রাজধানীতে এক নারীর দুই স্বামী, গর্ভের সন্তান কার তাই নিয়ে মহাযুদ্ধ। আজকের ক্রাইম-নিউজ
- আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২০ ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

আজকের ক্রাইম ডেক্স
একসঙ্গে দুই স্বামীর সংসার করতে গিয়ে মহাবিপদে পড়েছেন এক নারী। এর মধ্যে বিপদের ষোলকলা পূর্ণ হয় যখন দুই স্বামীই ওই নারীর গর্ভের সন্তানকে নিজের সন্তান বলে দাবি করে। এরপর থেকেই এ বিষয় নিয়ে রীতিমত যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে দুই স্বামীর মধ্যে।
সম্প্রতি রাজধানীর ধামরাইয়ে সুতিপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই গ্রামবাসী তাদের সামাজিকভাবে একঘরে করে রেখেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে ধামরাইয়ের সুতিপাড়া ইউনিয়নের ওই তরুণীর সঙ্গে একই এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে কাবিন রেজিস্ট্রি করে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক কন্যাসন্তান রয়েছে।
এরপর ওই তরুণী আবারও ২০১৭ সালের ২৮ জুন ঢাকার নোটারি পাবলিক আদালতে অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের বাসিন্দা মো. সুমন আহম্মেদকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা আশুলিয়ার লাল পাহাড় এলাকায় বসবাস করছিলেন। এর ফাঁকে তিনি আগের স্বামীর সঙ্গেও মেলামেশা করতে থাকেন।
এদিকে ঈদুল আজহার সপ্তাহখানেক আগে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হলে আগের স্বামীর ঘরে ফিরে যান। পরদিন পরের স্বামীও সেখানে যান এবং স্ত্রীর গর্ভের সন্তান নিজের বলে দাবি করেন। এ সময় আগের স্বামীও একই দাবি করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।
স্ত্রী ও গর্ভের সন্তান দুই স্বামী একসাথে দাবি করলে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে ওই তরুণীর দুই স্বামী স্ত্রীর পিত্রালয় থেকে চলে যেতে বাধ্য হন। এলাকাবাসী তাদের তিন পরিবারকেই একঘরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
ঘটনার বিষয়ে ওই এলাকার মাতব্বর মো. আব্দুল মজিদ ও মো. রফিকুল ইসলাম মিলন মাস্টার জানান, বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর ও ধর্মীয় অনুভূতিতে চরমভাবে আঘাত হানে। এ কারণে ওই তিন পরিবারকে সামাজিকভাবে একঘরে করে রাখা হয়েছে।


























