ওয়ালিউর রহমান এ রায় দেন। এ মামরায় তিনজনের মধ্যে একজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- পাবনা জেলার সুজানগর থানার বনগ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে আজিম উদ্দিন ও তার বন্ধু ঢাকা নবীনগরের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে ইকবাল হোসেন।

মৃত কাকলী খাতুন রাজবাড়ী জেলার কালুখালী গ্রামের জলিল সরদারের মেয়ে। তিনি ঢাকার একটি গার্মেন্টসে কাজ করতেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর বিয়ের প্রলোভন দিয়ে আসামি ইকবাল ও আজিম ঢাকা থেকে কাকলীকে পাবনার সুজানগরে নিয়ে আসেন। এরপর রাতে উপজেলার রামজীবনপুর মাঠের একটি নার্সারির মধ্যে তাকে নিয়ে ধর্ষণের পর তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে সুজানগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রওশন মিয়া ঘটনাস্থল থেকে কাকলীর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পাবনার সুজানগর থানায় অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে আসামিদের মোবাইল ট্র্যাকিং করে তাদের আটক করা হয়। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ কারা হলে তারা হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রওশন আজিম ও ইকবালকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আসামিদের উপস্থিতিতে বিচারক এ রায় দেন।

মামলায় সরকারি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন- পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুর রকিব এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট কাজি মকবুল হোসেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত। এছাড়াও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (২০ নভেম্বর) পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ওয়ালিউর রহমান এ রায় দেন। এ মামরায় তিনজনের মধ্যে একজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- পাবনা জেলার সুজানগর থানার বনগ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে আজিম উদ্দিন ও তার বন্ধু ঢাকা নবীনগরের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে ইকবাল হোসেন।

মৃত কাকলী খাতুন রাজবাড়ী জেলার কালুখালী গ্রামের জলিল সরদারের মেয়ে। তিনি ঢাকার একটি গার্মেন্টসে কাজ করতেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর বিয়ের প্রলোভন দিয়ে আসামি ইকবাল ও আজিম ঢাকা থেকে কাকলীকে পাবনার সুজানগরে নিয়ে আসেন। এরপর রাতে উপজেলার রামজীবনপুর মাঠের একটি নার্সারির মধ্যে তাকে নিয়ে ধর্ষণের পর তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে সুজানগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রওশন মিয়া ঘটনাস্থল থেকে কাকলীর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পাবনার সুজানগর থানায় অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে আসামিদের মোবাইল ট্র্যাকিং করে তাদের আটক করা হয়। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ কারা হলে তারা হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রওশন আজিম ও ইকবালকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আসামিদের উপস্থিতিতে বিচারক এ রায় দেন।

মামলায় সরকারি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন- পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুর রকিব এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট কাজি মকবুল হোসেন।