সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫

সাক্ষীর যাতায়াত ভাড়া দিলেন বিচারক। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২০ ১৩০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
৪১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার মামলার সাক্ষী নাসির উদ্দিন। বাড়ি ফেনী জেলার চরকান্দিতে। গরিব মানুষ। টাকা ধার করে এসেছেন ফেনী থেকে। যাওয়ার টাকা নেই। এ কথা শুনে আদালত তাকে গাড়িভাড়া বাবদ ৫০০ টাকা দেন।

মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত ৭ এ সাক্ষ্য দিতে আসেন নাসির।
এ সময় বিচারককে তিনি বলেন, ‘স্যার আমি গরিব মানুষ। ঘটনার সময় পাশের ভবনে আমি দারোয়ান ছিলাম।’

এ বিষয়ে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘স্যারকে বললাম, আমার গাড়িভাড়া নাই। আমি বেকার মানুষ। এ কথা শুনে স্যার আমাকে ৫০০ টাকা দিয়েছেন।’
নাসির আরও বলেন, ‘দুর্ঘটনায় পায়ে আঘাত পাওয়ার পর গ্রামে চলে যাই। কাজকাম নাই আয়-রোজগারও তেমন নাই। সাক্ষ্য দিতে আসব, তার জন্য গাড়িভাড়া নেই। ধারকর্জ করে নিয়ে এসেছি। আমাকে সরকারি গাড়ি দিয়ে পৌঁছে দেন; না হয় দেড় হাজার টাকা গাড়িভাড়া দেন। তখন বিচারক নিজের বেতন থেকে তাকে ৫০০ টাকা দেন।’
এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মাহবুবুর রহমান বলেন, পুলিশ সাক্ষীর যাতায়াত (কনভেন্স) ভাড়া দেওয়ার বিধান রয়েছে।
পিপি মাহবুবুর রহমান বলেন, আসামিদের কাছ থেকে ৪১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ওই জব্দ তালিকার সাক্ষী ছিলেন নাসির উদ্দিন। আসামি অসুস্থ, তার যাতায়াত ভাড়া নেই। শুনে বিচারক তাকে ৫০০ টাকা দেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৫ এপ্রিল রাজধানীর ভাটারা থানার বারিধারা নতুন বাজার বাঁশতলা এলাকা থেকে র‌্যাব মো. সেলিম হাওলাদার ও মো. হেলাল উদ্দিনকে গ্রেফতার করে। তাদের কথামতো একটি মাইক্রোবাস থেকে ৪১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে র‌্যাব। এ ঘটনা তদন্ত করে ওই বছরের ২৪ জুন তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি হলেন মো. সেলিম হাওলাদার, হেলাল উদ্দিন ও মো. ইকবাল হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সাক্ষীর যাতায়াত ভাড়া দিলেন বিচারক। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:০৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
৪১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার মামলার সাক্ষী নাসির উদ্দিন। বাড়ি ফেনী জেলার চরকান্দিতে। গরিব মানুষ। টাকা ধার করে এসেছেন ফেনী থেকে। যাওয়ার টাকা নেই। এ কথা শুনে আদালত তাকে গাড়িভাড়া বাবদ ৫০০ টাকা দেন।

মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত ৭ এ সাক্ষ্য দিতে আসেন নাসির।
এ সময় বিচারককে তিনি বলেন, ‘স্যার আমি গরিব মানুষ। ঘটনার সময় পাশের ভবনে আমি দারোয়ান ছিলাম।’

এ বিষয়ে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘স্যারকে বললাম, আমার গাড়িভাড়া নাই। আমি বেকার মানুষ। এ কথা শুনে স্যার আমাকে ৫০০ টাকা দিয়েছেন।’
নাসির আরও বলেন, ‘দুর্ঘটনায় পায়ে আঘাত পাওয়ার পর গ্রামে চলে যাই। কাজকাম নাই আয়-রোজগারও তেমন নাই। সাক্ষ্য দিতে আসব, তার জন্য গাড়িভাড়া নেই। ধারকর্জ করে নিয়ে এসেছি। আমাকে সরকারি গাড়ি দিয়ে পৌঁছে দেন; না হয় দেড় হাজার টাকা গাড়িভাড়া দেন। তখন বিচারক নিজের বেতন থেকে তাকে ৫০০ টাকা দেন।’
এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মাহবুবুর রহমান বলেন, পুলিশ সাক্ষীর যাতায়াত (কনভেন্স) ভাড়া দেওয়ার বিধান রয়েছে।
পিপি মাহবুবুর রহমান বলেন, আসামিদের কাছ থেকে ৪১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ওই জব্দ তালিকার সাক্ষী ছিলেন নাসির উদ্দিন। আসামি অসুস্থ, তার যাতায়াত ভাড়া নেই। শুনে বিচারক তাকে ৫০০ টাকা দেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৫ এপ্রিল রাজধানীর ভাটারা থানার বারিধারা নতুন বাজার বাঁশতলা এলাকা থেকে র‌্যাব মো. সেলিম হাওলাদার ও মো. হেলাল উদ্দিনকে গ্রেফতার করে। তাদের কথামতো একটি মাইক্রোবাস থেকে ৪১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে র‌্যাব। এ ঘটনা তদন্ত করে ওই বছরের ২৪ জুন তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি হলেন মো. সেলিম হাওলাদার, হেলাল উদ্দিন ও মো. ইকবাল হোসেন।