সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু

স্বামী নামের কসাই “রাজু”আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০ ৪৮৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার ::-

চুয়াডাঙ্গায় দর্শনার কলেজপাড়ার নূরুল হুদার মেয়ে টিয়া খাতুন(২০) সংসার জীবনে ভীষণ অসুখী।

টিয়া খাতুন নিজ বক্তব্যে বলেন, দর্শনা ঘুঘুডাঙ্গা মহল্লায় তালতলার মো: জামাল উদ্দীনের ছেলে রাজু হোসেন(২৩)-কে পারিবারিক ভাবে দেখাশোনার মাধ‍্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করান। তার বিবাহিত জীবনের বয়স মাত্র দুই বছর। এরই মধ‍্যে তাদের সংসার জীবনে নেমে আসে বিভীষিকাময় যন্ত্রণা। টিয়া খাতুন প্রতিনিয়ত স্বামীর পক্ষ হতে যেমন শারীরিক তেমনি মানসিক ভাবে নির্যাতিত হচ্ছেন।

শুধু তাই নয়, নির্যাতিত টিয়া খাতুন আরও বলেন, যে স্বামী রাজু ছাড়াও তার শ্বশুর-শ্বাশুরীও শারীরিক এবং মানসিক ভাবে তাকে নির্যাতন করে থাকেন। এভাবে কয়েকবার বিষয়টি টিয়া খাতুন তার মা-বাবাকে অবগত করলে তার মা-বাবা ঘুঘুডাঙ্গার ওর্য়াড কাউন্সিলরকে দিয়ে বিষয়টি সমাধান করে দেন।

এরপর টিয়া খাতুন তার স্বামী রাজুর সাথে সঠিকভাবে সংসার গড়ার লক্ষ‍্যে দর্শনা ঘুঘুডাঙ্গা থেকে ঢাকায় গমন করেন। কিন্ত তবুও নির্যাতন টিয়ার পিছু ছাড়েনি। ঢাকায় ছয় মাস অতিবাহিত করার পর টিয়া খাতুন মা হতে চলেন। টিয়া খাতুন যখন এক মাসের অন্তঃসত্বা ঠিক ঐ সময় টিয়া খাতুনের শ্বাশুরী ঢাকায় বেড়াতে আসেন। দুই মাস একসাথেই থাকেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় টিয়া খাতুনের শ্বাশুরী কখনোই তাদের ভালো চাননি। তাছাড়া টিয়া খাতুনের পেটে থাকা এক দেড় মাসের বাচ্চাটিও পরিকল্পনা করে তার শ্বাশুড়ী টিয়াকে ঔষধ সেবনের মাধ্যমে পেটের বাচ্চাকে নষ্ট করে দেন যা আইনানুযায়ী হত‍্যা মামলার শামিল।

শিশু হত‍্যারদায়ে টিয়া খাতুন তার স্বামী রাজুসহ শ্বশুর-শ্বাশুরীর সাথে আর থাকতে চান না। তিনি ফৌজদারি আইনানুযায়ী প্রশাসনের নিকট বিচার প্রার্থনা করেছেন তার শ্বাশুরীর বিরুদ্ধে টিয়ার নিষ্পাপ বাচ্চাটি নষ্ট করার কারণে।

বিষয়টি স্থানীয় লোকজন জানতে পারায় টিয়া খাতুন কে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে আইনানুগ ব‍্যবস্থা গ্রহনের সৎ পরামর্শ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্বামী নামের কসাই “রাজু”আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১২:০৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ::-

চুয়াডাঙ্গায় দর্শনার কলেজপাড়ার নূরুল হুদার মেয়ে টিয়া খাতুন(২০) সংসার জীবনে ভীষণ অসুখী।

টিয়া খাতুন নিজ বক্তব্যে বলেন, দর্শনা ঘুঘুডাঙ্গা মহল্লায় তালতলার মো: জামাল উদ্দীনের ছেলে রাজু হোসেন(২৩)-কে পারিবারিক ভাবে দেখাশোনার মাধ‍্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করান। তার বিবাহিত জীবনের বয়স মাত্র দুই বছর। এরই মধ‍্যে তাদের সংসার জীবনে নেমে আসে বিভীষিকাময় যন্ত্রণা। টিয়া খাতুন প্রতিনিয়ত স্বামীর পক্ষ হতে যেমন শারীরিক তেমনি মানসিক ভাবে নির্যাতিত হচ্ছেন।

শুধু তাই নয়, নির্যাতিত টিয়া খাতুন আরও বলেন, যে স্বামী রাজু ছাড়াও তার শ্বশুর-শ্বাশুরীও শারীরিক এবং মানসিক ভাবে তাকে নির্যাতন করে থাকেন। এভাবে কয়েকবার বিষয়টি টিয়া খাতুন তার মা-বাবাকে অবগত করলে তার মা-বাবা ঘুঘুডাঙ্গার ওর্য়াড কাউন্সিলরকে দিয়ে বিষয়টি সমাধান করে দেন।

এরপর টিয়া খাতুন তার স্বামী রাজুর সাথে সঠিকভাবে সংসার গড়ার লক্ষ‍্যে দর্শনা ঘুঘুডাঙ্গা থেকে ঢাকায় গমন করেন। কিন্ত তবুও নির্যাতন টিয়ার পিছু ছাড়েনি। ঢাকায় ছয় মাস অতিবাহিত করার পর টিয়া খাতুন মা হতে চলেন। টিয়া খাতুন যখন এক মাসের অন্তঃসত্বা ঠিক ঐ সময় টিয়া খাতুনের শ্বাশুরী ঢাকায় বেড়াতে আসেন। দুই মাস একসাথেই থাকেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় টিয়া খাতুনের শ্বাশুরী কখনোই তাদের ভালো চাননি। তাছাড়া টিয়া খাতুনের পেটে থাকা এক দেড় মাসের বাচ্চাটিও পরিকল্পনা করে তার শ্বাশুড়ী টিয়াকে ঔষধ সেবনের মাধ্যমে পেটের বাচ্চাকে নষ্ট করে দেন যা আইনানুযায়ী হত‍্যা মামলার শামিল।

শিশু হত‍্যারদায়ে টিয়া খাতুন তার স্বামী রাজুসহ শ্বশুর-শ্বাশুরীর সাথে আর থাকতে চান না। তিনি ফৌজদারি আইনানুযায়ী প্রশাসনের নিকট বিচার প্রার্থনা করেছেন তার শ্বাশুরীর বিরুদ্ধে টিয়ার নিষ্পাপ বাচ্চাটি নষ্ট করার কারণে।

বিষয়টি স্থানীয় লোকজন জানতে পারায় টিয়া খাতুন কে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে আইনানুগ ব‍্যবস্থা গ্রহনের সৎ পরামর্শ দেন।