সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

স্বামী নামের কসাই “রাজু”আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০ ৪৬৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার ::-

চুয়াডাঙ্গায় দর্শনার কলেজপাড়ার নূরুল হুদার মেয়ে টিয়া খাতুন(২০) সংসার জীবনে ভীষণ অসুখী।

টিয়া খাতুন নিজ বক্তব্যে বলেন, দর্শনা ঘুঘুডাঙ্গা মহল্লায় তালতলার মো: জামাল উদ্দীনের ছেলে রাজু হোসেন(২৩)-কে পারিবারিক ভাবে দেখাশোনার মাধ‍্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করান। তার বিবাহিত জীবনের বয়স মাত্র দুই বছর। এরই মধ‍্যে তাদের সংসার জীবনে নেমে আসে বিভীষিকাময় যন্ত্রণা। টিয়া খাতুন প্রতিনিয়ত স্বামীর পক্ষ হতে যেমন শারীরিক তেমনি মানসিক ভাবে নির্যাতিত হচ্ছেন।

শুধু তাই নয়, নির্যাতিত টিয়া খাতুন আরও বলেন, যে স্বামী রাজু ছাড়াও তার শ্বশুর-শ্বাশুরীও শারীরিক এবং মানসিক ভাবে তাকে নির্যাতন করে থাকেন। এভাবে কয়েকবার বিষয়টি টিয়া খাতুন তার মা-বাবাকে অবগত করলে তার মা-বাবা ঘুঘুডাঙ্গার ওর্য়াড কাউন্সিলরকে দিয়ে বিষয়টি সমাধান করে দেন।

এরপর টিয়া খাতুন তার স্বামী রাজুর সাথে সঠিকভাবে সংসার গড়ার লক্ষ‍্যে দর্শনা ঘুঘুডাঙ্গা থেকে ঢাকায় গমন করেন। কিন্ত তবুও নির্যাতন টিয়ার পিছু ছাড়েনি। ঢাকায় ছয় মাস অতিবাহিত করার পর টিয়া খাতুন মা হতে চলেন। টিয়া খাতুন যখন এক মাসের অন্তঃসত্বা ঠিক ঐ সময় টিয়া খাতুনের শ্বাশুরী ঢাকায় বেড়াতে আসেন। দুই মাস একসাথেই থাকেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় টিয়া খাতুনের শ্বাশুরী কখনোই তাদের ভালো চাননি। তাছাড়া টিয়া খাতুনের পেটে থাকা এক দেড় মাসের বাচ্চাটিও পরিকল্পনা করে তার শ্বাশুড়ী টিয়াকে ঔষধ সেবনের মাধ্যমে পেটের বাচ্চাকে নষ্ট করে দেন যা আইনানুযায়ী হত‍্যা মামলার শামিল।

শিশু হত‍্যারদায়ে টিয়া খাতুন তার স্বামী রাজুসহ শ্বশুর-শ্বাশুরীর সাথে আর থাকতে চান না। তিনি ফৌজদারি আইনানুযায়ী প্রশাসনের নিকট বিচার প্রার্থনা করেছেন তার শ্বাশুরীর বিরুদ্ধে টিয়ার নিষ্পাপ বাচ্চাটি নষ্ট করার কারণে।

বিষয়টি স্থানীয় লোকজন জানতে পারায় টিয়া খাতুন কে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে আইনানুগ ব‍্যবস্থা গ্রহনের সৎ পরামর্শ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্বামী নামের কসাই “রাজু”আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১২:০৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ::-

চুয়াডাঙ্গায় দর্শনার কলেজপাড়ার নূরুল হুদার মেয়ে টিয়া খাতুন(২০) সংসার জীবনে ভীষণ অসুখী।

টিয়া খাতুন নিজ বক্তব্যে বলেন, দর্শনা ঘুঘুডাঙ্গা মহল্লায় তালতলার মো: জামাল উদ্দীনের ছেলে রাজু হোসেন(২৩)-কে পারিবারিক ভাবে দেখাশোনার মাধ‍্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করান। তার বিবাহিত জীবনের বয়স মাত্র দুই বছর। এরই মধ‍্যে তাদের সংসার জীবনে নেমে আসে বিভীষিকাময় যন্ত্রণা। টিয়া খাতুন প্রতিনিয়ত স্বামীর পক্ষ হতে যেমন শারীরিক তেমনি মানসিক ভাবে নির্যাতিত হচ্ছেন।

শুধু তাই নয়, নির্যাতিত টিয়া খাতুন আরও বলেন, যে স্বামী রাজু ছাড়াও তার শ্বশুর-শ্বাশুরীও শারীরিক এবং মানসিক ভাবে তাকে নির্যাতন করে থাকেন। এভাবে কয়েকবার বিষয়টি টিয়া খাতুন তার মা-বাবাকে অবগত করলে তার মা-বাবা ঘুঘুডাঙ্গার ওর্য়াড কাউন্সিলরকে দিয়ে বিষয়টি সমাধান করে দেন।

এরপর টিয়া খাতুন তার স্বামী রাজুর সাথে সঠিকভাবে সংসার গড়ার লক্ষ‍্যে দর্শনা ঘুঘুডাঙ্গা থেকে ঢাকায় গমন করেন। কিন্ত তবুও নির্যাতন টিয়ার পিছু ছাড়েনি। ঢাকায় ছয় মাস অতিবাহিত করার পর টিয়া খাতুন মা হতে চলেন। টিয়া খাতুন যখন এক মাসের অন্তঃসত্বা ঠিক ঐ সময় টিয়া খাতুনের শ্বাশুরী ঢাকায় বেড়াতে আসেন। দুই মাস একসাথেই থাকেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় টিয়া খাতুনের শ্বাশুরী কখনোই তাদের ভালো চাননি। তাছাড়া টিয়া খাতুনের পেটে থাকা এক দেড় মাসের বাচ্চাটিও পরিকল্পনা করে তার শ্বাশুড়ী টিয়াকে ঔষধ সেবনের মাধ্যমে পেটের বাচ্চাকে নষ্ট করে দেন যা আইনানুযায়ী হত‍্যা মামলার শামিল।

শিশু হত‍্যারদায়ে টিয়া খাতুন তার স্বামী রাজুসহ শ্বশুর-শ্বাশুরীর সাথে আর থাকতে চান না। তিনি ফৌজদারি আইনানুযায়ী প্রশাসনের নিকট বিচার প্রার্থনা করেছেন তার শ্বাশুরীর বিরুদ্ধে টিয়ার নিষ্পাপ বাচ্চাটি নষ্ট করার কারণে।

বিষয়টি স্থানীয় লোকজন জানতে পারায় টিয়া খাতুন কে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে আইনানুগ ব‍্যবস্থা গ্রহনের সৎ পরামর্শ দেন।