সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চুয়াডাঙ্গায় প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে এএসআই’র শিশু কন্যা নিখোঁজ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা

কেউ কষ্ট করুক এটা আমি চাই না প্রধানমন্ত্রী।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৬:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০ ১৪২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি::-

করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কেউ কষ্ট করুক এটা আমি চাই না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন করোনার কারণে কেউ যাতে কষ্ট না করে তার জন্য ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হলো। যারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তারা দুশ্চিন্তায় আছেন আমরা তাদের জন্যই এ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি। কেউ কষ্ট করুক সেটা আমি চাই না। সকলের কষ্ট লাঘব হোক এটাই আমি চাই। এই প্রণোদনার সুফল সবাই পাবেন। শুধু চাই আপনারা যেন সততার সঙ্গে কাজ করেন। এই সুযোগ কেউ কাজে লাগাবেন না। আমরা যদি সঠিক ভাবে কাজ করি তাহলে কোনো অসুবিধায় পড়ব না।

আজ রবিবার সকাল ১০টায় করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব থেকে উত্তরণের পরিকল্পনা ঘোষণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন এই ভাইরাসের কারণে আমার দেশের শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে কোনো মানুষ যাতে কষ্টে না থাকে তার জন্য এই প্রণোদনা প্যাকেজ।

প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত চার কার্যক্রম হলো- সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি করা সরকরি ব্যয়ের ক্ষেত্রে কর্মসৃজনকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। বিদেশ ভ্রমণ এবং বিলাসী ব্যয় নিরুৎসাহিত করা হবে। ঋণের স্থিতি-জিডিপির অনুপাত অত্যন্ত কম ৩৪ শতাংশ বিধায় অধিকতর সরকারি ব্যয় সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করবে না আর্থিক সহায়তার প্যাকেজ: ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা প্রবর্তন করা হবে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করা, শ্রমিক-কর্মচারীদের কাজে বহাল রাখা এবং উদ্যোক্তাদের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অক্ষুন্ন রাখাই হলো আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের মূল উদ্দেশ্য, সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধি, দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী জনগণ, দিনমজুর এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক কাজে নিয়োজিত জনসাধারণের মৌলিক চাহিদা পূরণে বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বাড়ানো।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমগুলো হলো বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রয়, লক্ষ্যভিত্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ, বয়স্ক ভাতা এবং বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারীদের জন্য ভাতা কর্মসূচির আওতা সর্বাধিক দারিদ্র্যপ্রবণ ১০০টি উপজেলায় শতভাগে উন্নীত করা এবং জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত অন্যতম কার্যক্রম গৃহহীন মানুষদের জন্য গৃহনির্মাণ কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়ন করা ইত্যাদি, মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধি করা অর্থনীতির বিরূপ প্রভাব উত্তরণে মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে সিআরআর এবং রেপোর হার কমিয়ে মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, যা আগামীতেও প্রয়োজন অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে। তবে এ ক্ষেত্রে আমাদের লক্ষ্য থাকবে যেন মুদ্রা সরবরাহ জনিত কারণে মুদ্রাস্ফীতি না ঘটে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কেউ কষ্ট করুক এটা আমি চাই না প্রধানমন্ত্রী।

আপডেট সময় : ০৭:৩৬:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি::-

করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কেউ কষ্ট করুক এটা আমি চাই না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন করোনার কারণে কেউ যাতে কষ্ট না করে তার জন্য ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হলো। যারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তারা দুশ্চিন্তায় আছেন আমরা তাদের জন্যই এ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি। কেউ কষ্ট করুক সেটা আমি চাই না। সকলের কষ্ট লাঘব হোক এটাই আমি চাই। এই প্রণোদনার সুফল সবাই পাবেন। শুধু চাই আপনারা যেন সততার সঙ্গে কাজ করেন। এই সুযোগ কেউ কাজে লাগাবেন না। আমরা যদি সঠিক ভাবে কাজ করি তাহলে কোনো অসুবিধায় পড়ব না।

আজ রবিবার সকাল ১০টায় করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব থেকে উত্তরণের পরিকল্পনা ঘোষণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন এই ভাইরাসের কারণে আমার দেশের শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে কোনো মানুষ যাতে কষ্টে না থাকে তার জন্য এই প্রণোদনা প্যাকেজ।

প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত চার কার্যক্রম হলো- সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি করা সরকরি ব্যয়ের ক্ষেত্রে কর্মসৃজনকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। বিদেশ ভ্রমণ এবং বিলাসী ব্যয় নিরুৎসাহিত করা হবে। ঋণের স্থিতি-জিডিপির অনুপাত অত্যন্ত কম ৩৪ শতাংশ বিধায় অধিকতর সরকারি ব্যয় সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করবে না আর্থিক সহায়তার প্যাকেজ: ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা প্রবর্তন করা হবে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করা, শ্রমিক-কর্মচারীদের কাজে বহাল রাখা এবং উদ্যোক্তাদের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অক্ষুন্ন রাখাই হলো আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের মূল উদ্দেশ্য, সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধি, দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী জনগণ, দিনমজুর এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক কাজে নিয়োজিত জনসাধারণের মৌলিক চাহিদা পূরণে বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বাড়ানো।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমগুলো হলো বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রয়, লক্ষ্যভিত্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ, বয়স্ক ভাতা এবং বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারীদের জন্য ভাতা কর্মসূচির আওতা সর্বাধিক দারিদ্র্যপ্রবণ ১০০টি উপজেলায় শতভাগে উন্নীত করা এবং জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত অন্যতম কার্যক্রম গৃহহীন মানুষদের জন্য গৃহনির্মাণ কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়ন করা ইত্যাদি, মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধি করা অর্থনীতির বিরূপ প্রভাব উত্তরণে মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে সিআরআর এবং রেপোর হার কমিয়ে মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, যা আগামীতেও প্রয়োজন অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে। তবে এ ক্ষেত্রে আমাদের লক্ষ্য থাকবে যেন মুদ্রা সরবরাহ জনিত কারণে মুদ্রাস্ফীতি না ঘটে।