সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার বিমানে চড়েন পুতিন, কী আছে এতে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১ ১৬১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

টানা ১৯ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তাকে নিয়ে রয়েছে বিশ্বব্যাপী নানা কৌতূহল।

গত বুধবার জেনেভায় রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র সম্মেলনের পর নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তাকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ফিচার করেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম। বিশেষ করে পশ্চিমা গণমাধ্যমে তিনি সব সময় আলোচিত এক ব্যক্তি।

বিশেষ করে যে বিমানটিতে চড়ে বুধবার তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাতে আসেন সেটির রাজকীয় আভিজাত্য নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান।

ঐহিত্যবাহী ওই পত্রিকার খবরে বলা হয়, পুতিনকে নিয়মিত বহনকারী বিমানটির মূল্য ৩৯০ মিলিয়ন পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা)। নাম ফ্লাইং ক্রেমলিন। বিমানটি তৈরি করেছে ভোরোনেজ এয়ারক্রাফট প্রোডাকশন অ্যাসোসিয়েশন। এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৫৬০ কিলোমিটার।

বিলাসবহুল এ বিমানের টয়লেটটিও সোনায় মোড়ানো। ভেতরে থাকা কনফারেন্স টেবিলটিও নকশা করা সোনার পাত দিয়ে ঘেরা। আরও রয়েছে বিলাসী বেডরুম, স্বয়ংসম্পূর্ণ ব্যায়ামাগার এবং পানশালা। ক্রিম রঙের আরামদায়ক মূল্যবান চামড়া দিয়ে মোড়ানো এর আসনগুলো।

বিমানটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে রাশিয়া এয়ারলাইন্স। ফ্লাইং ক্রেমলিন নামে ডাকলেও বিমানটির দাপ্তরিক নাম ইলিউশন-২-৯৬-৩০০ পিইউ।

সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে বিমানটিতে এন্টি মিসাইল প্রটেকশন রয়েছে। এতে রয়েছেন দু’জন ক্রু সদস্য। বিমানের প্রতি কোনায় রয়েছে রাষ্ট্রীয় আভিজাত্যের নমুনা। রয়েছে প্রয়োজনীয় কমান্ড সেন্টারও। যেখান থেকে সেনাবাহিনীকে পরিচালনা করা যায়। ফলে বিমান ভ্রমণে থাকলেও যুদ্ধ পরিচালনায় কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয় তার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার বিমানে চড়েন পুতিন, কী আছে এতে।

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

টানা ১৯ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তাকে নিয়ে রয়েছে বিশ্বব্যাপী নানা কৌতূহল।

গত বুধবার জেনেভায় রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র সম্মেলনের পর নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তাকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ফিচার করেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম। বিশেষ করে পশ্চিমা গণমাধ্যমে তিনি সব সময় আলোচিত এক ব্যক্তি।

বিশেষ করে যে বিমানটিতে চড়ে বুধবার তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাতে আসেন সেটির রাজকীয় আভিজাত্য নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান।

ঐহিত্যবাহী ওই পত্রিকার খবরে বলা হয়, পুতিনকে নিয়মিত বহনকারী বিমানটির মূল্য ৩৯০ মিলিয়ন পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা)। নাম ফ্লাইং ক্রেমলিন। বিমানটি তৈরি করেছে ভোরোনেজ এয়ারক্রাফট প্রোডাকশন অ্যাসোসিয়েশন। এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৫৬০ কিলোমিটার।

বিলাসবহুল এ বিমানের টয়লেটটিও সোনায় মোড়ানো। ভেতরে থাকা কনফারেন্স টেবিলটিও নকশা করা সোনার পাত দিয়ে ঘেরা। আরও রয়েছে বিলাসী বেডরুম, স্বয়ংসম্পূর্ণ ব্যায়ামাগার এবং পানশালা। ক্রিম রঙের আরামদায়ক মূল্যবান চামড়া দিয়ে মোড়ানো এর আসনগুলো।

বিমানটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে রাশিয়া এয়ারলাইন্স। ফ্লাইং ক্রেমলিন নামে ডাকলেও বিমানটির দাপ্তরিক নাম ইলিউশন-২-৯৬-৩০০ পিইউ।

সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে বিমানটিতে এন্টি মিসাইল প্রটেকশন রয়েছে। এতে রয়েছেন দু’জন ক্রু সদস্য। বিমানের প্রতি কোনায় রয়েছে রাষ্ট্রীয় আভিজাত্যের নমুনা। রয়েছে প্রয়োজনীয় কমান্ড সেন্টারও। যেখান থেকে সেনাবাহিনীকে পরিচালনা করা যায়। ফলে বিমান ভ্রমণে থাকলেও যুদ্ধ পরিচালনায় কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয় তার।