সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ: ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, নিহত ১ বিজয়নগরে শিক্ষার্থীদের হাত ধরেই সবুজ হবে বাংলাদেশ— বাবুগঞ্জের কেদারপুরে ইয়াবাসহ যুবক আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ঘোড়াঘাটে দুটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জরিমানা আদায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনকে ব্র্যাকের ২০০ ফলজ চারা প্রদান বিষখালী নদীতে অভিযান: ৭ লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার ও ধ্বংস বাবুগঞ্জে গাঁজা সহ প্রবাসী আটক ​ ​ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ​ কাঠালিয়ায় ৫০ কেজি ও ৩৯ পোটলা গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১: মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের বড় সাফল্য

পটুয়াখালীর বাউফলে মা ইলিশ শিকারের অপরাধে ১৯ জন জেলেকে আটক করেছে কোস্টগার্ড।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ ৪৪৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর বাউফলে আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে মা ইলিশ শিকারের অপরাধে চন্দ্রদ্বীপের চর ওয়াডেল এলাকার রাশেদ হাওলাদার (৩০),নান্নু ব্যাপারী (৩২), সেলিম হাওলাদার (৩০),পারভেজ (১৭), রিপন (৩২), বাহাদুর (২৮), চর মিয়াজানের নিজাম হাওলাদার (২১), রাজ্জাক চৌকিদার (৩৫), কেশবপুরের জাফরাবাদের হিরন (২২), জাকারিয়া (১৮), ভরিপাশা গ্রামের জুলহাস (৩৭), পাশের ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিনের সাছরা গ্রামের সিদ্দিক মাঝি (২৮), সজীব বাবুর্চি (১৬), সোহেল (১৬), ইমরান (১৮), মাসুদ (১৭), কামরুল (১২), বাথান বাড়ি এলাকার শাকিল (১২) ও জিহাদ (১১) নামে ১৯জন জেলেকে আটক করেছে কোস্টগার্ড।
কোস্টগার্ডের সি জি এস পাবনা (পি- ১১১) জাহাজের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র চিফ পেটি অফিসার ওবায়দুল হক জানান তেঁতুলিয়া নদীর চন্দ্রদ্বীপের চরওয়াডেল, খানকা, বাতিরখাল, চর রায়সাহেব, মমিনপুরের লালচর ও নিমদী পয়েন্টে ইলিশ শিকারের সময় অভিযান চালিয়ে ওইসব জেলেদের আটক ও একই সঙ্গে ৩ লাখ মিটার অবৈধ কারেন্টজালসহ প্রায় ৭ মন ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনে উপজেলা প্রশাসনের কাছে আটক জেলেদের হস্তান্তর ও নিমদী লঞ্চঘাট এলাকায় জালগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় কয়েকটি এতিমখানাসহ দু:স্থদের মাঝে বিতরণ করা হয় মাছগুলো।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন জানান, জেলেদের মধ্যে ভোলার সাছরা এলাকার অনোয়ার বাবুর্চির ছেলে মাসুদ (১৭), শাহজাদার ছেলে কামরুল (১২) ও লোকমান খার ছেলে শাকিল (১২) দ্বিতীয়বার কোস্টগার্ডের হাতে আটক হয়েছে। আগেরবার বয়স বিবেচনায় তাদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা জরিমান ও মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে মাসুদ জানায় ভোলার বোরহান উদ্দিনের মহসিন নামে একজন টাকার প্রলোভন দিয়ে ও জোরকরে তাদেরকে দ্বিতীয়বারের মতো ইলিশ শিকারে নিয়ে আসে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পটুয়াখালীর বাউফলে মা ইলিশ শিকারের অপরাধে ১৯ জন জেলেকে আটক করেছে কোস্টগার্ড।

আপডেট সময় : ১১:৩৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯

পটুয়াখালীর বাউফলে আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে মা ইলিশ শিকারের অপরাধে চন্দ্রদ্বীপের চর ওয়াডেল এলাকার রাশেদ হাওলাদার (৩০),নান্নু ব্যাপারী (৩২), সেলিম হাওলাদার (৩০),পারভেজ (১৭), রিপন (৩২), বাহাদুর (২৮), চর মিয়াজানের নিজাম হাওলাদার (২১), রাজ্জাক চৌকিদার (৩৫), কেশবপুরের জাফরাবাদের হিরন (২২), জাকারিয়া (১৮), ভরিপাশা গ্রামের জুলহাস (৩৭), পাশের ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিনের সাছরা গ্রামের সিদ্দিক মাঝি (২৮), সজীব বাবুর্চি (১৬), সোহেল (১৬), ইমরান (১৮), মাসুদ (১৭), কামরুল (১২), বাথান বাড়ি এলাকার শাকিল (১২) ও জিহাদ (১১) নামে ১৯জন জেলেকে আটক করেছে কোস্টগার্ড।
কোস্টগার্ডের সি জি এস পাবনা (পি- ১১১) জাহাজের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র চিফ পেটি অফিসার ওবায়দুল হক জানান তেঁতুলিয়া নদীর চন্দ্রদ্বীপের চরওয়াডেল, খানকা, বাতিরখাল, চর রায়সাহেব, মমিনপুরের লালচর ও নিমদী পয়েন্টে ইলিশ শিকারের সময় অভিযান চালিয়ে ওইসব জেলেদের আটক ও একই সঙ্গে ৩ লাখ মিটার অবৈধ কারেন্টজালসহ প্রায় ৭ মন ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনে উপজেলা প্রশাসনের কাছে আটক জেলেদের হস্তান্তর ও নিমদী লঞ্চঘাট এলাকায় জালগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় কয়েকটি এতিমখানাসহ দু:স্থদের মাঝে বিতরণ করা হয় মাছগুলো।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন জানান, জেলেদের মধ্যে ভোলার সাছরা এলাকার অনোয়ার বাবুর্চির ছেলে মাসুদ (১৭), শাহজাদার ছেলে কামরুল (১২) ও লোকমান খার ছেলে শাকিল (১২) দ্বিতীয়বার কোস্টগার্ডের হাতে আটক হয়েছে। আগেরবার বয়স বিবেচনায় তাদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা জরিমান ও মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে মাসুদ জানায় ভোলার বোরহান উদ্দিনের মহসিন নামে একজন টাকার প্রলোভন দিয়ে ও জোরকরে তাদেরকে দ্বিতীয়বারের মতো ইলিশ শিকারে নিয়ে আসে।