সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

চারপাশে মিষ্টি গন্ধে মন ছুঁয়ে যায়। আমের বাম্পার ফলন হলে হাসবে চাষী।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪১:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২০ ২৪১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ তহিরুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিবেদক::-

চুয়াডাঙ্গার জেলায় প্রতিটি আম গাছের মুকুল মন জুড়িয়ে চারপাশে ছড়াচ্ছে মিষ্টি সুভাষ। কিছুদিন পরেই মধুমাসে এসব মুকুল থেকে গুটি আম রুপ নিবে পরিপাক্ক আমে। জেলার চার উপজেলাতেই আম গাছের মুকুলে মিষ্টি গন্ধে মন ছুঁয়ে যায়। বাগানে সারিবদ্ধ আম গাছ গুলোতে এ বছর একটু বাড়তি লাভের স্বপ্ন দেখছে জেলার আম বাগান মালিকরা। জেলার কয়েকটি আমবাগান ঘুরে দেখা গেছে আম চাষীরা তাদের বাগানগুলোতে আম গাছের বাড়তি পরিচর্যা করছে। এ বছরে বাগানের প্রতিটি আমগাছে মুকুল ভরে গেছে। তাই পোকা মাকড়ের আক্রমন ঠেকাতে স্থানীয় কৃষি অধিদপ্তরের সদস্যদের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধও স্প্রে করছেন আম চাষী মালিকরা তবে আবহাওয়া ভালো হলে আমের ফলনও ভালো হবে এমনই জানিয়েছেন আম বাগান মালিকরা। চুয়াডাঙ্গা জেলায় বেগমপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড এর সাবেক সফল মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ ওমর আলী জানান ১৫/২০ দিন আগে তার বাগানের আম গাছগুলোতে মুকুল আসা শুরু করে আমার এই বাগানের ৬০০ আম গাছ আছে প্রতিটি গাছেই আমের মুকুলে ছেয়ে গেছে। চলতি মৌসুমে যদি আবহাওয়া ভালো থাকে তবে আমের ফলন ভালো হবে। ফলে লাভের পরিমানও অন্যান্যে বছরের তুলনায় বেশী হবে ধারনা করছেন এই কৃষক। দর্শনা পৌর এলাকার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের সাবেক কমিশনার মোঃ আব্দুল কাদের জানান আম বাগানের প্রতিটি গাছে পরিচর্যার কাজ করা হচ্ছে। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকারি ব্যবসায়ীরা তার বাগানে এসে আম কিনে নিয়ে যায়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আলী হাসান জানান এই অঞ্চলের আম খুবই সুস্বাদু গত বছর জেলার চার উপজেলায় ১৮শ ৭৫ হেক্টর জমিতে আম চাষ করা হয়েছিল। এ বছর চলতি মৌসুমে মাত্রা বাড়িয়ে ১৯শ ৫০ হেক্টর আম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চারপাশে মিষ্টি গন্ধে মন ছুঁয়ে যায়। আমের বাম্পার ফলন হলে হাসবে চাষী।

আপডেট সময় : ০৯:৪১:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২০

মোঃ তহিরুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিবেদক::-

চুয়াডাঙ্গার জেলায় প্রতিটি আম গাছের মুকুল মন জুড়িয়ে চারপাশে ছড়াচ্ছে মিষ্টি সুভাষ। কিছুদিন পরেই মধুমাসে এসব মুকুল থেকে গুটি আম রুপ নিবে পরিপাক্ক আমে। জেলার চার উপজেলাতেই আম গাছের মুকুলে মিষ্টি গন্ধে মন ছুঁয়ে যায়। বাগানে সারিবদ্ধ আম গাছ গুলোতে এ বছর একটু বাড়তি লাভের স্বপ্ন দেখছে জেলার আম বাগান মালিকরা। জেলার কয়েকটি আমবাগান ঘুরে দেখা গেছে আম চাষীরা তাদের বাগানগুলোতে আম গাছের বাড়তি পরিচর্যা করছে। এ বছরে বাগানের প্রতিটি আমগাছে মুকুল ভরে গেছে। তাই পোকা মাকড়ের আক্রমন ঠেকাতে স্থানীয় কৃষি অধিদপ্তরের সদস্যদের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধও স্প্রে করছেন আম চাষী মালিকরা তবে আবহাওয়া ভালো হলে আমের ফলনও ভালো হবে এমনই জানিয়েছেন আম বাগান মালিকরা। চুয়াডাঙ্গা জেলায় বেগমপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড এর সাবেক সফল মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ ওমর আলী জানান ১৫/২০ দিন আগে তার বাগানের আম গাছগুলোতে মুকুল আসা শুরু করে আমার এই বাগানের ৬০০ আম গাছ আছে প্রতিটি গাছেই আমের মুকুলে ছেয়ে গেছে। চলতি মৌসুমে যদি আবহাওয়া ভালো থাকে তবে আমের ফলন ভালো হবে। ফলে লাভের পরিমানও অন্যান্যে বছরের তুলনায় বেশী হবে ধারনা করছেন এই কৃষক। দর্শনা পৌর এলাকার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের সাবেক কমিশনার মোঃ আব্দুল কাদের জানান আম বাগানের প্রতিটি গাছে পরিচর্যার কাজ করা হচ্ছে। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকারি ব্যবসায়ীরা তার বাগানে এসে আম কিনে নিয়ে যায়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আলী হাসান জানান এই অঞ্চলের আম খুবই সুস্বাদু গত বছর জেলার চার উপজেলায় ১৮শ ৭৫ হেক্টর জমিতে আম চাষ করা হয়েছিল। এ বছর চলতি মৌসুমে মাত্রা বাড়িয়ে ১৯শ ৫০ হেক্টর আম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে।