সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

আলমডাঙ্গায় কালিদাসপুরেপরিবেশ আইন লংঘন করে গড়ে উঠেছে ইটভাটা কাঠ দিয়ে পোড়ানো হচ্ছে ইটনেই প্রশাসনের নজরদাড়ি: আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২১ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মো: জাকিরুল ইসলাম, দামুড়হুদা উপজেলা প্রতিনিধি::-

আলমডাঙ্গায় কালিদাসপুরে পরিবেশ আইন লংঘন করে গড়ে উঠেছে ইটভাটা কাঠ দিয়ে পোড়ানো হচ্ছে ইটনেই প্রশাসনের নজরদাড়ি। এ কারণে ব্যাপকভাবে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। দূষণে আশপাশের বাড়িঘর, ফসলি জমি, ফলের গাছ, জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ফসলি জমির মাটি কেটে ভাটায় নেওয়ার ও খড়ি হিসেবে কাঠ পোড়ানোর মহোৎসব চলছে । একনাগাড়ে চলছে অবৈধভাবে ফসলি জমি নষ্ট করে মাটি কেটে ভাটায় নেওয়ার ও কাঠ পোড়ানোর কাজ। জমি সসংস্কার ও পুকুর খননের নামে কৃষি জমির মাটি বিক্রি হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটাতে। এদিকে, একের পর এক কৃষি জমি থেকে এভাবে মাটি কেটে নেয়ায় জমি হারাচ্ছে তার উর্বরতা,আবার অন্যদিকে কমে যাচ্ছে কৃষি জমির পরিমাণও কালিদাসপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে অবস্থিত কে এম বি ভাটায় দেখা গেছে ফসলি জমির মাটি কেটে ভাটায় নেওয়া ও ইট পোড়ানোর কাজে গাছ কেটে খড়ি হিসেবে পোড়ানোর দৃশ্য। এ বিষয়ে ভাটা মালিক খালেক মিয়ার সাথে কথা বলে ফসলি জমির মাটি কেটে ভাটায় নেওয়া ও ভাটায় খড়ি হিসেবে গাছ পড়ানোর বিষয়ে সরকারি কোনো অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জমির মাটি কেটে আমার ভাটায় নিচ্ছি এখানে অনুমোদনের কি দরকার ,আমার সরকারি কোনো অনুমোদন নেই। আর খড়ি পড়ানোর বিষয়ে অনুমোদন আছে, কিন্তু কোথা থেকে অনুমোদন দিয়েছে তা আমি বলতে বাধ্য নই। বর্তমান সরকার কৃষি উন্নয়নের জন্য নানামুখী প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সরকার কৃষি খাতেকে উন্নয়নের শীর্ষে পৌছানোর লক্ষ্যে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ সার ও কীটনাশক বিতরণ করছে। ঠিক তখনই কিছু সাধারন মমানুষ ও ভাটা মালিক মেতে উঠেছে কৃষি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির কাজে। জমি মালিক মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে আবাদি জমির মাটি কেটে জমি নষ্টে সহায়তা করছে মাটি ব্যবসায়ীদের।ইট ভাটার আগ্রাসনে ফসলী জমি যেমন বিনষ্ট হচ্ছে,তেমনি উজার হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল। বিপর্যস্ত হচ্ছে,পরিবেশ।ফসলি জমি ধ্বংস করে ইটভাটায় ইট তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে ফসলি জমির উর্বর ও সারযুক্ত উপরিভাগের মাটি। এতে করে জমির উর্বরা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। জমি হারিয়ে ফেলছে ফসল উৎপাদন ক্ষমতা। তেমনি এসব ইট ভাটায় সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে অবাধে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। ভাটার কালো বিষাক্ত ধোয়ায় এলাকার ফসল,গাছ-গাছালি বিনষ্টের পাশাপাশি পরিবেশের চরম ক্ষতি করছে। ফসলি জমি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর উচ্ছেদ করলেও সেগুলোর অধিকাংশ আবারো নতুন করে গড়ে উঠছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়াই উচ্ছেদ করা অবৈধ ইট ভাটা আবারো নতুন করে কিভাবে গড়ে উঠছে,তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে,পরিবেশ প্রেমিরা।এসব ইটভাটায় ইট তৈরীর জন্য কাটা হচ্ছে, জমির উপরিভাগের মাটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আলমডাঙ্গায় কালিদাসপুরেপরিবেশ আইন লংঘন করে গড়ে উঠেছে ইটভাটা কাঠ দিয়ে পোড়ানো হচ্ছে ইটনেই প্রশাসনের নজরদাড়ি: আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০১:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২১

