সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

বিরামপুরে মাদক বিরোধী অভিযানে ইয়াবা-গাঁজাসহ ৫ কারবারি আটক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শফিকুল ইসলাম,দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় পুলিশের ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাঁজাসহ পাঁচজন কথিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে বিরামপুর থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে প্রথমে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রনগাঁও এলাকার নারগীছ বানু (৩৯)-কে আটক করা হয়। তিনি নুরুল ইসলামের কন্যা ও নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী। বিরামপুরের এ্যাগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রির সামনে দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়ক থেকে তাকে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়।

এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিছকিনি এলাকায় পৃথক অভিযানে মোছাঃ নুরবানু (৩৫), মোঃ রায়হান কবির (২২) এবং এআর আরাফাত (৩৫)-কে আটক করা হয়। নুরবানুর মুদি দোকানের সামনে থেকে তাদের হেফাজতে থাকা ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়। নুরবানু ও রায়হান কবির লুৎফর রহমানের সন্তান এবং আরাফাত মৃত আবেদ আলীর ছেলে।
একই রাতে,রাত ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে তৈয়বপুর (জোলাগাড়ি) এলাকার বাসিন্দা মোঃ রাসেল ইসলাম (২৮)-কে চকপাড়া এলাকার মা ট্রেডার্সের সামনে থেকে গাঁজাসহ আটক করে পুলিশ। তিনি একরামুল হকের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের চলমান অভিযানকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার ও নিয়মিত পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিরামপুরে মাদক বিরোধী অভিযানে ইয়াবা-গাঁজাসহ ৫ কারবারি আটক

আপডেট সময় : ০৬:৫২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

শফিকুল ইসলাম,দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় পুলিশের ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাঁজাসহ পাঁচজন কথিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে বিরামপুর থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে প্রথমে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রনগাঁও এলাকার নারগীছ বানু (৩৯)-কে আটক করা হয়। তিনি নুরুল ইসলামের কন্যা ও নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী। বিরামপুরের এ্যাগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রির সামনে দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়ক থেকে তাকে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়।

এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিছকিনি এলাকায় পৃথক অভিযানে মোছাঃ নুরবানু (৩৫), মোঃ রায়হান কবির (২২) এবং এআর আরাফাত (৩৫)-কে আটক করা হয়। নুরবানুর মুদি দোকানের সামনে থেকে তাদের হেফাজতে থাকা ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়। নুরবানু ও রায়হান কবির লুৎফর রহমানের সন্তান এবং আরাফাত মৃত আবেদ আলীর ছেলে।
একই রাতে,রাত ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে তৈয়বপুর (জোলাগাড়ি) এলাকার বাসিন্দা মোঃ রাসেল ইসলাম (২৮)-কে চকপাড়া এলাকার মা ট্রেডার্সের সামনে থেকে গাঁজাসহ আটক করে পুলিশ। তিনি একরামুল হকের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের চলমান অভিযানকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার ও নিয়মিত পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।