মো: জাকিরুল ইসলাম, দামুড়হুদা উপজেলা প্রতিনিধি::-

আলমডাঙ্গায় কালিদাসপুরে পরিবেশ আইন লংঘন করে গড়ে উঠেছে ইটভাটা কাঠ দিয়ে পোড়ানো হচ্ছে ইটনেই প্রশাসনের নজরদাড়ি। এ কারণে ব্যাপকভাবে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। দূষণে আশপাশের বাড়িঘর, ফসলি জমি, ফলের গাছ, জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ফসলি জমির মাটি কেটে ভাটায় নেওয়ার ও খড়ি হিসেবে কাঠ পোড়ানোর মহোৎসব চলছে । একনাগাড়ে চলছে অবৈধভাবে ফসলি জমি নষ্ট করে মাটি কেটে ভাটায় নেওয়ার ও কাঠ পোড়ানোর কাজ। জমি সসংস্কার ও পুকুর খননের নামে কৃষি জমির মাটি বিক্রি হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটাতে। এদিকে, একের পর এক কৃষি জমি থেকে এভাবে মাটি কেটে নেয়ায় জমি হারাচ্ছে তার উর্বরতা,আবার অন্যদিকে কমে যাচ্ছে কৃষি জমির পরিমাণও কালিদাসপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে অবস্থিত কে এম বি ভাটায় দেখা গেছে ফসলি জমির মাটি কেটে ভাটায় নেওয়া ও ইট পোড়ানোর কাজে গাছ কেটে খড়ি হিসেবে পোড়ানোর দৃশ্য। এ বিষয়ে ভাটা মালিক খালেক মিয়ার সাথে কথা বলে ফসলি জমির মাটি কেটে ভাটায় নেওয়া ও ভাটায় খড়ি হিসেবে গাছ পড়ানোর বিষয়ে সরকারি কোনো অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জমির মাটি কেটে আমার ভাটায় নিচ্ছি এখানে অনুমোদনের কি দরকার ,আমার সরকারি কোনো অনুমোদন নেই। আর খড়ি পড়ানোর বিষয়ে অনুমোদন আছে, কিন্তু কোথা থেকে অনুমোদন দিয়েছে তা আমি বলতে বাধ্য নই। বর্তমান সরকার কৃষি উন্নয়নের জন্য নানামুখী প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সরকার কৃষি খাতেকে উন্নয়নের শীর্ষে পৌছানোর লক্ষ্যে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ সার ও কীটনাশক বিতরণ করছে। ঠিক তখনই কিছু সাধারন মমানুষ ও ভাটা মালিক মেতে উঠেছে কৃষি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির কাজে। জমি মালিক মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে আবাদি জমির মাটি কেটে জমি নষ্টে সহায়তা করছে মাটি ব্যবসায়ীদের।ইট ভাটার আগ্রাসনে ফসলী জমি যেমন বিনষ্ট হচ্ছে,তেমনি উজার হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল। বিপর্যস্ত হচ্ছে,পরিবেশ।ফসলি জমি ধ্বংস করে ইটভাটায় ইট তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে ফসলি জমির উর্বর ও সারযুক্ত উপরিভাগের মাটি। এতে করে জমির উর্বরা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। জমি হারিয়ে ফেলছে ফসল উৎপাদন ক্ষমতা। তেমনি এসব ইট ভাটায় সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে অবাধে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। ভাটার কালো বিষাক্ত ধোয়ায় এলাকার ফসল,গাছ-গাছালি বিনষ্টের পাশাপাশি পরিবেশের চরম ক্ষতি করছে। ফসলি জমি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর উচ্ছেদ করলেও সেগুলোর অধিকাংশ আবারো নতুন করে গড়ে উঠছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়াই উচ্ছেদ করা অবৈধ ইট ভাটা আবারো নতুন করে কিভাবে গড়ে উঠছে,তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে,পরিবেশ প্রেমিরা।এসব ইটভাটায় ইট তৈরীর জন্য কাটা হচ্ছে, জমির উপরিভাগের মাটি।